16-Apr-2025

Thursday 17 April 2025

18-Apr-2025

ভোক্তা ঋণে ব্র্যাক ব্যাংক এখন বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান

Bonik Barta

দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যাংকগুলোর একটি ব্র্যাক। ২০০১ সালে কার্যক্রম শুরু করা ব্যাংকটি এখন এসএমই, রিটেইল ও কনজিউমার ঋণের জন্য বেশ জনপ্রিয়। ব্যাংকটির দীর্ঘ পথচলা, চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বণিক বার্তার সঙ্গে কথা বলেছেন উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেইল ব্যাংকিংয়ের প্রধান মো. মাহীয়ুল ইসলাম. ব্র্যাক ব্যাংক কনজিউমার লোন বা ভোক্তা ঋণে (ক্রেডিট কার্ডসহ) ১০ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে।

গাড়ির চেসিস ও যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে

Bonik Barta

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে গাড়ির চেসিস ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি কমেছে। যেখানে স্বাভাবিক সময়ে বছরে চেসিস আমদানি হতো এক লাখ পিস, বর্তমানে হচ্ছে ৩০০-৪০০ পিস। মূলত কভিড মহামারীর সময় দেশে গাড়ির ব্যবসায় ধস নামে। ফলে আমদানি কমে যায়। অন্যদিকে উচ্চ শুল্কের গাড়ি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি আমদানি থেকে সরকার বড় অংকের রাজস্ব আয় করে। কিন্তু আমদানি কমে যাওয়ায় এর প্রভাব পড়ে রাজস্ব আয়েও। জানা গেছে, পাঁচ-ছয় বছর ধরে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আহরণ করতে পারেনি। তবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২১৬ কোটি টাকা বেশি রাজস্ব আয় হয়েছে। এ সময় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫ হাজার ৯৪৮ কোটি টাকা। সেখানে আয় হয়েছে ৬ হাজার ১৬৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেনাপোল কাস্টম হাউজকে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা দিয়েছে ৬ হাজার ৭০৫ কোটি টাকা।

চার মাস আগের অবস্থানে পুঁজিবাজার

Bonik Barta

দেশের পুঁজিবাজারে তিনদিন ধরে সূচকে নিম্নমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১০৬ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এতে চার মাস আগের অবস্থানে ফিরে গেছে পুঁজিবাজার। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেন শুরুতে আধা ঘণ্টা ঊর্ধ্বমুখী ছিল সূচক। তবে অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও বাজারে দোদুল্যমান অবস্থায় বিনিয়োগকারীদের সতর্ক মনোভাবের কারণে শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়তে থাকে। ফলে পয়েন্ট হারাতে থাকে সূচক। বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মার্কিন শুল্কের প্রভাব নিয়ে অনিশ্চয়তা, আইএমএফের ঋণ নিয়ে আলোচনা, প্রাক-বাজেট আলোচনায় কর বাড়ার গুঞ্জন এবং সম্প্রতি জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাজারে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। এসব কারণেই পুঁজিবাজারে টানা কয়েক কার্যদিবস ধরে বেশির ভাগ শেয়ারের দরপতন অব্যাহত রয়েছে।

ওয়াই-ফাই সেবা বিনামূল্যে দেবে আমেরিকান এয়ারলাইনস

Bonik Barta

আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ফ্লাইটে ওয়াই-ফাই সেবা বিনামূল্যে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে আমেরিকান এয়ারলাইনস। মার্কিন বেশির ভাগ এয়ারলাইনস এরই মধ্যে লয়্যালটি প্রোগ্রামের সদস্য বা বিশেষায়িত গ্রাহকের জন্য ইন-ফ্লাইট ইন্টারনেট সেবা ফ্রি করে দিয়েছে, এটি তারই ধারাবাহিকতা। ফলে এখনো যেসব এয়ারলাইনস এ ধরনের সেবার বাইরে রয়েছে, তাদের ওপর চাপ বাড়ছে। খবর সিএনবিসি। আমেরিকান এয়ারলাইনস এক ঘোষণায় জানিয়েছে, বিনামূল্যের ওয়াই-ফাই সেবাটি স্পন্সর করবে মার্কিন টেলিকম কোম্পানি এটিঅ্যান্ডটি। এ সেবা আমেরিকান এয়ারলাইনসের অ্যাডভান্টেজ লয়্যালটি প্রোগ্রামের সদস্যদের জন্য প্রযোজ্য হবে। এদিকে জেটব্লু এয়ারওয়েজ অনেক বছর ধরেই বিনামূল্যে ফ্লাইটে ইন্টারনেট সেবা দিয়ে আসছে। আর ডেল্টা এয়ারলাইনস ২০২৩ সালে তাদের স্কাই মাইলস প্রোগ্রামের সদস্যদের জন্য এ সেবা চালু করেছে।

