10-Feb-2025

Tuesday 11 February 2025

12-Feb-2025

Govt to procure rock phosphate, fertilizer, rice, LNG

The Financial Express

The government on Tuesday approved separate proposals for procuring some 30,000 metric tonnes (MTs) of rock phosphate, 30,000 MTs of MOP fertiliser, 50,000 MTs of non-Basmati boiled rice, and one cargo of LNG to meet the growing demands of the country. The approvals came from the 7th meeting of the Advisers Council Committee on Government Purchase (ACCGP), held at the Cabinet Division Conference Room at Bangladesh Secretariat with adviser to the interim government on the ministries of Education and Planning Professor Wahiduddin Mahmud in the chair.

AIIB to lend Bangladesh $400m

The Financial Express

Bangladesh is getting US$400 million from the Asian Infrastructure Investment Bank (AIIB) as budget-support credit to finance policy actions for infrastructural development in climate-critical sectors, sources said. The agreed loan will be given under the AIIB's climate policy-based financing arrangement (CPBF) in a project titled 'Climate Resilient Inclusive Development Programme (Sub-programme 2)'. The recipe will be co-financed by the Asian Development Bank (ADB). Finance division, the ministry of environment, forest and climate change, planning commission, cabinet division, the central bank, local government, rural development and cooperatives, and water ministry, agriculture ministry, railways ministry, road transport and highways division, power division, energy and mineral resources division, and sustainable and renewable energy development authority will implement the project.

উচ্চ নীতি সুদহার বেসরকারি খাতে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত করবে —ডিসিসিআই

Bonik Barta

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধে নীতি সুদহার ১০ শতাংশ রাখার পাশাপাশি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি বজায় রাখায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্তে কিছুটা উদ্বেগ প্রকাশ করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। বিদ্যমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে এ কঠোর অবস্থানের উদ্যোগ বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনৈতিক সম্প্রসারণকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে বলে মনে করে ব্যবসায়িক সংগঠনটি। বিনিয়োগের জন্য দেশের বেসরকারি খাত ব্যাংকগুলোর ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভর করে। তবে উচ্চ সুদহার পণ্য উৎপাদন খরচ বাড়িয়ে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ১০ দশমিক ৮৯ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে মুদ্রাস্ফীতি ৯ দশমিক ৯৪ শতাংশে নেমে আসা সত্ত্বেও এটি কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় নামেনি। ডিসিসিসিআই জানুয়ারি-জুন ২০২৫ সালের জন্য বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৯ দশমিক ৮ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত বেসরকারি খাতকে কিছুটা আশাহত করেছে। যদিও ২০২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত প্রকৃত প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ৩ শতাংশ, যা ১২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

জানুয়ারিতে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম কমেছে

Bonik Barta

বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম জানুয়ারিতে আগের মাসের তুলনায় কমেছে। এ সময় চিনি ও ভোজ্যতেলের মূল্যহ্রাস খাদ্যপণ্যের গড় দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি বিভাগের (এফএও) সর্বশেষ মাসভিত্তিক মূল্যসূচক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। এফএওর মূল্যসূচক মূলত আন্তর্জাতিক বাজারে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য হওয়া খাদ্যপণ্যের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। সংস্থাটি জানুয়ারিতে বিশ্বব্যাপী খাদ্যমূল্যের গড় সূচকমান ১২৪ দশমিক ৯ পয়েন্টে নির্ধারণ করেছে, ডিসেম্বরে যা ছিল ১২৭ পয়েন্ট। তবে মাসভিত্তিক এমন পতন সত্ত্বেও গত মাসে খাদ্যপণ্যের দাম আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ বেশি ছিল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ‍শুরুর পরের মাসে বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে ইতিহাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। সে সময়ের তুলনায় গত মাসে দাম কমেছে ২২ শতাংশ। এফএওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, জানুয়ারিতে চিনির দাম আগের মাসের তুলনায় ৬ দশমিক ৮ ও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ কমেছে। এ দরপতনে ভূমিকা রেখেছে বৈশ্বিক সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি, আংশিকভাবে ব্রাজিলের অনুকূল আবহাওয়া ও ভারত থেকে পুনরায় চিনি রফতানি শুরু।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা দখলের প্রস্তাবে হতাশা শিপিং শিল্পে

