ভোক্তা পণ্যে ২০ শতাংশ পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা
Bonik Barta
বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ২০২৪ সালের বিভিন্ন ধরনের বিপত্তির মুখোমুখি হয়েছিল, যার রেশ চলতি বছর অব্যাহত থাকার পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি নতুন কিছু বিষয় যুক্ত হতে পারে এ সংকটে। এতে খাদ্য ও পানীয়ের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর মূল্য ২০২৫ সালে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে সতর্ক বলে করে দিয়েছে শিল্প সংস্থা চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব প্রকিউরমেন্ট অ্যান্ড সাপ্লাই (সিআইপিএস)।
পণ্য সংগ্রহ ও সরবরাহে চলতি বছরে বাধা হিসেবে বিরাজ করতে পারে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মতো ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, সরবরাহ চেইনের বিঘ্ন ও সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কিত সমস্যা। এসব কারণে ইলেকট্রনিকস, যন্ত্রপাতি, রাসায়নিক ও পেট্রোলিয়াম পণ্যের দামও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সিআইপিএস।
১৫০ দেশের ৬৪ হাজার সদস্য প্রতিষ্ঠানের কেনাকাটা ও সরবরাহ চেইনের প্রতিনিধিত্ব করে গবেষণা পরিচালনাকারী সংস্থাটি। তারা বিস্তৃত তথ্য বিশ্লেষণ করে বলছে, চলতি বছরে খাদ্য ও পানীয়সহ পণ্য সংগ্রহ এবং সরবরাহের খরচ এক-পঞ্চমাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। অতিরিক্ত এ খরচ তুলে আনতে ভোক্তাদের ওপর নির্ভর করবেন ব্যবসায়ীরা।
ইউরোপে ব্যবসা বাড়াচ্ছে চীনা এয়ারলাইনগুলো
Bonik Barta
ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে রাশিয়ার আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারছে না পশ্চিমা দেশগুলো। সে সুবিধা বেইজিংকে প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় সাশ্রয়ী খরচে পরিষেবা দেয়ার সুযোগ দিচ্ছে, যা কাজে লাগিয়ে ইউরোপে রুট ও যাত্রী পরিবহনসক্ষমতা উভয়ই দ্রুত সম্প্রসারণ করছে চীনের তিনটি বৃহৎ রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইনস।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, পশ্চিমা এয়ারলাইনগুলো চীনের সরাসরি ফ্লাইটে ব্যাপক কাটছাঁট এনেছে। গত বছর মূল ভূখণ্ডের কিছু রুট স্থগিত করেছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান এয়ারলাইনস, লুফথানসা, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ও ভার্জিন আটলান্টিক। রাশিয়া এড়িয়ে চলার কারণে বাড়তি খরচই সিদ্ধান্তটির প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছে প্রথম সারির কোম্পানিগুলো।
২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আক্রমণ শুরু করে মস্কো। এরপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া বেশির ভাগ ইউরোপীয় এয়ারলাইনকে নিজেদের আকাশসীমায় নিষিদ্ধ করে। ফলে চীনসহ এশিয়ার গন্তব্যে আকাশ ভ্রমণে সময় ও জ্বালানি খরচ বেড়ে যায়।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় না পড়ায় চীনা এয়ারলাইনসগুলো শূন্যস্থান পূরণের সুযোগ দ্রুত লুফে নেয়। ফ্লাইট বাড়ানোর পাশাপাশি ক্রমাগত লোকসানের মুখেও কোম্পানিগুলো সস্তায় টিকিট দিচ্ছে।
এ বিষয়ে নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটি সাংহাইয়ের এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ ডেভিড ইউ বলেন, ‘সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ইউরোপীয় এয়ারলাইনস কোম্পানি প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না।’
ক্রেতা চাহিদা পূরণে কারখানা বড় করছে রোলস-রয়েস
Bonik Barta