Govt plans to dig deeper into existing gas fields

The Financial Express

The Energy and Mineral Resources Division (EMRD) is set to implement two development projects worth Tk 9.11 billion to reduce import dependence by tapping into domestic mineral resources. One project titled 'Drilling of Two Deep Exploration Wells at the Titas and Bakhrabad Gas Fields' would cost Tk 7.98 billion and the other 'Enhancement and Strengthening of Drilling Capacity of the Geological Survey of Bangladesh (GSB)' would require Tk 1.13 billion. Upon successful implementation, the gas exploration project is expected to add 25 million cubic meters of gas per day (MMCFD) to the national grid, while the GSB project would boost its annual drilling capacity from two wells to six. The government has taken the initiative to explore domestic energy resources amid severe gas shortage in the country. It has long been trying to partly meet the growing demand for energy by importing expensive liquefied natural gas (LNG), mounting pressure on the foreign exchange reserves.

৬০০ কোটি ডলারের অস্ত্র রফতানির লক্ষ্য ভারতের

Bonik Barta

ইউক্রেনের পরে বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র আমদানিকারক দেশ ভারত। সমরাস্ত্র খাতে সম্প্রতি নতুন এক উদ্যোগের পরিকল্পনা করেছে দেশটি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছর ৬০০ কোটি ডলারের অস্ত্র রফতানি করতে চায় তারা। মূলত রাষ্ট্রায়ত্ত এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের (এক্সিম) মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধা পাচ্ছে এমন দেশে অস্ত্র রফতানি বাড়াতে চায় ভারত। খবর দ্য হিন্দু। সরকারি এ তৎপরতার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, বিদেশী দূতাবাসগুলোয় প্রতিরক্ষাবিষয়ক কর্মকর্তার সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। কিছু অস্ত্র চুক্তিতে সরকার সরাসরি আলোচনায় অংশ নেবে বলে পরিকল্পনা হয়েছে। মূলত রাশিয়ার অস্ত্রের ওপর নির্ভর করে এমন দেশগুলোকে লক্ষ্য করে এ উদ্যোগ নিচ্ছে দিল্লি।

Karnaphuli Tunnel’s daily losses hit Tk 1.2m amid low traffic

The Financial Express

Almost a year and a half since its inauguration, the Karnaphuli Tunnel continues to incur huge losses due to much lower traffic than the estimation amid a lack of initiatives to implement the "one city, two towns" concept. According to the latest toll collection data, 3,000 vehicles on average use the tunnel daily, much lower than 17,000 estimated in the feasibility study. Moreover, the study projected 28,305 vehicles on average would use the tunnel daily by 2025, and 37,946 by 2030. The tunnel saw the highest daily traffic of 9,856 vehicles on November 3, 2023, which later dropped to over 2,000. In March this year, Bangladesh Bridge Authority (BBA) collected Tk 29.9 million in tolls from the 92,495 vehicles, mostly cars and microbuses, using the tunnel. 3,083 vehicles on average used the 3.32km tunnel both ways that month. Being the executive agency, BBA incurs daily losses of Tk 1.2 million on average against the expected daily income of Tk 3.5 million. Besides, it has to spend Tk 1.13 million per day on operation and maintenance (O and M) as it signed a Tk 6.83 billion O and M contract for five years in 2023.