Bonik Barta

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির পর লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজের প্রত্যাবর্তন বিষয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছিল শিপিং কোম্পানিগুলো। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা দখলের প্রস্তাব তাদের মাঝে নতুন শঙ্কা তৈরি করেছে। প্রতিক্রিয়ায় শিপিং কোম্পানির নির্বাহীরা এক বছরের বেশি সময় পর লোহিত সাগরের রুট স্বাভাবিক হওয়ার পথে এগোচ্ছে, সে প্রত্যাশা নষ্ট হয়ে গেছে। ইয়েমেনের হুথি সশস্ত্র গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে ফের হামলা শুরু করতে পারে। গত মাসে পক্ষটি জানিয়েছিল, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতির পর তার লক্ষ্যবস্তু কমিয়ে এনেছে।

এয়ারবাস ও বোয়িং ভারতের আকাশে উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্য দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর

Bonik Barta

ভারতের জনসংখ্যার অতি ছোট অংশ আকাশপথে ভ্রমণ করলেও দেশটিতে উড়োজাহাজ চলাচল দ্রুত বাড়ছে। ক্রমবর্ধমান এ বাজারের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দিয়েছে দুই উড়োজাহাজ নির্মাতা জায়ান্ট এয়ারবাস ও বোয়িং। গতকাল ভারতে শুরু হয়েছে ফ্ল্যাগশিপ অ্যারো ইন্ডিয়া এক্সিবিউশন। এতে লাভজনক চুক্তি করতে প্রস্তুত শীর্ষ দুই উড়োজাহাজ নির্মাতা। আগামী জুনে ভারতের নয়াদিল্লিতে বসবে ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আইএটিএ) বার্ষিক সাধারণ সভা। যাকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম এ অর্থনীতির বাজারশক্তির আরেকটি প্রমাণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারতের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ক্রমবর্ধমান সম্প্রসারণ ঘটছে। উড়োজাহাজ বাজারে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর এটি তৃতীয় বৃহত্তম দেশ। এ বিষয়ে এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান রেমি মাইলার্ড বলেন, ‘বৈশ্বিক অ্যারোস্পেসের উদীয়মান নক্ষত্র ভারত। এটি বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ বাজার এবং আগামী ২০ বছর এভাবেই থাকবে।’

যুক্তরাষ্ট্রে ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক

Bonik Barta

যুক্তরাষ্ট্রে সব ধরনের ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, যা তার বাণিজ্যনীতির আরেকটি বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এয়ার ফোর্স ওয়ানে করে নিউ অরলিন্সে এনএফএল সুপার বোলে যাওয়ার পথে রোববার সাংবাদিকদের ট্রাম্প এ তথ্য জানান। তিনি আরো জানান, মঙ্গল বা বুধবার পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণা করবেন, যা প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর হবে এবং এটি সব দেশের ওপর প্রযোজ্য হবে। যেখানে মার্কিন পণ্যের ওপর প্রতিটি দেশের ধার্য শুল্ক হার অনুযায়ী নতুন শুল্ক আরোপ হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এটি খুবই সহজ, যদি তারা আমাদের ওপর শুল্ক ধার্য করে, আমরা তাদের ওপরও একই শুল্ক ধার্য করব।’যুক্তরাষ্ট্রের ইস্পাত আমদানির প্রধান উৎস কানাডা, ব্রাজিল ও মেক্সিকো, এরপর দক্ষিণ কোরিয়া ও ভিয়েতনামের অবস্থান। এর মধ্যে কানাডা দেশটির প্রাথমিক অ্যালুমিনিয়ামের বৃহত্তম সরবরাহকারী, যা ২০২৪ সালের প্রথম ১১ মাসে মোট আমদানির ৭৯ শতাংশ ছিল। ট্রাম্পের ঘোষণার পর কানাডার উদ্ভাবন বিষয়ক মন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া-ফিলিপ শ্যাম্পেন মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে লেখেন, ‘কানাডিয়ান ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা, জাহাজ নির্মাণ ও অটোমোবাইল শিল্পকে সমর্থন করে। আমরা কানাডা, আমাদের শ্রমিক ও শিল্পের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।’

বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণে ভিসা নীতি শিথিল নিউজিল্যান্ডে

