ডালিয়ানে আকরিক লোহার দরপতন
Bonik Barta
চীনের রিয়েল এস্টেট খাতের দীর্ঘমেয়াদি সংকটের কারণে আকরিক লোহার চাহিদা দিন দিন কমছে। সরকারি প্রণোদনার সম্ভাবনা ও অবকাঠামো উন্নয়ন পরিকল্পনা পণ্যটির বাজার নিয়ে প্রত্যাশা তৈরি করলেও ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) বুধবার দরপতন হয়েছে আকরিক লোহার। চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) সেপ্টেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে বুধবার আকরিক লোহার দাম কমেছে দশমিক ৪৯ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৮১৩ ইউয়ানে (১১৩ ডলার ৪৯ সেন্ট)। অন্যদিকে সিঙ্গাপুর এক্সচেঞ্জে আগস্টে সরবরাহের চুক্তিতে দাম দশমিক ৬১ শতাংশ কমে পৌঁছে প্রতি টনে ১০৪ ডলার ৭০ সেন্টে। দেশটিতে জুনে স্থাবর সম্পত্তিনির্ভর ঋণ দুই বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছলেও রিয়েল এস্টেট খাতে বিনিয়োগ প্রথমার্ধে উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। নতুন আবাসনের দামও জুনে আট মাসের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারে কমেছে। এদিকে তিব্বতে ১৭ হাজার কোটি ডলারের জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ইস্পাত ও কংক্রিট খাতকে কিছুটা চাঙ্গা করতে পারে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে ডালিয়ানে ইস্পাত তৈরির অন্যান্য উপাদান কোকিং কয়লা ও কোকের দাম যথাক্রমে ৯ দশমিক ২৪ ও ২ দশমিক ২২ শতাংশ বেড়েছে।
মার্কিন গরুর মাংস থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে অস্ট্রেলিয়া
Bonik Barta
মার্কিন গরুর মাংস থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে কঠোর বায়োসিকিউরিটি আইন প্রয়োগকারী দেশ অস্ট্রেলিয়া। এপ্রিলে অস্ট্রেলিয়ার ওপর আরোপিত শুল্ক ব্যাখ্যা করতে গিয়ে হোয়াইট হাউজ এ নিষেধাজ্ঞা স্মরণ করিয়ে দেয়। তবে নতুন সিদ্ধান্ত বাণিজ্যিক উত্তেজনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয় বলে মন্তব্য অস্ট্রেলিয়ার। বরং দশকব্যাপী বিভাগীয় পর্যালোচনার ফল এ সিদ্ধান্ত। ২০১৯ সালে মার্কিন গরুর মাংস থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয় দেশটি। কিন্তু আমদানি নিষেধাজ্ঞায় থাকা মেক্সিকো ও কানাডার সঙ্গে অভিন্ন সরবরাহ চেইনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় মার্কিন মাংসও নিষিদ্ধ ছিল।
বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিস্থিতির অবনতি সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি
Bonik Barta
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতি বহুলাংশে রফতানিনির্ভর। থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া বা ব্রুনাইয়ের মতো আসিয়ানভুক্ত কোনো কোনো দেশের মোট জিডিপিতে রফতানির অবদান ৬০ শতাংশেরও বেশি, যার বড় একটি অংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে এসব দেশের রফতানিনির্ভর অর্থনীতিকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি। আবার স্থানীয় পর্যায়েও আগে থেকেই ক্রমে দুর্বল হয়ে আসছিল ভোক্তা চাহিদা। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্বের উন্নয়নশীল অঞ্চলগুলোর মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অর্থনীতিই এখন সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে বলে মনে করছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। ‘এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক’ (এডিও) প্রতিবেদনের জুলাই ২০২৫ সংস্করণে এডিবির এ পর্যবেক্ষণ উঠে আসে।
রোবাস্তা কফির দাম আরো কমেছে
Bonik Barta
বাজারে সরবরাহ বাড়ায় রোবাস্তা কফির দাম আরো কমেছে। বুধবার লন্ডনের ফিউচার মার্কেটে কৃষিপণ্যটির দাম দশমিক ৮ শতাংশ কমে টনপ্রতি স্থির হয় ৩ হাজার ২৬৪ ডলারে। আগের দিন লন্ডনের বাজারে রোবাস্তা কফির দাম টনপ্রতি ৩ হাজার ১৬৬ ডলারে পৌঁছেছিল, যা ১৬ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ব্রাজিল ও ইন্দোনেশিয়ায় নতুন ফসল বাজারে আসায় সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে। এছাড়া রোবাস্তার শীর্ষ উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনামে ফলন বৃদ্ধির সম্ভাবনাও বাজারে মিশ্র প্রভাব ফেলেছে। দেশটিতে আগামী মৌসুমে উৎপাদন ৭ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র আগামী ১ আগস্ট থেকে ব্রাজিলের কফি আমদানিতে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবে কিনা, তা নিয়ে বিনিয়ােগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। যদিও ইউরোপে ব্রাজিলের কনিলন (রোবাস্তা) জাতের কফি সরবরাহ এখনো সীমিত। তবে যুক্তরাষ্ট্রে শুল্ক আরোপ হলে ইউরোপে সরবরাহ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বুধবার অ্যারাবিকা কফির দর প্রতি পাউন্ডে দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩ ডলারে।
জুলাইয়ে চালের রেকর্ড মজুদ ভারতে, গম চার বছরের শীর্ষে
Bonik Barta