Govt waives 5pc AT on crude edible oil imports

The Financial Express

The National Board of Revenue (NBR) has waived the 5.0 per cent advance tax (AT) at the import stage on crude edible oils. Commercial importers can utilise the opportunity, subject to complying with certain conditions, said a notification issued by the NBR on Wednesday. Under the import policy, commercial importers with refinery contracts can import approved quantities of crude soybean and palm oils with prior permission from the Commerce Ministry, and will be treated as industrial establishments, reveals the notification signed my Md Mashiur Rahman, first secretary (VAT Policy) at the NBR. To avail the exemption, importers must first obtain prior approval from the Ministry of Commerce and fully comply with the Import Policy Order. Additionally, all related procedures under the Value-Added Tax and Supplementary Duty Act and Rules must be followed, including proper preparation and submission of tax invoices and necessary filings, according to the mortification.

BIDA sees gas tariff hike as 'discriminatory'

The Financial Express

The investment promotion authority found the recent gas tariff hike as 'discriminatory' for new investors and apprehended that it would put an adverse impact on its ongoing efforts to attract new investment. The hike just after the investment summit would 'undoubtedly' create a negative perception among the aspiring investors, said Bangladesh Investment Development Authority (BIDA) executive chairman in a letter to BERC. The latest upward revision, on April 13, 2025, of gas prices by 33 per cent would put a higher tariff burden on the new investors compared to that of the existing one. However, BIDA said it supported the government's effort to cut subsidy but it should not be discriminatory. "The government can consider trimming the subsidy uniformly," BIDA Executive Chairman Chowdhury Ashiq Mohammad Bin Harun wrote in a letter sent to the Chairman of the Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC) on Tuesday. In the letter, obtained by the FE, Mr Chowdhury found the necessity to review the gas tariff hike decision for the sake of new investment and keep economic mobility unhindered.

স্বল্পোন্নত দেশে রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ ছাড় দেয়ার আহ্বান

Bonik Barta

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ বা পারস্পরিক শুল্কের আওতা থেকে বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র ও স্বল্পোন্নত দেশকে যেন বাদ দেয়া হয়, এমন আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা (আঙ্কটাড)। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের শুল্ক আরোপ অর্থনৈতিকভাবে নাজুক দেশগুলোর জন্য ধ্বংসাত্মক হতে পারে। খবর দ্য ন্যাশনাল। যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ৫৭টি বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আরোপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো পণ্য ও সেবা বাণিজ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস। এ তালিকায় ক্যামেরুনের মতো দেশও আছে, যেখানে শুল্কহার ১১ শতাংশ। আবার লেসোথোর মতো দেশের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলা হয়েছে।

বাণিজ্যযুদ্ধের ধাক্কা সামলে প্রথম প্রান্তিকে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি চীনে

Bonik Barta

শুল্কজনিত যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ বেইজিংয়ের প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধারে বড় ধরনের বাধা হতে পারে, সব পূর্বাভাসেই এমনটা বলা হচ্ছে। কারণ এখন পর্যন্ত ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির সবচেয়ে বড় শিকার চীন। এমন উত্তেজনার মাঝেও চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখেছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম এ অর্থনীতি। এ সময় ২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকের তুলনায় চীনে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪ শতাংশ। চীনা পণ্য আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে শতভাগের বেশি শুল্ক প্রযোজ্য হচ্ছে। আর গত প্রান্তিকে সর্বোচ্চ শুল্ক ছিল ২০ শতাংশ। খবর এফটি। চীনের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (এনবিএস) গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে জিডিপির তথ্য প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, প্রথম দফায় অতিরিক্ত ২০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার পরও মার্চে শেষ হওয়া প্রান্তিকে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি অর্জন হয়েছে, যা কিনা গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) বার্ষিক প্রবৃদ্ধির সমতুল্য।

Regional connectivity projects face unprecedented delays after political changeover

