26-Mar-2026

Friday 27 March 2026

28-Mar-2026

Power Division seeks Tk 201b subsidy boost

The Financial Express

The Power Division has sought an additional Tk 201.36 billion in subsidies for the remaining months of FY2026 to keep newly added power plants running and ensure uninterrupted electricity supply during the upcoming irrigation and summer peak season. In a proposal sent to the Finance Division, the Ministry of Power, Energy and Mineral Resources highlighted an urgent need for funds to clear dues of newly added generation units and to cushion the impact of soaring primary energy costs. The latest requisition signals deepening fiscal strain, raising concerns about its potential impact on the country's macroeconomic stability, officials and experts said.The additional subsidy requirement stems largely from the inclusion of three major base-load plants into the system: the Sreepur 160MW HFO-fired plant, the Patuakhali 1,320MW coal-fired plant, and the Matarbari 2×600MW ultra-supercritical coal plant.

একমি পেস্টিসাইডসের ৩৭ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন

Bonik Barta

একমি পেস্টিসাইডস লিমিটেডের গত সপ্তাহের দুই কার্যদিবসে ৩৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ১৮ কোটি ৬৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩০ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সায়। সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের দশমিক ১ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে একমি পেস্টিসাইডসের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৪ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৪১ পয়সায়।

চীনের সয়াবিন আমদানি বৃদ্ধির পূর্বাভাস

Bonik Barta

২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে চীনের সয়াবিন আমদানি ১০ কোটি ৮০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। যা ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষের পূর্বাভাসের চেয়ে ২০ লাখ টন বেশি। পশুখাদ্যে সয়াবিন খৈলের ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে আগামী ২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে (অক্টোবর-সেপ্টেম্বর) চীন আরো বেশি পরিমাণ সয়াবিন আমদানি করতে পারে। মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের (এফএএস) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইন ডটকম। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ বিপণন বর্ষে চীনের সয়াবিন আমদানি ১০ কোটি ৮০ লাখ টনে পৌঁছতে পারে। যা ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষের পূর্বাভাসের চেয়ে ২০ লাখ টন বেশি। ২০২৫ সালে সয়াবিনের দাম কম থাকায় পশুখাদ্য তৈরিতে এর ব্যবহার বেড়েছে। বিশেষ করে পোল্ট্রি ও মৎস্য চাষ খাতে সয়াবিন খৈলের শক্তিশালী চাহিদা তৈরি হয়েছে।

চাহিদা বাড়লেও জনবল ও কাঁচামাল সংকটে ব্যাহত হচ্ছে কাগজ উৎপাদন

Bonik Barta

সাত দশক আগে প্রতিষ্ঠাকালে রাষ্ট্রায়ত্ত কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেডের (কেপিএম) বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা ছিল ৩০ হাজার টন। স্বাধীনতা-পূর্ব পাকিস্তানের দুই অংশের চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত থাকত কেপিএমের কাগজ। এখনো সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাহিদা থাকলেও জনবল ও কাঁচামালের অভাবে উৎপাদন সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করতে পারছে না বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) মালিকানাধীন পেপার মিলটি। জানা যায়, পার্বত্য রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে অবস্থিত কেপিএম সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ কোটি ৮ লাখ ৯৩ হাজার ৭৮১ টাকায় ভালোমানের ৯১৪ টন কাগজ সরবরাহ করে। এর পরপরই সরকারি বিভিন্ন সংস্থা থেকে চাহিদাপত্র এলেও কাঁচামাল ও জনবল সংকটে বাড়তি উৎপাদনে যেতে পারছে না প্রতিষ্ঠানটি। এতে ৩০ হাজার টন উৎপাদন সক্ষমতার মিলটি পরিচালনায় প্রতি বছরই লোকসান গুনতে হচ্ছে।

যুদ্ধের অনিশ্চয়তার মাঝেও ৯০ শতাংশের বেশি দর বেড়েছে চার কোম্পানির

Bonik Barta

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা ও ইরানের পাল্টা হামলায় প্রায় এক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে চাপ সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাবে বাংলাদেশেও পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেন কমেছে। বিনিয়োগকারীদের আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এর মাঝেও এ মাসের শুরু থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শেয়ারদর ৯০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। কোম্পানিগুলোর আলোচ্য সময়ের দর পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে। তথ্যানুসারে, যুদ্ধের অনিশ্চয়তার মাঝেও ৯০ শতাংশের বেশি দরবৃদ্ধি পাওয়া চার কোম্পানির মধ্যে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড, পিপলস লিজিং ফাইন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড ও ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড। এছাড়া এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডের শেয়ারদর প্রায় ৯০ শতাংশ বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের কার্বন নিঃসরণে তিন দশকে বৈশ্বিক ক্ষতি ১০ ট্রিলিয়ন ডলার