Bonik Barta

অর্থনীতি চাঙ্গা করতে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য ভিসা নীতি শিথিল করছে নিউজিল্যান্ড, যা শিগগিরই কার্যকর হবে। গতকাল এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির মধ্য ডানপন্থী সরকার। নিউজিল্যান্ডের অভিবাসনমন্ত্রী এরিকা স্ট্যানফোর্ড জানান, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের জন্য ভিসা আরো সহজ ও নমনীয় করা হবে। যাতে তারা মূলধন, দক্ষতা ও আন্তর্জাতিক সংযোগের"জন্য নিউজিল্যান্ডকে বেছে নিতে উৎসাহিত হন। এরিকা স্ট্যানফোর্ডের এক বিবৃতি অনুসারে, ‘উচ্চ ঝুঁকির বিনিয়োগ"ও মিশ্র বিনিয়োগের"জন্য নতুন দুটি ভিসা ইউনিট তৈরি করা হবে। এ পরিবর্তনগুলো আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে গতিশীল করবে এবং সব কিউইর জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বয়ে আনবে।’ সম্প্রতি বিদেশীদের ভিসা দেয়ার ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন এনেছে নিউজিল্যান্ড, আগামী ১ এপ্রিল থেকে যা কার্যকর হবে। এ শিথিলীকরণের মাধ্যমে পর্যটকরা দেশটিতে ভ্রমণকালে দূর থেকে কাজ করতে পারবে, যার লক্ষ্য পর্যটন খাতের আয় বাড়ানো। ২০২৪ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রযুক্তিগত মন্দায় পড়ার পর নিউজিল্যান্ড সরকার প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর উপায় খুঁজছে। গত মাসে দেশটি ‘ইনভেস্ট নিউজিল্যান্ড’ নামের নতুন উদ্যোগ ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে বিদেশী বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে দেশটি।

রেকর্ড চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত জাপানে

Bonik Barta

জাপানের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত ২০২৪ সালে রেকর্ড পরিমাণে বেড়েছে। দেশটির অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, দুর্বল ইয়েনের কারণে বৈদেশিক বিনিয়োগ থেকে আয় বেড়েছে, যা বাণিজ্য ঘাটতিকে সহজেই পুষিয়ে দিয়েছে। গত বছরে জাপানে চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ২৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি ইয়েন বা ১৯ হাজার ২৬৭ কোটি ডলার, যা ১৯৮৫ সাল থেকে প্রাপ্য তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ। এছাড়া ২০২৩ সালের তুলনায় চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত বেড়েছে ২৯ দশমিক ৫ শতাংশ।

প্রথমার্ধে যমুনা অয়েলের মুনাফা বেড়েছে ৩০%

Bonik Barta

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন প্রতিষ্ঠান যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে ২৬৪ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২০৪ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির মুনাফা বেড়েছে ২৯ দশমিক ৫৯ শতাংশ। কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এছাড়া যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) ২২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরিবর্তে সভাটি ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। অনিবার্য কারণবশত এজিএমের তারিখ পরিবর্তন করা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত অন্যান্য তথ্য অপরিবর্তিত থাকবে। গতকাল স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে যমুনা অয়েলের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৩ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৮ টাকা ৪৬ পয়সা। গত ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৫৯ টাকা ৫৭ পয়সায়।

৮০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে সিটি ব্যাংক

Bonik Barta

পুঁজিবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসি ৮০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্যানুসারে, বন্ডটি হবে ব্যাংকের সাব-অর্ডিনেটেড বন্ড। ব্যাসেল-৩-এর সঙ্গে সংগতি রেখে মূলধন ভিত্তি শক্তিশালী ও ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি চলমান রাখতে ওই অর্থ ব্যবহার করা হবে। পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশে সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর অনুমোদন সাপেক্ষে বন্ড ইস্যুর এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। ১৯৮৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ২ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৩৫২ কোটি ১৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৪৬০ কোটি ২৫ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ১৩৫ কোটি ২১ লাখ ৯৭ হাজার ৩৯৫। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকের কাছে ৩০ দশমিক ৩৪ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ২২ দশমিক ৩৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী ৫ দশমিক ৮৭ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ৪১ দশমিক ৪০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ছয় কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন

Bonik Barta

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ছয়টি কোম্পানির ক্যাটাগরি পরিবর্তন করা হয়েছে। কোম্পানিগুলো হলো বেস্ট হোল্ডিংস পিএলসি, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, একমি পেস্টিসাইড লিমিটেড, এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে, আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি লিমিটেড ও অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেড। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বেস্ট হোল্ডিংস ‘‌এন’ থেকে ‘‌এ’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। মোজাফফর হোসেন স্পিনিং মিলস ‘‌জেড’ থেকে ‘‌বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। একমি পেস্টিসাইড ‘‌জেড’ থেকে ‘‌বি’ ক্যাটাগরিতে উন্নীত হয়েছে। এসকে ট্রিমস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ ‘‌বি’ থেকে ‘‌জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন হয়েছে। আলিফ ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি ‘‌বি’ থেকে ‘‌জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন হয়েছে। অ্যাডভেন্ট ফার্মা ‘‌বি’ থেকে ‘‌জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমন হয়েছে।

এক হাজার কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করবে সাউথইস্ট ব্যাংক

Bonik Barta

সাত বছর মেয়াদে ৫০০ কোটি টাকার একটি সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড ইস্যুর জন্য অনুমোদন দিয়েছিল তালিকাভুক্ত সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসির পর্ষদ। তবে ভবিষ্যতে ব্যাংকটির মূলধন বাধ্যবাধকতা পূরণের বিষয়টি বিবেচনা করে বন্ডের পরিমাণ ৫০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। তথ্যানুসারে, সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডটি সাউথইস্ট ব্যাংকের টায়ার-২ মূলধনের অংশ হবে এবং এর মাধ্যমে ব্যাংকটির মোট নিয়ন্ত্রক মূলধনের পরিমাণ বাড়বে। সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষে এ বন্ড ইস্যু করা হবে। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) সাউথইস্ট ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ১৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২ টাকা ২৫ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৪ টাকা ৩৮ পয়সায়।

জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব সরকার অতিরঞ্জিত বললেও খুঁজে পাচ্ছে না বিবিএস

Bonik Barta

দেশের সরকারি পরিসংখ্যান দীর্ঘদিন ধরেই প্রশ্নবিদ্ধ। মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপির তথ্যে নেই বাস্তব চিত্রের প্রতিফলন। সম্প্রতি ক্ষমতার পালাবদলের পর এ প্রশ্ন আরো জোরালো হয়েছে। দেশী-বিদেশী বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকেও জিডিপির তথ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বলা হয়েছে, উন্নয়নের বয়ান তৈরির জন্য জিডিপির আকার ও প্রবৃদ্ধিকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখিয়েছিল বিগত সরকার। অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার ছয় মাস পর গতকাল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) গত অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করেছে। তাতে অবশ্য বিগত সময়ের তথ্যের সঙ্গে খুব বেশি ফারাক নেই। বিশ্লেষকরা বলছেন, গলদ রয়েছে বিবিএসের জিডিপির হিসাব পদ্ধতির মধ্যেই। অনুমাননির্ভর এবং অনেক পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে এ হিসাব করে সরকারের সংস্থাটি। ফলে অনেক সময় বাস্তবতার সঙ্গে তার মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এবারো পদ্ধতিগত কোনো পরিবর্তন না করার কারণেই জিডিপির হিসাবে তেমন কোনো পার্থক্য দেখা যাচ্ছে না বলে মনে করছেন তারা। তাই বিবিএসের সামগ্রিক পরিবর্তনে দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ বিশ্লেষকদের।

নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়ার প্রত্যাশা বাংলাদেশ ব্যাংকের

Bonik Barta

চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথমার্ধের (জুলাই-ডিসেম্বর) মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছিল ৯ দশমিক ৮ শতাংশ। যদিও এ সময়ে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন) মুদ্রানীতিতেও বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা একই রাখা হয়েছে। অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে বিদ্যমান ১০ শতাংশ নীতি সুদহার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উচ্চ নীতি সুদহার ধরে রাখার পেছনে যুক্তি দেয়া হচ্ছে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের। যদিও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন শুধু এর মাধ্যমে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে না। আর ব্যবসায়ীরা বলছেন, এভাবে উচ্চ সুদহার বিদ্যমান থাকা অবস্থায় বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধি বাড়ার সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর গতকাল তার মেয়াদের প্রথম মুদ্রানীতি ঘোষণা করেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। মুদ্রানীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিদ্যমান নীতি সুদহার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক মনে করছে, এর মধ্য দিয়ে মূল্যস্ফীতির হার আগামী জুন শেষে ৭-৮ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যপূরণের অংশ হিসেবে কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখা হয়েছে, যাতে সম্পদ হিসেবে টাকার মূল্যমান আকর্ষণীয় থাকে, বিনিময় হারে স্থিতিশীলতা বজায় থাকে এবং মূল্যস্ফীতির চাপ কমে আসে।