The Business Standard

The implementation of projects aimed at enhancing regional connectivity, particularly those focused on easing connectivity with India, is progressing slower than ever, according to planning ministry sources. Officials of the Implementation Monitoring and Evaluation Division (IMED), which operates under the ministry, say the current Annual Development Program (ADP) includes several projects aimed at facilitating trade and communication with neighbouring countries, including India. The projects include the Bangladesh Regional Connectivity Project-1, aimed at increasing trade with India, Bhutan and Nepal; the South Asia Sub-regional Economic Cooperation (SASEC) Project, designed to boost trade with neighbouring countries; and the Accelerating Transport and Trade Connectivity in Eastern South Asia project. An IMED official on condition of anonymity told TBS, "The current government is not giving special priority to projects involving India. Instead, more focus is being placed on scrutinising why such projects were initiated in the first place, which has led to slower implementation of these projects."

যাত্রা করল শান্তা সিকিউরিটিজের নতুন অ্যাপ ‘শান্তা ইজিএক্স’

Bonik Barta

আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন মোবাইল অ্যাপ ‘‌শান্তা ইজিএক্স’ চালুর ঘোষণা দিয়েছে শান্তা সিকিউরিটিজ। গতকাল যাত্রা করা অ্যাপটি বিনিয়োগকারীদের জন্য আধুনিক, তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান হিসেবে কাজ করবে। পাশাপাশি সহজে লেনদেন, বাজার বিশ্লেষণ, গবেষণা প্রতিবেদন ও সময়োপযোগী খবর পেতে সাহায্য করবে, যা বিনিয়োগকারীদের সিদ্ধান্ত নেয়া আরো সহজ করে তুলবে। শান্তা ইজিএক্সের উদ্বোধন উপলক্ষে শান্তা সিকিউরিটিজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘শান্তা ইজিএক্সের মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগকারীদের জন্য আরো সহজ, স্মার্ট ও কার্যকর বিনিয়োগ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই। একটি অ্যাপেই মার্কেট বিশ্লেষণ, কাস্টমার সার্ভিস ও লেনদেন সুবিধা আনার ফলে সবার জন্য বিনিয়োগ এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ ও দ্রুত।

অপরিশোধিত ভোজ্য তেল আমদানিতে ৫ শতাংশ আগাম কর অব্যাহতি

Bonik Barta

বাণিজ্যিক আমদানিকারক কর্তৃক অপরিশোধিত ভোজ্য তেল (এইচ এস কোড হেডিং ১৫.০৭, ১৫.১১ ও ১৫.১৮) আমদানির ক্ষেত্রে আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) অব্যাহতি দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। মঙ্গলবার এক বিশেষ আদেশে আগাম কর অব্যাহতি দেয়া হয়। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এ তথ্য জানানো হয়। এনবিআরের প্রথম সচিব (মুসক নীতি) মোহা. মসিউর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে বলা হয়, অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও অপরিশোধিত পাম তেল আমদানির ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।

গ্যাসের সরবরাহ সংকটের মধ্যেই চালু সংযোগ প্রদান, অগ্রাধিকার পাবে ইজেড–ইপিজেডের শিল্পগুলো