Bonik Barta

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির জন্য একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি দায়ী যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৯০ সাল থেকে তিন দশকে দেশটির মাত্রাতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রায় ১০ লাখ কোটি (১০ ট্রিলিয়ন) ডলারের সমপরিমাণ ক্ষতি হয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান। গবেষণায় দেখা গেছে, বিশাল অংকের এ অর্থনৈতিক ক্ষতির প্রায় এক-চতুর্থাংশ বা ২৫ শতাংশ খোদ যুক্তরাষ্ট্রের নিজেরই হয়েছে। তবে মার্কিন নিঃসরণের ফলে সৃষ্ট সংকটের বোঝা সবচেয়ে বেশি বইতে হচ্ছে বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোকে। জলবায়ু পরিবর্তনের এ প্রভাবকে গবেষকরা ‘তিল তিল করে মৃত্যু’ বা ‘ডেথ বাই আ থাউজ্যান্ড কাটস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইন্টেল-এএমডির প্রসেসর সংকট, পিসি ও সার্ভার বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা

Bonik Barta

মেমোরি চিপের নজিরবিহীন সংকটের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার কম্পিউটার ও সার্ভার নির্মাতাদের জন্য নতুন দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টেল এবং এএমডির প্রসেসর বা সিপিইউ সরবরাহ ঘাটতি। সম্প্রতি ইন্টেল ও এএমডি উভয় প্রতিষ্ঠানের তৈরি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের (সিপিইউ) সাপ্লাই চেইন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা প্রযুক্তি বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে। খবর নিক্কেই এশিয়া। এইচপি ও ডেলের মতো বাজারের শীর্ষ পিসি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের মতে, গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকেই চাহিদার তুলনায় প্রসেসর প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বড় ধরনের একটি ব্যবধান তৈরি হতে শুরু করে। সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যবস্থাপকরা জানিয়েছেন, বর্তমান পরিস্থিতি কয়েক মাস আগের তুলনায় অনেক বেশি খারাপের দিকে মোড় নিয়েছে। এ সংকটের কারণে প্রসেসর পাওয়ার জন্য অপেক্ষার সময় যেমন রেড়েছে, তেমনি সার্ভার ও পিসি উভয় ক্ষেত্রেই দাম কয়েক দফা বেড়েছে।

ফেডের লোকসান নেমে ১৯৬০ কোটি ডলারে

Bonik Barta

মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) লোকসানের পরিমাণ গত বছর উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৫ সালে সংস্থাটির মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৯৬০ কোটি ডলারে। ২০২৪ সালে লোকসানের পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার এবং ২০২৩ সালে ছিল ১১ হাজার ৪৬০ কোটি ডলার। ফেডের সম্প্রতি প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর রয়টার্স। কভিড-১৯ মহামারীর সময় অর্থনীতি চাঙ্গা রাখতে ফেড প্রচুর পরিমাণে ট্রেজারি ও মর্টগেজ বন্ড কিনেছিল। ব্যাংকটি এখন সে বন্ডের পরিমাণ কমিয়ে আনছে, ফলে দায়বদ্ধতা কমে আর্থিক ভারসাম্য ফিরে আসছে। পাশাপাশি সুদ বাবদ ব্যয় কমে আসায় সংস্থাটিতে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে।

শেয়ারবাজারে আসছে স্পেসএক্স রকেট খাতের স্টকে উল্লম্ফন

Bonik Barta

বিশ্বের শীর্ষ ধনী ইলোন মাস্কের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা স্পেসএক্স চলতি সপ্তাহেই শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে, এমন খবরে মার্কিন বাজারে মহাকাশসংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর শেয়ারদরে ব্যাপক উত্থান ঘটেছে। গত বুধবার লেনদেনে রকেট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফায়ারফ্লাই অ্যারোস্পেস ও রকেট ল্যাবের স্টক শেয়ারদর বেড়েছে ১০ শতাংশের বেশি। প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম দ্য ইনফরমেশনের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। স্পেসএক্স কয়েক দিনের মধ্যেই প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) দাখিল করতে পারে বলে জোরালো গুঞ্জন রয়েছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের ধারণা, চলতি বছরেই প্রায় ১ দশমিক ৭৫ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যায়ন নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে পারে। এ প্রক্রিয়ায় ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের বেশি মূলধন সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে, বাস্তবায়িত হলে তা হবে ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ স্টক মার্কেট ডেব্যুউ।