NPLs in banks may cross 30pc by June

The Financial Express

The non-performing loans in Bangladesh's banks may cross 30 per cent of the total outstanding loans by this financial year-end, the central bank predicts in a cautious half-yearly monetary policy it has crafted. Such predicted spurt in NPL buildup raises concerns for the banking industry that already sees the bad loans on a worrying upturn for accumulated anomalies over the years. Until September 2024, the country saw classified loans make a quantum leap to Tk 2.85 trillion, accounting for around 17 per cent of the total outstanding loans. Releasing the latest monetary policy statement (MPS) Monday for the second half of this fiscal (FY'25), the Bangladesh Bank showed the major NPL-contributing factors such as systemic weaknesses, regulatory gaps, and exploitative practices such as money laundering and illicit capital flight. In response, says the policy statement, the regulator has introduced comprehensive guidelines aligned with international best practices for loan classification, provisioning, and recovery.

Dip in industrial output dents FY24 growth to 4.22pc

Bonik Barta

Industrial output saw a massive plunge from the ousted Sheikh Hasina government's doctored statistics in the FY24 revised export earnings estimation, causing Bangladesh's overall economic growth to fall markedly, according to official data released on Monday. The final economic growth for the last fiscal year was lowered by 1.60 percentage points to only 4.22 per cent as real export earnings were much lower than the statistics published during the previous regime, the Bangladesh Bureau of Statistics (BBS) data showed. The BBS preliminary estimation put the FY24 Gross Domestic Product (GDP) growth at 5.82 per cent. Per capita income was also reduced by $46 to $2,738 in the final record from $2,784 in the preliminary estimation. According to BBS, the industrial sector growth was cut to 3.51 per cent in the final GDP data, which was estimated at 6.66 per cent in the preliminary report some months ago. BBS said, "The fall in industrial production following the revised export statistics is the key reason behind the downward GDP growth rate in the final estimation than the provisional figure."

Sonali Paper rebounds in Q2 on higher revenue, lower finance cost

Bonik Barta

Sonali Paper & Board Mills returned to profit in the second quarter (Q2) through December 2024 of the current fiscal year, supported by higher revenue and a reduction in finance costs.The paper manufacturing company earned a profit of Tk 122.6 million in October-December last year, whereas it suffered a loss of Tk 5.68 million in the same quarter of the previous year. Consequently, earnings per share (EPS) stood at Tk 3.72 for the quarter, recovering from Tk 0.17 in the negative for the same quarter a year ago. During the period, the company's sales revenue escalated 15 per cent year-on-year to Tk 961 million. Following the earnings disclosure, the stock soared almost 10 per cent to Tk 150.8 per share on Monday on the Dhaka Stock Exchange, as investors showed buying appetite in anticipation of quick gains. Company secretary Md Rashedul Hossain said higher revenue from core business coupled with lower finance costs had helped the company secure a healthy profit. The paper manufacturer cleared long-term loans of Tk 124.8 million during the quarter, according to its audited financial statements published on Monday, which brought down finance costs by 2 per cent to Tk 23.55 million.

BB Order, Bank Company Act to be reviewed

Bonik Barta

The central bank is going to review both the Bangladesh Bank (BB) Order and the existing Bank Company Act to ensure corporate governance in the country's banking sector. "We will update and modernise the BB Order and the Bank Company Act in line with the global practices," Bangladesh Bank Governor Dr Ahsan H Mansur said responding to a question while unveiling the half-yearly monetary policy statement at a press conference at the central bank headquarters in the capital on Monday. The central bank will review each section of the Bank Company Act 1991, which was last revised in 2023 to make the sections relevant to the situation at the time, according to the central bank chief. The number of bank directors, the tenure of directors, and the number of independent directors will be strongly focused in the upcoming review of the act, he said. "We will examine the necessity of having 20 directors on the board of a bank," the governor said, adding the current tenure of bank directors is irrational and should be reduced.