ধনী ক্রেতাদের কাছে কাস্টমাইজড মডেলের গাড়ির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। বিষয়টি আমলে নিয়ে এ পরিষেবা আরো সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে প্রিমিয়াম গাড়ি নির্মাতা রোলস-রয়েস। সম্প্রতি কোম্পানিটি জানিয়েছে, যুক্তরাজ্যের গুডউডের কারখানা ও বৈশ্বিক সদর দপ্তর সম্প্রসারণ করবে তারা। এ কার্যক্রমে ব্যয় হবে ৩০ কোটি পাউন্ডের বেশি অর্থ। ১২০ বছর পুরনো এ ব্রিটিশ ব্র্যান্ড ২০০৩ সাল থেকে জার্মান অটো নির্মাতা বিএমডব্লিউর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। একই বছরে ওয়েস্ট সাসেক্সের এ কারখানা চালু করে। রোলস-রয়েস জানিয়েছে, এ সম্প্রসারণ যুক্তরাজ্যে কোম্পানির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম নিশ্চিত করবে। গত বছর রোলস-রয়েস ৫ হাজার ৭১২টি গাড়ি বিক্রি করেছে, যা কোম্পানির ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ সরবরাহ। মূলধারার নির্মাতাদের লাখ লাখ গাড়ি সরবরাহের তুলনায় এ সংখ্যা ক্ষুদ্র মনে হলেও রোলস-রয়েস উচ্চ মূল্যের বিলাসবহুল বাজারে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে। তাদের সবচেয়ে সাশ্রয়ী মডেল ঘোস্ট সেলুনের প্রারম্ভিক মূল্য আড়াই লাখ পাউন্ড।
মুনাফার প্রত্যাশা কমিয়ে আনছে মার্সিডিজ বেঞ্জ
Bonik Barta
যাত্রীবাহী গাড়ির ক্ষেত্রে মুনাফার প্রত্যাশা মধ্যমেয়াদে কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে মার্সিডিজ বেঞ্জ। ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানির ক্যাপিটাল মার্কেটস ডে আয়োজনে বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। ওইদিন সংশোধিত মুনাফা লক্ষ্যমাত্রা ঘোষিত হতে পারে। খবর ইউরো নিউজ।
বাজারের কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করে ২০২২ সালে ৮-১৪ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সীমা নির্ধারণ করেছিল মার্সিডিজ বেঞ্জ। তবে সম্ভাব্য লক্ষ্য কমানোর পরও জার্মান কোম্পানিটি ডাবল ডিজিট মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইভির চাহিদা বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ সনাতনী ধাঁচের গাড়ির জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। যে কারণে খরচ কমানোর উদ্যোগও নিচ্ছে কোম্পানিগুলো। গত নভেম্বরে মার্সিডিজ বেঞ্জ জানিয়েছিল, আগামী কয়েক বছরে বিলিয়ন ডলার খরচ কমানোর পরিকল্পনা করেছে। তবে কীভাবে পদক্ষেপটি বাস্তবায়ন হবে তা এখনো জানায়নি।
হালে অনেক কোম্পানি ইভিতে রূপান্তর হলেও মার্সিডিজ বেঞ্জ এ বিষয়ে চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। প্রিমিয়াম ব্র্যান্ড হিসেবে বিবেচিত কোম্পানিটির বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির বাজারে প্রবেশ তুলনামূলকভাবে মন্থর। কারণ ভোক্তা ব্যয়ে কাটছাঁট, উচ্চ সুদহার ও মূল্যস্ফীতির কারণে ক্রেতারা এখন সাশ্রয়ী ও টেকসই পণ্য কিনতে বেশি আগ্রহী।
ওয়াশিংটন পোস্টে আরো ছাঁটাই
Bonik Barta
জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ আরেক দফা কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে। এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে ১০০-এর মতো কর্মী বাদ পড়বেন, যা মোট জনশক্তির ৪ শতাংশ। ক্রমবর্ধমান লোকসান এড়াতে এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি। খবর বিবিসি।
নতুন এ ছাঁটাই মূলত পত্রিকার ব্যবসা বিভাগের ওপর প্রভাব ফেলবে। এমন সময়ে এ ঘোষণা এল যখন ওয়াশিংটন পোস্টে নানা ধরনের টানাপড়েন চলছে। জেফ বেজোস সম্প্রতি ঐতিহ্যের বিপরীতে গিয়ে নভেম্বরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কমলা হ্যারিসের পক্ষে লেখা ছাপানো বন্ধ করে দেন। ফলে আড়াই লাখ পাঠক সাবস্ক্রিপশন বাতিল করেন।
২০২৩ সালে ওয়াশিংটন পোস্ট ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার লোকসান দিয়েছে। একই সময়ে ওয়েবসাইটে পাঠক কমে যাওয়ার তথ্য দেয়া হয়। ওই বছরই ১০ শতাংশ জনশক্তি কমানোর উদ্দেশে পত্রিকাটি কর্মীদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগের প্রস্তাব দেয়।