The Business Standard

সরবরাহজনিত সংকটের কারণে গ্যাসের বাড়তি দামেও চাহিদা অনুযায়ী সংযোগ পাবে না সব শিল্প-কারখানা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান। অর্থনৈতিক প্রভাব পর্যালোচনা করে – রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলসহ পরিকল্পিত শিল্পনগরীতে স্থাপিত রপ্তানিমুখী শিল্প কারখানাগুলোকে নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়ার পাশাপাশি – চালু থাকা কারখানার লোড বৃদ্ধি করা হবে। এসব নির্দেশনা দিয়ে নতুন গ্যাস সংযোগ ও লোড বৃদ্ধির আবেদনগুলো 'ফার্স্ট কাম, ফার্স্ট সার্ভ' ভিত্তিতে সংযোগ পাওয়ার যোগ্য কোম্পানিগুলোর তালিকা তৈরি করে তা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বুধবার বিতরণ কোম্পানিগুলোকে চিঠি দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। নতুন সংযোগ দেওয়া ও লোড বৃদ্ধিতে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মানছে কি-না, তা যাচাই করার পর বিতরণ কোম্পানিগুলো বোর্ডের অনুমোদন সাপেক্ষে সংযোগ দেবে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা। যেসব কারখানায় নতুন গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে, তারা যেন পর্যাপ্ত গ্যাসের প্রেসার পায় তা নিশ্চিত করাসহ – ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে গ্যাসের সিস্টেম লস অর্ধেকে নামিয়ে আনতে একটি সময়াবদ্ধ রোডম্যাপ প্রণয়ন করে – তা কার্যকর করতে পেট্রোবাংলা, সঞ্চালন কোম্পানি জিটিসিএলসহ সকল বিতরণ কোম্পানিকে নির্দেশনা দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। এছাড়া, শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে আবাসিক গ্রাহকদের চুলায় গ্যাসের প্রেসার আরও কমতে পারে বলে জানান জ্বালানি বিভাগের একজন কর্মকর্তা। তিনি জানান, সরকার ঘোষণা দিয়ে আবাসিকে গ্যাস সরবরাহ কমানোর পদক্ষেপ নেবে না। তবে আগামী দিনগুলোতে আবাসিকে গ্যাসের প্রেসার এমনভাবে কমতে থাকবে, যাতে বিদ্যমান আবাসিক গ্রাহকরা বাধ্য হয়ে এলএনজি ব্যবহারে উৎসাহিত হয়।

বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ একমাসে বেড়েছে ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার

The Business Standard

বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হারে স্থিতিশীলতার লক্ষণ এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সুদের হারের ব্যবধান বৃদ্ধির প্রভাবে টানা সাত মাস কমার পর, গত ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ফিরেছে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুসারে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি শেষে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের আউটস্ট্যান্ডিং বা স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১০.১৬ বিলিয়ন ডলার, যা আগের মাসের তুলনায় ৩৫৫ মিলিয়ন ডলার বেশি। গত জানুয়ারি শেষে এ ঋণের স্থিতি ছিল ৯.৮ বিলিয়ন ডলার। এর আগে টানা প্রায় আট মাস ধরে এ ঋণের পরিমাণ কমছিল। এ বিষয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, বিশ্বের অনেক দেশেই সম্প্রতি নীতি সুদহার কমানো হয়েছে। ফলে আন্তর্জাতিক ঋণের সুদের হার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। পাশাপাশি গত দুই মাস ধরে ডলারের বিনিময় হারেও স্থিতিশীলতার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। এসব কারণে ব্যবসায়ীরা এখন ডলার ঋণ নিতে আগের তুলনায় বেশি আগ্রহী হচ্ছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট বাড়তে শুরু করার পর এর প্রভাব পড়ে বেসরকারি খাতে স্বল্পমেয়াদি বিদেশি ঋণের ওপর। তখন ব্যবসায়ীরা ডলার ঋণ পরিশোধের দিকে ঝুঁকতে থাকেন। কারণ, ডলারের দর বৃদ্ধিতে ব্যবসায়ীদের বিনিময় হারের ঝুঁকি এবং লোকসান বেড়ে যাচ্ছিল। এর ফলে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর শেষে এ ধরনের ঋণের স্থিতি ছিল ১৬.৪২ বিলিয়ন ডলার, যা এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৪.৬৩ বিলিয়ন ডলার কমে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে দাঁড়ায় ১১.৭৯ বিলিয়ন ডলারে।

২০২৬ সালে রফতানি ছাড়াতে পারে ৫০ বিলিয়ন ডলার, আছে চ্যালেঞ্জও

Bonik Barta

দেশের রফতানি আয়ের বেশির ভাগ আসে তৈরি পোশাকের মাধ্যমে। রফতানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার ক্ষেত্রে এখনো সফল হয়নি বাংলাদেশ। তবে বর্তমানেও যে সক্ষমতা আছে তাতে রফতানি আরো বেশি হওয়ার সুযোগ রয়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর রফতানির পরিমাণ শত বিলিয়ন ডলারের বেশি। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রফতানি ২০২৬ সালে ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করেছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সম্প্রতি সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ প্রক্ষেপণ করা হয়েছে। অবশ্য বিশ্বব্যাপী যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক আরোপের ফলে এ রফতানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জিং হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এডিবি সম্প্রতি ‘রোডম্যাপ ফর ইনভেস্টমেন্ট পলিসি রিফর্মস অ্যান্ড সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এ প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশনের (আইএফসি) তথ্যসূত্রের ভিত্তিতে ২০২৬ সালে তৈরি পোশাক রফতানি ৫১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হতে পারে বলে প্রক্ষেপণ করা হয়েছে।