Dhaka-Ctg pipeline may become operative in April

Bonik Barta

The Dhaka-Chattogram fuel oil transportation pipeline is likely to become operational in April as the project is completed. The 250km pipeline is likely to be commissioned next month, while Bangladesh Petroleum Corporation (BPC) plans to commence transporting fuel oil in April under its own management, said sources. Implemented at a cost of Tk 36 billion, it is Bangladesh's first-ever oil transport pipeline project, which aims to save time, reduce transportation costs, and reduce system losses and environmental pollution. BPC officials said the pipeline would save Tk 1.5 billion in transportation costs per year, adding its pre-commissioning is underway. The pipeline will transport over 2.7 million metric tonnes of diesel, including high speed diesel (HSD), annually and has been designed with a future capacity increase to 5 million metric tonnes. HSD is one of the most important fuel types for agricultural work in the northern districts. Under the project, 241.28 kilometres of pipelines have been installed from Guptakhal in Patenga to Godnail in Narayanganj via Feni, Cumilla, Chandpur, and Munshiganj.

Inflation worry forces BB to continue tightfisted monetary management

The Financial Express

The Bangladesh Bank (BB) continues to pursue contractionary monetary stance to manage inexorable inflation and financial constraints retaining the regulatory lending rate high at 10 per cent. Despite calls from businesses to lower the policy rate, the BB has retained the previous rate unchanged with a hope that inflation would drop to 7.0-8.0 per cent by June -- the end of the current fiscal year -- in the half-yearly monetary policy statement or MPS.The Standing Lending Facility (SLF) rate will remain at 11.5 per cent, while the Standing Deposit Facility (SDF) rate will stay at 8.5 percent, maintaining a policy rate corridor of ±150 basis points."The monetary policy will remain tight (contractionary) until June," Dr Ahsan H. Mansur, Governor of Bangladesh Bank, told reporters at the central bank headquarters during the rollout of the MPS for second half (H2) of this fiscal.

মূল্যস্ফীতি ঠেকাতে কঠোর মুদ্রানীতি: বাংলাদেশ ব্যাংকের পদক্ষেপ

The Financial Express

বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রমাগতভাবে মুদ্রাস্ফীতি ও আর্থিক সীমাবদ্ধতা মোকাবিলায় সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি অব্যাহত রেখেছে এবং নিয়ন্ত্রক ঋণের হার ১০ শতাংশে ধরে রেখেছে। এই লক্ষ্যে তারা নীতি নির্ধারণের জন্য ঋণের সুদের হার ১০ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সুদের হার কমানোর আহ্বান জানানো হলেও, বাংলাদেশ ব্যাংক আগের হারটিই বহাল রেখেছে। তারা আশা করছে , চলতি অর্থবছরের শেষ নাগাদ অর্থাৎ জুনের মধ্যে মূল্যস্ফীতি ৭.০-৮.০ শতাংশে নেমে আসবে - যা তাদের অর্ধবার্ষিক মুদ্রানীতি বিবৃতিতে (এমপিএস) উল্লেখ করা হয়েছে। স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) এর হার ১১.৫ শতাংশে এবং স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফ্যাসিলিটি (এসডিএফ) এর হার ৮.৫ শতাংশে অপরিবর্তিত থাকবে, যা ±১৫০ বেসিস পয়েন্টের নীতি হারের করিডোর বজায় রাখবে। "জুন পর্যন্ত মুদ্রানীতি কঠোর (সংকোচনমূলক) থাকবে," বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ. মন্সুর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে এমপিএস ঘোষণার সময় সাংবাদিকদের জানান। গত আগস্টে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা পরিবর্তনের পর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে গভর্নর মুদ্রানীতি হার তিনবার বৃদ্ধি করেছেন, মোট ১৫০ বেসিস পয়েন্ট। এই মূল্যস্ফীতি নিম্ন আয়ের মানুষের জীবনযাত্রাকে মূল্যবৃদ্ধির কারণে বেশ প্রভাবিত করে।

২০২৩–২৪ অর্থবছরে সবচেয়ে কম প্রবৃদ্ধি শিল্প খাতে: বিবিএস-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন

The Business Standard

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কৃষি, শিল্প ও সেবা—তিনটি প্রধান খাতেই প্রবৃদ্ধি কমেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ধাক্কা লেগেছে শিল্প খাতে। সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত সংশোধিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ৩.৫১ শতাংশে, যা আগের অর্থবছরের ৮.৩৭ শতাংশ থেকে ৪.৮৬ শতাংশীয় পয়েন্ট কম। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই খাতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.৮৬ শতাংশ। এর আগে, গত মে মাসে বিবিএসের সাময়িক প্রাক্কলনে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি ৬.৬৬ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। তবে চূড়ান্ত হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বাস্তব প্রবৃদ্ধি সেই হিসাবের চেয়ে প্রায় অর্ধেক কম হয়েছে। বৃহৎ শিল্পের প্রবৃদ্ধি ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নেমে এসেছে মাত্র ১.০২ শতাংশে, যা আগের বছরের ৮.৩৮ শতাংশ থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রবৃদ্ধিও অর্ধেকে নেমে এসেছে—৯.১৫ শতাংশ থেকে কমে হয়েছে ৪.৬৬ শতাংশ। অন্যদিকে, কুটির শিল্পের প্রবৃদ্ধি ১০.০১ শতাংশ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৯২ শতাংশে। এ সময় বিদ্যুৎ খাতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র ১.৫৫ শতাংশ। ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক মুস্তফা কে মুজেরি দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডকে (টিবিএস) বলেন, গত অর্থবছরে সব খাতেই প্রবৃদ্ধি কমেছে, তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিল্প খাত।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীতে ভাতা ও সুবিধাভোগী বাড়ানোর পরিকল্পনা সরকারের

The Business Standard

আগামী বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কয়েকটি কর্মসূচির ভাতা, সুবিধাভোগী ও বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, স্বামী নিগৃহীতা ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতাসহ প্রায় ১০টি ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। বয়স্ক, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে। এছাড়া অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচি ও ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচির বরাদ্দ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ রোববার (৯ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের অনুষ্ঠানের পর টিবিএসকে বলেন, এ বিষয়ে প্রস্তাব পাঠানোর জন্য সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় প্রস্তাব পাঠানোর পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি টিবিএসকে বলেন, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর কয়েকটি কর্মসূচির ভাতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে যে পরিমাণ ভাতা দেওয়া হয়, সেটা খুবই কম।'

দুর্নীতি সূচকে দুই ধাপ অবনতি বাংলাদেশের

The Business Standard

দুর্নীতির ধারণা সূচকে দুই ধাপ পিছিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান এখন বিশ্বে ১৫১তম। গত বছর এ সূচকে বাংলাদেশ ১৪৯তম অবস্থানে ছিল। সর্বনিম্ন স্কোর পাওয়া দেশগুলো মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম। ১৮০টি দেশ নিয়ে এ র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করা হয়েছে।বার্লিনভিত্তিক ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই) পরিচালিত 'দুর্নীতির ধারণা সূচক (সিপিআই) ২০২৪'-এর বৈশ্বিক প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হহ।

Indian visa curb drives Bangladeshi tourist surge to Sri Lanka, Maldives, Nepal

The Business Standard

Tourist numbers increased by 121.6% to Sri Lanka, 52% to the Maldives, and 34% to Nepal compared to the previous year, according to the relevant tourism authorities. Industry insiders suggest that Bangladeshi leisure tourists have turned to alternative destinations after India restricted visa issuance following the political change in Bangladesh on 5 August last year. The Indian high commission in Dhaka cites a manpower shortage, limiting visas mainly to medical tourists and students. Bangladeshi visitors to India dropped 28.44% year-on-year from August to October.

MPS focus is on curbing inflation

The Financial Express

Considering inflation as the key challenge facing the economy, the incumbent governor of the Bangladesh Bank (BB), in his first-ever presentation of the Monetary Policy Statement (MPS) for the second half of the current fiscal year (FY2004-25) on Monday, February 10 last is learnt to have continued the existing contractionary monetary policy. However, the main tool of money management, the policy rate, has been kept unchanged though the businesses expected that it would be lowered to make fund cheaper and thereby help the private sector to sustain and grow. By not further increasing the policy rate (the rate at which the central bank lends money to the commercial banks), which is now at 10 per cent, a message has clearly been conveyed to the common people as well as all the stakeholders that economy is now moving towards stability.