রাজনৈতিক টানাপড়েনে সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্ট থেকে কয়েকজন খ্যাতিমান সাংবাদিক পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে রয়েছেন অনুসন্ধানী প্রতিবেদক জোশ ডসি। তিনি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালে যোগদানের ঘোষণা দিয়েছেন। অন্যদিকে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মাতেয়া গোল্ড প্রতিদ্বন্দ্বী দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে যোগ দিচ্ছেন। এছাড়া ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে জেফ বেজোস ও অন্য ধনকুবেরদের সম্পর্ক চিত্রিত করা ব্যঙ্গচিত্র ছাপতে অস্বীকার করায় সম্প্রতি ওয়াশিংটন পোস্ট থেকে পদত্যাগ করেছেন পুলিৎজার পুরস্কারজয়ী কার্টুনিস্ট অ্যান টেলনেস।
ডিসেম্বরে ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় জ্বালানি তেল উত্তোলন কমেছে
Bonik Barta
ওপেকভুক্ত দেশগুলোয় গত মাসে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলন কমেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত রয়টার্সের এক জরিপ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন কনসালটেন্সি প্রতিষ্ঠান, আর্থিক গ্রুপ ও তথ্য সরবরাহকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডাটা সংকলন করে এ জরিপ প্রকাশ করেছে রয়টার্স।
পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক। বার্তা সংস্থাটি জানায়, ডিসেম্বরে ওপেকভুক্ত দেশগুলোর জ্বালানি তেল উত্তোলন আগের মাসের তুলনায় দৈনিক গড়ে ৫০ হাজার ব্যারেল কমেছে। এ সময় দেশগুলোর মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দৈনিক গড়ে ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬০ হাজার ব্যারেল।
জরিপ অনুযায়ী, জ্বালানি তেলক্ষেত্র রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সবচেয়ে বেশি উত্তোলন কমেছে। এ সময় দেশটির মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দৈনিক গড়ে ২৮ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল, যা আগের মাসের তুলনায় ৯০ হাজার ব্যারেল কম।
বিশ্বে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উত্তোলনে অন্যতম শীর্ষ দেশ ইরান। যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও গত বছর দেশটির উত্তোলন ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চে পৌঁছায়। তবে ডিসেম্বর থেকে তা আবার নিম্নমুখী হতে শুরু করে। জরিপে দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত মাসে দেশটির জ্বালানি তেল উত্তোলন কমেছে আগের মাসের তুলনায় দৈনিক গড়ে ৭০ হাজার ব্যারেল।
আমদানি বাড়লেও হিলিতে কমছে না চালের দাম
Bonik Barta
দেশের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত ও বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভারত থেকে চাল আমদানি করছে সরকার। পাশাপাশি কৃষক ঘরে তুলেছে আমন ধান। এরই মধ্যে দিনাজপুরের হিলি বাজারে চাল সরবরাহ বেড়েছে। তবে কমছে না দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে বন্দরে পাইকারিতে চালের দাম কেজিপ্রতি ৩-৪ টাকা করে বেড়েছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতের বাজারে চালের দাম বেড়েছে। অন্যদিকে ডলারের বিনিময় হার বাড়ায় দেশের বাজারে পণ্যটির দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এছাড়া মিল মালিকদের সিন্ডিকেটও এক্ষেত্রে কিছুটা দায়ী।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০-৬০ ট্রাক চাল আমদানি হচ্ছে। কোনোদিন তা ১০০ ট্রাক ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এর পরও বন্দরে কয়েকদিন আগেও ভারতীয় স্বর্ণা জাতের চালের দাম ছিল ৫০-৫১ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে ৫২-৫৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চিকন জাতের শম্পা চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭১ টাকায়, আগে যা ছিল ৬৬-৬৭ টাকা।
বন্দর থেকে আরো জানা যায়, ৪০৯৪ জাতের চাল বর্তমানে ৬৪-৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, আগে যা ছিল ৬২-৬৩ টাকা।