বিশ্বজুড়ে ফাইভজি কোর নেটওয়ার্কে ব্যয় বেড়েছে ৮৩%

Bonik Barta

বিশ্বজুড়ে ফাইভজি প্রযুক্তির দ্রুত প্রসারে যোগাযোগসেবা প্রদানকারী (সিএসপি) প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগে ব্যাপক উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে। ২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) ফাইভজি প্যাকেট কোর নেটওয়ার্ক খাতে বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৩ শতাংশ বেড়েছে। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওমডিয়ার সাম্প্রতিক ‘কোর মার্কেট ট্র্যাকার’ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। উল্লেখ্য, ফাইভজি প্যাকেট কোর হলো একটি শক্তিশালী ডিজিটাল কন্ট্রোল সেন্টার বা মোবাইল নেটওয়ার্কের ‘মস্তিষ্ক’। স্মার্টফোনে যখন ইন্টারনেট ব্যবহার বা কল করা হয়, তখন সে তথ্য বা ‘ডেটা প্যাকেট’ কোথায় যাবে ও কীভাবে দ্রুততম সময়ে পৌঁছাবে, তা নির্ধারণ করে এ কোর নেটওয়ার্ক।

এশিয়ায় রাইডশেয়ারিংয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে ইভি

Bonik Barta

ইন্দোনেশিয়ার জনবহুল রাজধানী জাকার্তার ব্যস্ত রাস্তায় এখন প্রায়ই চোখে পড়ে উজ্জ্বল রঙের নতুন কিছু গাড়ি। চীনের বিওয়াইডি এবং ভিয়েতনামের ভিনফাস্ট ব্র্যান্ডের এসব বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) দ্রুতই এশিয়ার বাজার দখলে জাপানি গাড়ি নির্মাতাদের চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। সায়ান রঙের ভিনফাস্ট ট্যাক্সিগুলো সহজেই সবার নজর কাড়ছে। মাত্র এক বছর আগে চালু হওয়া রাইডশেয়ারিং সেবা ‘গ্রিন স্মার্ট মোবিলিটি’ বা ‘গ্রিন এসএম’ বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার বিশাল রাজধানীর বাসিন্দা ও পর্যটকদের চলাচলের অন্যতম জনপ্রিয় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। সুমিন্টো নামে একজন চালক জানান, গাড়িগুলো বেশ আরামদায়ক, পরিষ্কার ও প্রশস্ত। তবে সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর সাশ্রয়ী ভাড়া। সাধারণত যে পথে যেতে ৮০ হাজার রুপিয়াহ খরচ হতো, গ্রিন এসএমে সেখানে মাত্র ৩০ হাজার রুপিয়াহ লাগছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, শুধু গাড়ি বিক্রি নয় বরং ভাড়ায় চালিত সেবা এবং ভর্তুকির মাধ্যমে বাজার দখলের কৌশল নিয়েছে ভিনফাস্ট। ভিয়েতনামে বর্তমানে কোম্পানির বাজার হিস্যা ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে চীনের বিওয়াইডি পিছিয়ে নেই। রাইডশেয়ারিং জায়ান্ট ‘গ্র্যাবের’ সঙ্গে অংশীদারত্বের মাধ্যমে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ইভি সরবরাহ করছে কোম্পানিটি। ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান সিএলএসএর ইন্দোনেশীয় গবেষণাপ্রধান সারিনা লেসমিনা এ কৌশলকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

এলপিজি আমদানিতে একক ঋণগ্রহীতার সীমা শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Bonik Barta

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ব্যবসায়ীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে দেশে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) আমদানিতে একক ঋণগ্রহীতার সীমা শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জ্বালানি পণ্যটির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এমন উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একক গ্রাহকের ঋণসীমার ২৫ শতাংশ শর্ত তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। এ সীমা আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত থাকবে। এর ফলে বড় আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে একটি ব্যাংক থেকেই আগের চেয়ে বেশি পরিমাণ ঋণ নিয়ে এলপিজি আমদানি করতে পারবে।

কাতারের এলএনজি সরবরাহ বিঘ্নিত, এশিয়াজুড়ে গভীর জ্বালানি সংকট

Bonik Barta

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রধান এলএনজি রফতানিকারক দেশ কাতারের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় এশিয়ার দেশগুলোয় জ্বালানি অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। যুদ্ধের কারণে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোয় জাহাজ চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের মতো উন্নয়নশীল আমদানিনির্ভর দেশগুলোর ওপর। খবর রয়টার্স।