28-Mar-2025

Saturday 29 March 2025

30-Mar-2025

রেকর্ড বৃদ্ধি সত্ত্বেও বৈশ্বিক লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি

Bonik Barta

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় উদ্যোগ ও বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, গত বছর বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ২০২৩ সালের তুলনায় রেকর্ড ১৫ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। এতে সঞ্চালন লাইনগুলোয় সক্ষমতা ৫৮৫ গিগাওয়াট বেড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সি (আইআরইএনএ)। তবে রেকর্ড সত্ত্বেও এখনো বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে এ প্রবৃদ্ধি। সংস্থাটি বলেছে, ২০২৪ সালে নতুন অবকাঠামো স্থাপন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ৪ হাজার ৪৪৮ গিগাওয়াটে নিয়ে গেছে। আইআরইএনএ সতর্ক করে জানাচ্ছে, বৈশ্বিক লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা তিন গুণে নেয়া। এটি পূরণে ১১ দশমিক ২ টেরাওয়াট সক্ষমতা প্রয়োজন, যা বর্তমান বৃদ্ধির হারে যথেষ্ট নয়। দশক শেষে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার বার্ষিক ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।

২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় বিদেশী বিনিয়োগকারীদের শঙ্কা ঘোচাতে পারছে না তুরস্ক

Bonik Barta

গত সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে তুরস্কের মুদ্রা লিরার মূল্যে বড় ধরনের অবমূল্যায়নে দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন দেশটিতে বিনিয়োগকারী বিদেশীরা। এরপর লিরার মান স্থিতিশীল করতে রিজার্ভের বড় অংশ ব্যয় করেছে তুরস্ক। কিন্তু এতে পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি, উল্টো শঙ্কা কাটছে না বিনিয়োগকারীদের। গত বছর তুরস্কের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ প্রায় তলানিতে গিয়ে ঠেকে। সেখান থেকে রিজার্ভ ৬৫ বিলিয়ন বা ৬ হাজার ৫০০ কোটি ডলারে উন্নীত করেছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক লিরার অবমূল্যায়নে আবার হাত পড়েছে রিজার্ভে। এক পর্যায়ে ১ ডলারের বিনিময়ে ৪০ লিরা পাওয়া যাচ্ছিল। এ অবস্থায় বাজার আস্থা ফেরাতে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রিজার্ভ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করে ফেলে তুরস্ক। বাজারে নগদ অর্থ সরবরাহের এ তথ্য দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ফাতিহ কারাহান। সম্প্রতি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন তিনি।

বেইজিংয়ে বিনিয়োগ সংলাপে প্রধান উপদেষ্টা চীনা ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান

Bonik Barta

বাংলাদেশে ব্যবসার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে এ দেশে বিনিয়োগের জন্য চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি চীনা বিনিয়োগকারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা (চীনা বিনিয়োগকারীরা) বাংলাদেশের ব্যবসার সম্ভাবনার সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।’ বেইজিংয়ের দ্য প্রেসিডেনশিয়ালে গতকাল চীনা ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক বিনিয়োগ সংলাপে বক্তৃতাকালে এ কথা বলেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘চীনের পর বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক উৎপাদনকারী দেশ বাংলাদেশ। এছাড়া বাংলাদেশ এমন একটি চমৎকার ভৌগোলিক অবস্থানে রয়েছে, যেখানে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রসহ বড় নদীগুলো প্রবাহিত হয়েছে।’ বঙ্গোপসাগরের কথা উল্লেখ করে তিনি বাণিজ্য ও ব্যবসা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা তুলে ধরেন। ড. ইউনূস বলেন, ‘নেপাল ও ভুটান স্থলবেষ্টিত দেশ, যাদের কোনো সমুদ্র নেই। ভারতের সাতটি উত্তর-পূর্ব রাজ্যও স্থলবেষ্টিত।’ তিনি এসব দেশের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের ওপর জোর দেন, যা বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। বাংলাদেশের মানবসম্পদের সম্ভাবনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। প্রতি বছর বাংলাদেশ আরো ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে উঠছে। বাংলাদেশে প্রায় ১৭ কোটি মানুষ বাস করে, যাদের বেশির ভাগই যুবক। যারা উদ্যম, সৃজনশীলতা ও উচ্চাকাঙ্ক্ষায় পরিপূর্ণ।

রেকর্ড বৃদ্ধি সত্ত্বেও বৈশ্বিক লক্ষ্য থেকে পিছিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি

Bonik Barta

পরিবেশবান্ধব জ্বালানি খাতে সাম্প্রতিক বছরগুলোয় আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় উদ্যোগ ও বিনিয়োগ বাড়ছে। এর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, গত বছর বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ২০২৩ সালের তুলনায় রেকর্ড ১৫ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে। এতে সঞ্চালন লাইনগুলোয় সক্ষমতা ৫৮৫ গিগাওয়াট বেড়েছে বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সি (আইআরইএনএ)। তবে রেকর্ড সত্ত্বেও এখনো বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে এ প্রবৃদ্ধি। সংস্থাটি বলেছে, ২০২৪ সালে নতুন অবকাঠামো স্থাপন নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা ৪ হাজার ৪৪৮ গিগাওয়াটে নিয়ে গেছে। আইআরইএনএ সতর্ক করে জানাচ্ছে, বৈশ্বিক লক্ষ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতা তিন গুণে নেয়া। এটি পূরণে ১১ দশমিক ২ টেরাওয়াট সক্ষমতা প্রয়োজন, যা বর্তমান বৃদ্ধির হারে যথেষ্ট নয়। দশক শেষে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি সক্ষমতার বার্ষিক ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি প্রয়োজন।