এছাড়া খুচরা বাজারে স্বর্ণা চাল ৫৪-৫৫ টাকা, শম্পা ৭৩-৭৪ ও দেশী মিনিকেট ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এসব চাল কয়েকদিন আগেও ৪-৫ টাকা কমে বিক্রি হয়েছিল।
আমদানিকারকরা বলছেন, বাংলাদেশ সরকার চাল আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিলেও ভারতীয় রফতানিকারকরা এর দাম টনপ্রতি ২০-৩০ ডলার করে বাড়িয়ে দিয়েছে। আবার বাংলাদেশে চালের চাহিদা বেড়ে গেলে ভারতীয় ব্যবসায়ীরা দাম বাড়িয়ে দেয়। এসব কারণে দেশের বাজারেও পণ্যটির দাম বাড়ছে।
গম সংরক্ষণ সক্ষমতা তিন গুণ বাড়ানোর পরিকল্পনা ভারতের
Bonik Barta
ভারতের বর্তমান গম সংরক্ষণ সক্ষমতা ২৮ লাখ টন। আগামী তিন বছরে এ সক্ষমতা তিন গুণ বাড়িয়ে ৯০ লাখ টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা করছে দেশটি। সম্প্রতি ফাইন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ভারত সরকার পাঁচ বছরের মধ্যে অতিরিক্ত সাত কোটি টন খাদ্যশস্য সংরক্ষণের সক্ষমতা অর্জনের ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে। এর অংশ হিসেবে গম সংরক্ষণের সক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে সারা দেশে হাজার হাজার গুদাম ও শস্যভাণ্ডার নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, দেশের মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের শতভাগ সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত সুবিধা তৈরি করা।
ভারতের খাদ্য সংরক্ষণ সংস্থা বা এফসিআই জাতীয় খাদ্যনিরাপত্তা আইনের আওতায় বর্তমানে চার-পাঁচ কোটি টন চাল ও গম সংরক্ষণ করে। ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশ ভারত সম্প্রতি বিশ্বের সর্বাধিক জনবহুল দেশ হিসেবে চীনকে ছাড়িয়ে গেছে। দেশটি বর্তমানে উৎপাদিত খাদ্যশস্যের মাত্র ৪৭ শতাংশ সংরক্ষণ করতে পারে।
প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়ন হলে খাদ্যশস্যের অপচয় কমবে। সেই সঙ্গে বড় দূরত্বে খাদ্য পরিবহনের প্রয়োজনীয়তাও কমবে। এতে পরিবহন খরচ সাশ্রয় ও সাপ্লাই চেইন আরো কার্যকর হবে।
এফসিআই এরই মধ্যে ১০ লাখ টন ও ২০ লাখ টনের আধুনিক শস্যভাণ্ডার (সাইলো) নির্মাণ সম্পন্ন করেছে। ভবিষ্যতে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সম্প্রসারণ প্রকল্পের অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ১৯৬টি স্থানে গম সংরক্ষণে আধুনিক সাইলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমেছে ১৭.২%
Bonik Barta
ভিয়েতনামের কফি রফতানি ২০২৪ সালে আগের বছরের তুলনায় ১৭ দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। এ সময় দেশটির মোট রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৩ লাখ ৪০ হাজার টন। সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভিয়েতনামের জেনারেল স্ট্যাটিসটিকস অফিস।
গত বছর ভিয়েতনামের কফি রফতানি কমলেও তা থেকে রাজস্ব আয় বেড়েছে। জেনারেল স্ট্যাটিসটিকস অফিস জানায়, এ সময় রাজস্ব আয় আগের বছরের তুলনায় ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে ৫৬০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
সংস্থাটি আরো জানায়, ডিসেম্বরে ভিয়েতনাম মোট ১ লাখ ২৬ হাজার টন কফি রফতানি করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩৯ দশমিক ৩ শতাংশ কম।
এদিকে গত সপ্তাহে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়ায় স্থিতিশীল ছিল কফির বাণিজ্যিক কার্যক্রম। ব্যবসায়ীরা জানান, ভিয়েতনামের কফি উৎপাদনকারী অঞ্চলে অস্বাভাবিক বৃষ্টির কারণে জমি থেকে ফসল সংগ্রহ দেরি হচ্ছে। এ কারণে ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থিতিশীল ছিল।
ভিয়েতনামের বৃহত্তম কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসের কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি ১ লাখ ১৮ হাজার ৭০০ থেকে ১ লাখ ১৯ হাজার ৫০০ ডংয়ে (৪ ডলার ৬৬ সেন্ট থেকে ৪ ডলার ৬৯ সেন্ট) বিক্রি করেছেন। এর আগে অঞ্চলটিতে প্রতি কেজি কফির দাম ছিল ১ লাখ ১২ হাজার ৫০০ ডং।
পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ২৮ শতাংশ