৯০ শতাংশের বেশি শ্রমিক আইনি সুরক্ষার বাইরে

Bonik Barta

শ্রম সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ বাংলাদেশের শ্রম ব্যবস্থায় বিদ্যমান কাঠামোগত বৈষম্যের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেছেন, ‘বাংলাদেশের শ্রম ব্যবস্থার ভিত্তি খুবই দুর্বল। যেখানে প্রায়ই শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এখনো ৯০ শতাংশের বেশি শ্রমিক আইনি সুরক্ষার বাইরে রয়ে গেছেন, যার মধ্যে অনেক কায়িক শ্রমবিহীন পেশাজীবীরাও অন্তর্ভুক্ত।’ গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অর্থনীতি গবেষণা কেন্দ্র (ইএসসি) আয়োজিত ‘ষষ্ঠ বাংলাদেশ অর্থনীতি সম্মেলন’ এর দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচার থিয়েটার ভবনের ৩০১ নম্বর কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রম অর্থনীতিবিদ অনন্যা রায়হান ও আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) সিনিয়র প্রোগ্রাম অফিসার মোহাম্মদ অভি হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

নতুন বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান ও বেসরকারি খাতের কর্মকাণ্ড শ্লথ হয়ে যাবে

Bonik Barta

বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরার মৌলিক এক কৌশল হলো নীতি সুদহার বৃদ্ধি। দেশে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত পণ্যের স্তর ‍দিন দিন স্ফীত হয়ে উঠলে এক পর্যায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকও তা ‍নিয়ন্ত্রণে সে পথেই যাত্রা শুরু করে। বাজারে অর্থ সরবরাহের লাগাম টেনে ধরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় দফায় দফায় বাড়িয়েছে নীতি সুদহার, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ১০ শতাংশে। দফায় দফায় নীতি সুদহার বাড়ানোর ফলে দুটি ঘটনা দেশের অর্থনীতিতে পরিলক্ষিত হয়েছে। প্রথমত, নীতি সুদহার বাড়ানোর বিশেষ কোনো প্রভাব পড়েনি মূল্যস্ফীতিতে। গত মাসেও মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৯ শতাংশের ওপরে। দ্বিতীয়ত বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ উদ্বেগজনক হারে কমছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি শেষে (ফেব্রুয়ারি ’২৪-ফেব্রুয়ারি ’২৫) বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে মাত্র ৬ দশমিক ৮২ শতাংশ। আগের মাস জানুয়ারিতেও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৭ দশমিক ১৫ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ তথ্যের ভিত্তিতে বণিক বার্তার প্রতিবেদন জানাচ্ছে, ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির হার গত ২১ বছরে সর্বনিম্ন। সর্বশেষ ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৮২ শতাংশের নিচে নেমেছিল।

Regional connectivity projects face unprecedented delays after political changeover

The Business Standard

The implementation of projects aimed at enhancing regional connectivity, particularly those focused on easing connectivity with India, is progressing slower than ever, according to planning ministry sources. Officials of the Implementation Monitoring and Evaluation Division (IMED), which operates under the ministry, say the current Annual Development Program (ADP) includes several projects aimed at facilitating trade and communication with neighbouring countries, including India.The projects include the Bangladesh Regional Connectivity Project-1, aimed at increasing trade with India, Bhutan and Nepal; the South Asia Sub-regional Economic Cooperation (SASEC) Project, designed to boost trade with neighbouring countries; and the Accelerating Transport and Trade Connectivity in Eastern South Asia project. An IMED official on condition of anonymity told TBS, "The current government is not giving special priority to projects involving India. Instead, more focus is being placed on scrutinising why such projects were initiated in the first place, which has led to slower implementation of these projects."