ভারতের সরকারি গুদামে জুলাইয়ের শুরুতে চালের মজুদ ১৫ শতাংশ বেড়ে রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। একই সময়ে গমের মজুদ দাঁড়িয়েছে চার বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশিতে। দেশটির সরকারি তথ্যানুযায়ী, কৃষকদের থেকে সরকারের ফসল কেনার পরিমাণ বেড়ে যাওয়া এ প্রবৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, ভারতের রেকর্ড চাল মজুদের কারণে সামনের দিনগুলোয় দেশটি থেকে রফতানি আরো বাড়বে। অন্যদিকে গমের মজুদ বেশি থাকায় ভবিষ্যতে দাম বাড়লেও সরকার বাজারে গম ছাড়তে পারবে, যা দাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে। চলতি বছরের ১ জুলাই পর্যন্ত ভারতে সরকারি গুদামে ধানসহ চালের মোট মজুদ ছিল ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৬০ হাজার টন। এটি দেশটির সরকার নির্ধারিত ১ কোটি ৩৫ লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক বেশি। একই সময়ে গমের মজুদ দাঁড়ায় ৩ কোটি ৫৯ লাখ টনে, যা ২০২১ সালের পর সর্বোচ্চ এবং সরকার নির্ধারিত ২ কোটি ৭৬ লাখ টন লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের মজুদ হ্রাস ও বাণিজ্য আলোচনা নিয়ে আশাবাদ জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে
Bonik Barta
যুক্তরাষ্ট্রে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মজুদ পূর্বাভাসের তুলনায় বেড়েছে। এছাড়া দেশটির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তিতে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাবে বলেও আশাবাদ তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে গতকাল জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে।
অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম গতকাল ব্যারেলে ৫২ সেন্ট বা দশমিক ৭৬ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি ব্যারেলের মূল্য পৌঁছেছে ৬৯ ডলার ৩ সেন্টে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ব্যারেলে বেড়েছে ৬০ সেন্ট বা দশমিক ৯ শতাংশ। ব্যারেলপ্রতি মূল্য স্থির হয়েছে ৬৫ ডলার ৮৫ সেন্টে। রাইস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক জানিভ শাহ বলেন, ‘মজুদ ঘাটতি ও বাণিজ্য আলোচনার অগ্রগতি জ্বালানি তেলের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’ ইউরোপীয় ইউনিয়নের দুই কূটনীতিক জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ একটি সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তির দিকে এগোচ্ছে, যেখানে ইউরোপ থেকে আমদানি হওয়া পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ১৫ শতাংশ মৌলিক শুল্ক আরোপ করতে পারে। এর সঙ্গে কিছু পণ্যে ছাড়ও থাকতে পারে বলে জানা গেছে।
১০ বছরে বৈশ্বিক কৃষি ও মৎস্যপণ্যের উৎপাদন বাড়বে ১৪%
Bonik Barta
বৈশ্বিক কৃষি ও মৎস্যপণ্যের উৎপাদন ২০২৫-৩৪ সাল পর্যন্ত ১০ বছরে ১৪ শতাংশ বাড়বে। এর মধ্যে দানাদার শস্যের (গম, চাল, ভুট্টা) বার্ষিক গড় উৎপাদন প্রবৃদ্ধি হবে ১ দশমিক ১ শতাংশ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (ওইসিডি) যৌথ বার্ষিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে মূল ভূমিকা রাখবে উৎপাদনশীলতা। উল্লিখিত ১০ বছরে তা প্রতি বছর গড়ে দশমিক ৯ শতাংশ হারে বাড়বে। যদিও এ সময় শস্য উৎপাদনে ব্যবহৃত জমির পরিমাণ গড়ে বাড়বে মাত্র দশমিক ১৪ শতাংশ হারে, যা আগের ১০ বছরের (২০১৫-২৪ সাল) দশমিক ৩৩ শতাংশের তুলনায় অনেক কম। প্রতিবেদনে আরো জানানো হয়, ২০৩৪ সালের মধ্যে বৈশ্বিক শস্য উৎপাদন ৩২০ কোটি টনে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মধ্যে গম উৎপাদন ২০২৪ সালের চেয়ে ৭ কোটি ৪০ লাখ টন বেড়ে পৌঁছবে ৮৭ কোটি ৪০ লাখ টনে। এ ৭ কোটি ৪০ লাখ টন অতিরিক্ত উৎপাদনে এশিয়ার দেশগুলোর অবদান থাকবে ৪ কোটি ২০ লাখ টন।
Govt debt surges to Tk 20t
The Financial Express
The country's total debt consisting of domestic and external surged by approximately 18 per cent to nearly Tk 20 trillion over the past one year ending in March 2025, according to a report of the Finance Division.
The total domestic debt as of March 2025 stood at Tk 11.58 trillion while external debt at Tk 8.42 trillion, the report said. In the meantime, the debt-to-GDP ratio rose to over 36 per cent, an increase of 2.22 percentage points from March 2024. Although the debt level is not too high but the country's poor resource mobilisation might pose a threat for debt servicing. The interest expenses during the period stood at Tk 824.76 billion, domestic interest expense was Tk 681.67 billion while external interest expense was Tk143.01 billion, the report said.
The report, however, said that domestic debt constitutes the major share of the total debt stock and financing from domestic sources is increasing gradually. The report said that Bangladesh's external debt-to-GDP ratio is still considered moderate compared to some other developing countries. "Bangladesh is still within the IMF's "safe zone," the report states. Bit it said that the shift towards less concessional loans and the existing macroeconomic challenges might pose threat for debt sustainability.