Bonik Barta
গত বছরের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের শুরুতেও দেশের পুঁজিবাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। গতকালও দেশের পুঁজিবাজারে সূচকের পাশাপাশি লেনদেন কমেছে। এদিন প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) লেনদেন কমেছে ২৮ শতাংশ। দেশের আরেক পুঁজিবাজার চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) দৈনিক লেনদেনের পরিমাণ কমেছে আরো বেশি, ৩৯ শতাংশ।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরু থেকে সূচকে অস্থিরতা দেখা গেছে। এদিন ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৮৫ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ দিনের ব্যবধানে ২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯২১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস গতকাল সামান্য কমে ১ হাজার ১৫৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল সূচকের পতেন সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে ইসলামী ব্যাংক, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি (বিএটিবিসি), খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, সিঙ্গার বাংলাদেশ ও বেক্সিমকো ফার্মাসিউইটক্যালসের শেয়ার। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারদর কমার কারণে ৭ পয়েন্ট হারিয়েছে সূচক।
কারণ ছাড়াই বাড়ছে দুই কোম্পানির শেয়ারদর
Bonik Barta
চামড়া খাতের তালিকাভুক্ত লিগ্যাসি ফুটওয়্যার লিমিটেড ও পোশাক খাতের তালিকাভুক্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলস লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেনের পরিমাণ অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। যদিও শেয়ারদর ও লেনদেনের এ অস্বাভাবিক বৃদ্ধির পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে কোম্পানি দুটি।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ২৮ অক্টোবর লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারদর ছিল ৩৪ টাকা ৬০ পয়সায়। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৩০ পয়সায়। এ সময়ে শেয়ারটির দর বেড়েছে ৮৩ শতাংশ।
চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) লিগ্যাসি ফুটওয়্যারের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯ পয়সা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য ছিল (এনএভিপিএস) ১১ টাকা ২৬ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৩ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ২৩ পয়সা।
স্থানীয় শিল্পে উৎপাদন সংকোচনে ব্যবসার খরচ বাড়ছে
Bonik Barta
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির ওপর সবচেয়ে বেশি নির্ভর করছে অন্তর্বর্তী সরকার। নীতি সুদহার (রেপো রেট) কয়েক দফা বাড়িয়ে তোলা হয়েছে ১০ শতাংশে। এতে ব্যাংকভেদে ঋণের সুদহার উঠে দাঁড়িয়েছে কম-বেশি ১৫-১৬ শতাংশে। পুঁজি সংস্থানের ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় শিল্প খাতের উৎপাদনকে চাপে ফেলছে জ্বালানি সংকট। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, গ্যাস সংকটে শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এতে পরিচালন ও মাথাপিছু ব্যয় বাড়ছে ব্যবসার। এর মধ্যেই শিল্প খাতে করভার ও শুল্কচাপ বাড়ছে। শিল্প খাতে শ্রম অসন্তোষ, আমদানির বিদ্যমান নানা প্রতিবন্ধকতা, পণ্য পরিবহনে চাঁদাবাজি ইত্যাদিরও প্রভাব পড়ছে শিল্প খাতের ব্যয় ও উৎপাদনে। এসবের সম্মিলিত প্রভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছে শিল্প খাতের উৎপাদন। যদিও ব্যবসা পরিচালনার খরচ এখন ক্রমেই বেড়ে চলেছে।
BERC panel to review proposal
The Financial Express
A seven-member technical committee will review proposed gas-tariff hike to the height of LNG-import cost for new industries and expansions of the existing ones.