Bay Terminal: Tk14,908cr support project set for final govt approval

The Business Standard

The government is set to approve a support project worth Tk14,908.83 crore as part of the preparations for constructing the Bay Terminal in the Anandabazar area in North Halishahar, Chattogram. Under the proposed Bay Terminal Marine Infrastructure Development Project (BTMIDP), a breakwater and navigation access channel will be constructed. Additionally, the project will include the construction of common facilities, connecting roads, railways, water, electricity, and gas supply to the terminal, internal roads within the terminal, and a service jetty. According to the Planning Commission sources, the project will be presented at the upcoming Executive Committee of the National Economic Council (Ecnec) meeting on Sunday for approval.

মার্চে চীনে কয়লা আমদানি কমেছে ৬ শতাংশ

Bonik Barta

চীনে মার্চে কয়লা আমদানি ৬ শতাংশ কমেছে। বন্দরগুলোয় জ্বালানি পণ্যটির বাড়তি মজুদ ও অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাওয়ায় আমদানি কমেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। আমদানি কমার প্রভাবে স্পট মার্কেটে কয়লার দাম গত চার বছরের সর্বনিম্নে নেমে এসেছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার। চীনের জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চে দেশটি মোট ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৩০ হাজার টন কয়লা আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময় আমদানির পরিমাণ ছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার টন।

জ্বালানি তেলের বৈশ্বিক চাহিদায় আরো শ্লথতার পূর্বাভাস ওপেকের

Bonik Barta

বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা প্রবৃদ্ধির গতি চলতি ও আগামী বছর আরো শ্লথ হয়ে আসতে পারে। সোমবার প্রকাশিত মাসভিত্তিক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তথ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত বাণিজ্য শুল্কের প্রভাব বিবেচনা করে আগে দেয়া পূর্বাভাস সংশোধন করেছে সংস্থাটি। খবর রয়টার্স। প্রতিবেদনে ওপেক জানায়, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেলের দৈনিক চাহিদা ১৩ লাখ ব্যারেল এবং ২০২৬ সালে ১২ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল বাড়তে পারে। দুই বছরের জন্য দেয়া এ পূর্বাভাস আগে দেয়া প্রাক্কলনের তুলনায় দৈনিক গড়ে ১ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল কম। ওপেক প্রতিবেদনে আরো জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ও ওপেক প্লাসের (ওপেক ও রাশিয়াসহ অন্যান্য সহযোগী দেশ নিয়ে গঠিত) সম্ভাব্য উত্তোলন বৃদ্ধি—এ দুই কারণেই চলতি মাসে জ্বালানি তেলের দামে চাপ তৈরি হয়েছে। এছাড়া বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী কমতে পারে অ্যালুমিনিয়ামের দাম

Bonik Barta

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার আশঙ্কায় ২০২৫ সালে অ্যালুমিনিয়ামের দাম কমার পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস। সোমবার প্রকাশিত এক নোটে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের আর্থিক প্রবৃদ্ধি ধীর হওয়ার পূর্বাভাস এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন করে শুল্ক আরোপের কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর রয়টার্স। গোল্ডম্যান স্যাকস জানায়, ২০২৫ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে বিশ্বব্যাপী অ্যালুমিনিয়ামের গড় দাম টনপ্রতি ২ হাজার ডলারে নেমে আসতে পারে। তবে বছরের শেষ নাগাদ অর্থাৎ আগামী ডিসেম্বরে তা আবার ২ হাজার ৩০০ ডলারে পৌঁছতে পারে।

