ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে আংশিক রফতানিকারকদের বন্ড সুবিধা দিতে পারে এনবিআর
Bonik Barta
শতভাগ রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান বন্ডেড সুবিধায় শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ পেলেও আংশিক রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো তা পায় না। তাদের এ সুবিধা দিতে সরকারের একটি সংস্থা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে এ-সংক্রান্ত সুবিধা-অসুবিধা তুলে ধরে সুপারিশ পাঠিয়েছে। এনবিআর-সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ বিষয়ে কাজ চলছে। এতে রফতানি বাড়লেও অসুবিধা হলো, যদি এর অপব্যবহার হয় তবে দেশের ক্ষতি হবে ও শুল্ককর আদায় কমবে।
সরকারি সংস্থাটি বলছে, বর্তমানে শতভাগ রফতানিমুখী প্রতিষ্ঠান বন্ডেড সুবিধার আওতায় শুল্কমুক্ত কাঁচামাল আমদানির সুযোগ পাচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাক শিল্প, ট্যানারি ও চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, জাহাজ নির্মাণ শিল্প, প্রচ্ছন্ন রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান, ডিপ্লোম্যাটিক বন্ড এবং রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার (ইপিজেড) বন্ড প্রতিষ্ঠানের প্রায় ছয় হাজার কারখানা।
সূচকে নিম্নমুখিতা মার্চে পুঁজিবাজারে লেনদেন কমেছে ১০ শতাংশ
Bonik Barta
নতুন বছরে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে দেশের পুঁজিবাজার। তবে রমজান মাসে পুঁজিবাজারে সংক্ষিপ্ত লেনদেনের পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মার্চে পুঁজিবাজারে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে। এ সময়ে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ২৮ পয়েন্ট হারিয়েছে। এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ।
ইবিএল সিকিউরিটিজের মাসিক পুঁজিবাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ফেব্রুয়ারি শেষে ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৫ হাজার ২৪৭ পয়েন্ট। মার্চ শেষে সূচকটি ২৮ পয়েন্ট বা দশমিক ৫৪ শতাংশ কমে ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে, মার্চে তা কমে ৩ কোটি ৪০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন কমেছে প্রায় ৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। গত বছরের মার্চে ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলার, এপ্রিলে ৪ কোটি ৭০ লাখ, মে মাসে ৫ কোটি ৭০ লাখ, জুনে ৩ কোটি ৯০ লাখ, জুলাইয়ে ৫ কোটি ১০ লাখ, আগস্টে ৭ কোটি ৩০ লাখ, সেপ্টেম্বরে ৫ কোটি ৬০ লাখ, অক্টোবরে ৩ কোটি, নভেম্বরে ৪ কোটি ২০ লাখ, ডিসেম্বরে ৩ কোটি ৬০ লাখ এবং এ বছরের জানুয়ারিতে দৈনিক গড়ে ৩ কোটি ডলারের লেনদেন হয়েছে পুঁজিবাজারে।
২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষ চীনে সয়াবিনের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস
Bonik Barta
চীনে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে সয়াবিনের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস (এফএএস)। তবে এ সময় কমতে পারে ভোজ্য তেলবীজটির উৎপাদন। ফলে আগামী বিপণন বর্ষে সয়াবিন আমদানি উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ার পূর্বাভাস রয়েছে। সম্প্রতি গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক (জিএআইএন) শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে এফএএস। প্রতিবেদনে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে অভ্যন্তরীণভাবে চীনের মোট সয়াবিন ব্যবহার ১২ কোটি ৪৪ লাখ টন হওয়ার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, আগের বিপণন বর্ষে যা ছিল ১২ কোটি ২০ লাখ টন। এছাড়া এ সময় চীনে সয়াবিন প্রক্রিয়াকরণের পরিমাণ হতে পারে ১০ কোটি ১০ লাখ টন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় সয়াবিন ক্রেতা দেশ চীন। এফএএসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটি ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে ১০ কোটি ৬০ লাখ টন সয়াবিন আমদানি করতে পারে। এটি আগের বিপণন বর্ষের তুলনায় ২ শতাংশ বেশি। এ সময় দেশটিতে উৎপাদন কিছুটা কমে ১ কোটি ৯৮ লাখ টনে নেমে যেতে পারে, আগের বিপণন বর্ষে যা ছিল ১ কোটি ৯৯ লাখ টন।
ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কফি সরবরাহ কমেছে
Bonik Barta
ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া থেকে চলতি সপ্তাহে রোবাস্তা কফি সরবরাহ কমেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাড়তি মুনাফার আশায় ভিয়েতনামের কৃষকরা কফি বিন বিক্রি বন্ধ রেখেছেন। এ সময় মৌসুমের শেষ সময় হওয়ায় ইন্দোনেশিয়ায় সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। ভিয়েতনামের প্রধান কফি উৎপাদনকারী অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডসের কৃষকরা চলতি সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি ১ লাখ ১৩ হাজার ৭০০ থেকে ১ লাখ ১৩ হাজার ডংয়ে (৫ ডলার ২৩ সেন্ট থেকে ৫ ডলার ২৮ সেন্ট) বিক্রি করেছেন। এর আগের সপ্তাহে যা ছিল কেজিতে ১ লাখ ৩১ হাজার থেকে ১ লাখ ৩৩ হাজার ডং। এক কফি ব্যবসায়ী জানান, ‘ভিয়েতনাম বর্তমানে একমাত্র রোবাস্তা সরবরাহকারী দেশ। তাই অনেক ব্যবসায়ী পরবর্তী সময়ে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বিক্রি বন্ধ রেখেছেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে শুষ্ক মৌসুম চলছে। তবে সেচের জন্য পর্যাপ্ত পানি আছে।’ভিয়েতনামের মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জের ডেপুটি হেড ইউয়েন গোক কুইন জানান, ‘প্রত্যাশা অনুযায়ী ব্রাজিলে রোবাস্তা কফি উৎপাদন হবে না। ব্রাজিলের রোবাস্তা কনিলন কফি সংগ্রহে এক সপ্তাহ বাকি। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস সুবিধাজনক নয়। ফলে ভিয়েতনামে অভ্যন্তরীণভাবে দাম কেজিপ্রতি ১ লাখ ১৩ হাজার ডং থাকতে পারে।’