Bangladesh Energy Regulatory Commission (BERC) has constituted the panel for vetting the Petrobangla proposal that implies that these industrial subscribers would have to pay nearly double the current tariffs of natural gas.
"We have constituted the 7-member committee immediate after receiving the gas-tariff-hike proposal from state-run Petrobangla for raising gas tariff," BERC chairman Jalal Ahmed told the FE Wednesday.
He said the energy regulator would arrange public hearing inviting stakeholders over the gas-tariff hike on completion of technical committee's review and recommendation, likely in one month.
Govt borrows Tk 690b from banks in H1 for deficit financing
The Financial Express
Government borrowings from scheduled banks swelled over Tk 690 billion in the first half (H1) of this fiscal for deficit financing but its net debt dropped to over Tk 146 billion after repayment.
The ministry of finance borrowed Tk 690.54 billion from all the scheduled banks through issuing treasury bills and bonds during the July-December period of the current fiscal year (FY), 2024-25, while Tk 544.14 billion was paid into the central-bank coffer, according to a confidential report prepared by the Bangladesh Bank (BB) on government borrowing from the banking system.
Corporate tax rate to double from next fiscal year
The Financial Express
Local manufacturers of motorcycles, refrigerators and air conditioners will have to face double taxation on their income from the next fiscal year as per a Statutory Regulatory Order (SRO) issued by the income tax wing under the National Board of Revenue (NBR).
It will be 20 per cent instead of the existing 10 per cent from fiscal year 2025-26, according to the SRO. Complete freezer, refrigerator, motorcycle, air conditioner and compressor manufacturing companies are subject to the revised rate. The 20 per cent tax rate would be valid until June 30, 2032.
The NBR has opted not to impose the tax from the day of issuance of the SRO following prospective tax measures, said officials.
"With the removal of the 10 per cent tax provision, the manufacturers of these items will fall under the regular tax rate of 27.5 per cent. But considering the survival of the manufacturers, the NBR has decided to implement a reduced rate of 20 per cent for the next seven years," said AKM Badiul Alam, a member of income tax policy.
Surge in fertiliser subsidies feared
The Financial Express
Bangladesh Chemical Industries Corporation (BCIC) fears the government's fertiliser-import subsidy burden will get heavier as the state-run banks are compelled to clear bills at higher dollar rates, sources say.
It has requested the industries ministry to take steps in this regard.
The state-owned banks are supposed to pay urea import bills as per the Bangladesh Bank's bill collection (BC) rate. While opening letters of credit, they are supposed to buy per dollar at Tk 120, which is the BC rate.
However, the banks currently buy dollars at more than the BC rate and pay fertiliser import bills with that due to the Bangladesh Bank's reduced supply of greenbacks, says BCIC.
Shrinking rural banking weakening CMSMEs
The Financial Express
Commercial banks' position in rural Bangladesh keeps weakening with the constant fall in formal credit disbursements and the number of branches in the least- developed areas, bankers say.