আইভরি কোস্টে কোকো সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা

Bonik Barta

বিশ্বের শীর্ষ কোকো উৎপাদনকারী দেশ আইভরি কোস্ট। দেশটির কৃষকরা জানিয়েছেন, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হলে এপ্রিল-সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় মৌসুমের (মিড ক্রপ) ফসলের আকার ও গুণমান উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কৃষকরা জানান, আগামী মাসে সরবরাহের জন্য যেসব কোকোবীজ পরিপক্ব হচ্ছে, সেগুলো আকারে ছোট ও মানে খারাপ হতে পারে। এছাড়া জুলাই থেকে মধ্য আগস্ট পর্যন্ত তীব্র খরার প্রভাবে সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তারা। উল্লেখ্য, মিড ক্রপ বলতে কোকো উৎপাদনকারী দেশগুলোয় প্রতি বছরের প্রধান ফসল মৌসুমের পর শুরু হওয়া দ্বিতীয় ও তুলনামূলকভাবে ছোট ফসল তোলার সময়কে বোঝানো হয়। আইভরি কোস্টে প্রধান ফসল মৌসুম চলে অক্টোবর-মার্চ পর্যন্ত। দ্বিতীয় মৌসুম চলে এপ্রিল-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

Policy paradoxes hinder inflation combat

The Financial Express

Government's inflation-battling vows may prove hollow in the near future as some of its latest decisions have triggered price spikes of some key commodities, officials and economists say. They point out policy-action paradoxes to substantiate their observations. They say the interim government, on the one hand, gives top priority to controlling inflation in its key documents like budgetary proposals for the FY'26 and the central bank's monetary policy statement (MPS). On the other hand, it has been taking measures like the latest 33-percent tariff hike of gas for industrial usages and price spikes of edible oils by Tk 14 a liter. The analysts take it as contradictory to the government policies avowedly aimed at economic advances, investment attraction and market management. Expressing their fear over cascading effects of the decisions, they have said the upward price adjustments of gas and edible oils would contribute to worsening the inflationary burden further as the decisions come at a time when prices of key necessaries like onions, rice, vegetables and fishes have shown an upturn. The gas price hike in particular has all the potential to discourage investment, domestic and foreign.

IMF may disburse $1.14b in twin tranches

The Financial Express

Bangladesh may receive US$1.14 billion in two instalments together from a package loan extended by the International Monetary Fund (IMF), finance officials expect as a latest review of the lending terms concludes. An announcement to this effect will be given today (Thursday) in tune with staff-level agreements the multilateral lender has reached with the Bangladesh authority, they said. The IMF review mission had a wrap-up discussion with Finance Adviser of the interim government Dr Salehuddin Ahmed at his office on Wednesday afternoon that ended on a positive note, according to the officials. Headed by Chris Papageorgiou, IMF's Mission Chief for Bangladesh, came to Dhaka on April 6 and its mission would end with the announcement. The $1.14-billion fund is coming under fourth and fifth tranches in $570 million each. The fourth tranche was scheduled to come by the first week of February, but got stuck. Approval for the instalment was deferred by the IMF citing Bangladesh's failure to accomplish two prior actions-additional revenue mobilisation and exchange-rate flexibility. The Washington-headquartered lender later informed Bangladeshi officials that approval for the fourth tranche would be taken together with review of achievements for the fifth tranche of the $4.7-billion lending programme.

BB to start buyback in FY '26, asks PDs to get ready

The Financial Express

The central bank has asked the primary dealer (PD) banks to prepare for the buyback arrangement of the government securities (G-Sec) from the upcoming fiscal year (FY 2025-26). The instruction came at a quarterly tripartite meeting held at the Bangladesh Bank (BB) headquarters in Dhaka on Wednesday, with Istequemal Hussain, Director at the Debt Management Department of BB, in the chair. Representatives from all the PD banks and the Ministry of Finance were present at the meeting that reviewed the overall market situation."We've planned to start the buyback arrangement of the government securities and bonds from FY '26 for effectively managing liquidity," a senior official at the BB told The Financial Express (FE) after the meeting. He expected the arrangement to help keep the government maturity profile smooth. "We'll provide training to the bankers in this connection, if necessary," the central banker said without elaborating. Currently, four treasury bills (T-bills) are transacted through auction to adjust government borrowings from the banking system. The T-bills have 14-day, 91-day, 182-day and 364-day maturity periods.