As a result, the condition of cottage, micro, small and medium enterprises (CMSMEs) in rural areas is worsening as they gradually lose their market to imported goods.
Bankers have identified several reasons behind this, including the rising cost of funds and higher inflation that blighted the demand for credit in rural areas after the Covid-induced shocks.
On the other hand, the lower possibility of making profits in rural areas having the least lending opportunities prompted commercial banks to concentrate more on high-yielding urban territories, they said.
T-bond transactions surge on DSE but still negligible in expanded market
The Financial Express
Trading in Treasury bonds on the Dhaka Stock Exchange (DSE) surged 55 per cent year-on-year to Tk 1.31 billion last year mainly due to higher interest rates and an easing of the transaction process through brokerage firms.
The trade volume is still insignificant compared to the potential of the market, the size of which has surpassed Tk 3 trillion.
The secondary market of public debt securities, which was launched about two years ago, has witnessed a rapid growth at a time when the equity market has remained sluggish for a gloomy economic outlook.
The benchmark index of the Dhaka bourse plunged 1,030 points or 16.5 per cent in 2024, the biggest annual decline in four years, amid economic uncertainties coupled with a notable shift in the country's political environment.
Grameen Bank plans to reduced government control
The Financial Express
Grameen Bank, the Nobel prize-winning microfinance institution, is poised for a significant shift in its ownership and governance structure.
Under a new proposal, the government’s stake in the bank would shrink from 25 per cent to just 5.0 per cent, marking a decisive move to diminish state control over the organisation.
Should the plan go forward, oversight of the bank, currently influenced by the government, would be transferred to Bangladesh Bank, according to a bdnews24.com report.
The Financial Institutions Division of Bangladesh’s Ministry of Finance has drafted an ordinance to amend the Grameen Bank Act of 2013. The draft, which has been published on the website, signals sweeping reforms for the microfinance institution.
Troubled National Bank seeks Tk1,000cr more from Cenbank
The Business Standard
National Bank Limited, a troubled private commercial bank, has approached the Bangladesh Bank with a request for an additional Tk1,000 crore in liquidity support, despite having already received Tk4,000 crore from the central bank recently.
A senior central bank official, on condition of anonymity, told TBS, "They sought the support at a 10% interest rate. However, a final decision on whether the support will be granted is still pending."
Abdul Awal Mintoo, chairman of National Bank Limited, confirmed the request, saying, "The Bangladesh Bank initially indicated it would provide Tk5,000-6,000 crore, but they granted us Tk4,000 crore. Therefore, we have again requested an additional Tk1,000 crore to repay customer funds."
কম আমদানি ও স্থানীয়ভাবে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ায় চালের বাজার অস্থিতিশীল
The Business Standard
চাল আমদানি কম হওয়া এবং স্থানীয় উৎপাদন থেকে সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থতার কারণে আমন মৌসুমে চালের বাজার স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়নি। ফলে সরকার এখন মজুত বাড়াতে আমদানির ওপর জোর দিচ্ছে।
সরকারি গুদামের মজুত কম থাকায় বাজারে চালের সরবরাহ কমে গেছে এবং দাম বেড়ে গেছে। সাধারণত আমন মৌসুমে চালের সরবরাহ ভালো থাকে এবং দামও কম থাকে। কিন্তু এ বছর পরিস্থিতি ভিন্ন।
এ অবস্থায় ওএমএস এবং টিসিবির মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল সরবরাহ করা যাচ্ছে না। চালের ক্রমবর্ধমান দামের কারণে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ ব্যাপকভাবে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
৮ জানুয়ারির প্রকাশিত সরকারি এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত এক মাসে সব ধরনের চালের দাম বেড়েছে। মোটা চাল, যেমন স্বর্ণা ও চায়না, প্রতি কেজিতে ৩-৪ টাকা বেড়ে এখন ৫৪-৫৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ডিসেম্বরের শেষে ছিল ৫০-৫৫ টাকা। মাঝারি এবং মিহি চালের দামও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
চাহিদা বাড়ায় একমাসে রডের দাম বেড়েছে ৫ হাজার টাকার উপরে
The Business Standard
টানা ছয় মাস পর চাঙ্গাভাব দেখা দিয়েছে ইস্পাতের বাজারে। চাহিদা বাড়ার কারণে গত তিন সপ্তাহ ধরে ধাপে ধাপে নির্মাণপণ্য এমএস রডের দাম বেড়েছে টনপ্রতি ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুষ্ক মৌসুমে ব্যক্তি পর্যায়ে বাড়ি-ঘর নির্মাণের কাজ বৃদ্ধি পাওয়ায় চাহিদা বেড়ে রডের দাম ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। তবে সরকারি-বেসরকারি প্রকল্পে রডের চাহিদা এখনও অনেকটা শূন্যের কোটায়। তাই উৎপাদন খরচের সাথে দামের সমন্বয় না হওয়ায় হতাশ ইস্পাত কারখানা মালিকরা।
রড কারখানা মালিক ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বর্তমানে মিল পর্যায়ে প্রতিটন ৭৫-গ্রেডের এমএস রড বিক্রি হচ্ছে ৮৫ থেকে ৮৮ হাজার টাকায়। এর আগে জুলাইয়ে ৯৫ হাজার টাকা দরে বিক্রি হওয়া রড ক্রমাগত কমে ডিসেম্বরে মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ৮০-৮২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এর আগে, ২০২১ সাল থেকে দফায় দফায় বেড়ে ২০২২-২৩ সালে পণ্যটির দাম টনে এক লাখ টাকা পার হয়েছিল।
বর্তমানে বাজারে বিএসআরএম ৮৮ হাজার, জিপিএইচ ৮৬ হাজার এবং কেএসআরএম ও একেএস ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চালের মূল্য নিয়ন্ত্রণে আমদানি উদারীকরণ নীতিতে যাচ্ছে সরকার
Bonik Barta
চালের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকার আমদানি উদারীকরণের নীতিতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে গতকাল নিম্ন আয়ের পরিবারের মাঝে নতুন স্মার্ট কার্ডের (পরিবার কার্ড) মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে টিসিবির পণ্য বিক্রয় কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য জানান।
চালের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাণিজ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘বাজারে চালের কোনো ঘাটতি নেই। নিজস্ব মজুদ ও স্থানীয় উৎপাদনেও ঘাটতি নেই। আমনের ভরা মৌসুম পার করছি। ঠিক এ মুহূর্তে বাজারে এ দামের কোনো যৌক্তিক কারণ দেখছি না। এটার কারণ আমরা খোঁজার চেষ্টা করছি, বোঝার চেষ্টা করছি। ভোক্তা পর্যায়ে বিশেষ করে নাজিরশাইল ও মিনিকেট এ দুটো চালের দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। খুচরা লেভেলে যে ধরনের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে তার থেকে পাইকারি লেভেলে বৃদ্ধিটা অনেক বেশি।’
নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ পরিশোধে ১ শতাংশ প্রণোদনা অব্যাহত থাকবে
Bonik Barta
ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) খাতের নারী উদ্যোক্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধ করতে ১ শতাংশ প্রণোদনা সুবিধা অব্যাহত রাখতে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট থেকে গতকাল এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের কাছ থেকে ঋণ আদায় বাড়াতে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকদের উৎসাহিত করতে এ পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।
এ সুবিধার মেয়াদ ছিল ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তবে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম থেকে বিতরণ করা ঋণ বা বিনিয়োগের বিপরীতে এ প্রণোদনা সুবিধা ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।
২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক এ স্কিমটি চালু করে। তখন নারী-পুরুষ উদ্যোক্তারা এ ঋণ নেয়ার অনুমতি পেয়েছিলেন। তবে এটি পরে শুধু নারী উদ্যোক্তাদের জন্য নির্ধারণ করা হয়। সর্বশেষ এ স্কিমের পরিমাণ দ্বিগুণ করে ৩ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়।