27-Mar-2025

Friday 28 March 2025

29-Mar-2025

জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক সর্বোচ্চ ১৫ লাখ ব্যারেল বাড়ার পূর্বাভাস রাশিয়ার

Bonik Barta

বিশ্বব্যাপী অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের চাহিদা চলতি বছর দৈনিক গড়ে ১০-১৫ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত বাড়তে পারে। বুধবার রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলেকজান্ডার নোভাকের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে ইন্টারফ্যাক্স নিউজ এজেন্সি। রাশিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছি। প্রতি বছরই জ্বালানি তেল ব্যবহারের হার বাড়ছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ঊর্ধ্বমুখী থাকায় সামনের দিনগুলোয় জ্বালানি সম্পদের চাহিদাও বাড়বে।’ নোভাকের দেয়া পূর্বাভাস ওপেকের (পেট্রোলিয়াম রফতানিকারক দেশগুলোর সংস্থা) সাম্প্রতিক প্রত্যাশার কাছাকাছি। সংগঠনটি চলতি বছর জ্বালানি তেলের চাহিদা দৈনিক গড়ে ১৪ লাখ ৫০ হাজার ব্যারেল বাড়ার পূর্বাভাস দিয়েছিল। কিছু বিশেষজ্ঞ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান মনে করছে, ২০২৫ সালে বৈশ্বিক বাজারে অতিরিক্ত জ্বালানি তেলের সরবরাহ তৈরি হতে পারে। এর পেছনে ভূমিকা রাখবে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তোলন বৃদ্ধি ও নিম্নমুখী চাহিদা। তবে নোভাক বলেন, ‘‌বর্তমানে বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল। এর পরও ওপেক প্লাস তা পর্যবেক্ষণ করবে। কারণ সরবরাহ ও চাহিদার ভারসাম্য রক্ষা করাটা জরুরি।’

২০২৪ সাল ইউরোপের তুলনায় ছয় গুণ বেড়েছে রুশ অর্থনীতি

Bonik Barta

২০২৪ সালে রাশিয়ার অর্থনীতির আকার পৌঁছেছে ২০০ ট্রিলিয়ন রুবল বা ২ দশমিক ৩৭ ট্রিলিয়ন ডলারে। এ সময় রুশ অর্থনীতির গড় প্রবৃদ্ধি ইইউ অঞ্চলের ছয় গুণ বেশি ছিল বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন। গত বছর রাশিয়ার জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ১ শতাংশ। এর বিপরীতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গড় জিডিপির হার ছিল দশমিক ১ শতাংশ। পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমায় সম্প্রতি মিখাইল মিশুস্তিন জানান, রুশ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি হলো দেশীয় চাহিদা। গত বছর দেশটিতে স্থায়ী মূলধন বিনিয়োগ ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়েছে বলেও জানান তিনি। মিশুস্তিন আরো জানান, ২০২৪ সালে রাশিয়ায় কর-পরবর্তী আয় (ডিসপোজিবল ইনকাম) বেড়েছে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ, আর বেকারত্বের হার ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। গত দুই বছরে বৈশ্বিক গড়ের দ্বিগুণ হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের কথা উল্লেখ করে রুশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্রয়ক্ষমতার সমতার ভিত্তিতে রাশিয়া এখন বিশ্বের চারটি বৃহত্তম অর্থনীতির একটি। গত বছর আমাদের অর্থনীতি ৪ দশমিক ১ শতাংশ সম্প্রসারণ হয়েছে। দুই বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি ইউরোপের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি।’

ইউক্রেনের আকাশে ফিরতে চায় ইউরোপীয় এয়ারলাইনস

Bonik Barta

হাঙ্গেরিয়ান বাজেট ক্যারিয়ার উইজ এয়ার সম্প্রতি জানিয়েছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলে দ্রুত কিয়েভের সঙ্গে আকাশ যোগাযোগ চালুর পরিকল্পনা করছে। গত মঙ্গলবার কিয়েভ আয়োজিত ‘লজিস্টিকস অ্যাজ আ ড্রাইভার অব ইকোনমিক গ্রোথ’ কনফারেন্সে তথ্য দেন এয়ারলাইনস সংস্থাটির সিইও জোসেফ ভারাদি। এ সময় আকাশ পরিষেবা খাতে ইউক্রেনের বাজারের সম্ভাবনা নিয়েও কথা বলেন তিনি। জোসেফ ভারাদি বলেন, ‘ইউক্রেন পুনরায় ফ্লাইট চালুর আমাদের দৃঢ় পরিকল্পনা রয়েছে। আমি মনে করি এটি যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে। যত তাড়াতাড়ি যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসবে, আমরা পুনরায় ফ্লাইট চালুর দিকে মনোযোগ দেব।’ ইউরোপীয় ইউনিয়ন এভিয়েশন সেফটি এজেন্সির (ইএএসএ) পূর্বাভাস অনুসারে, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইউক্রেনের আকাশসীমা পুনরায় খোলার জন্য ছয়-আট সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। উইজ এয়ারের সিইও জানান, এ সময়সীমার মধ্যে ফ্লাইট চালুর জন্য তারা প্রস্তুতি শুরু করেছেন। জোসেফ ভারাদির তথ্যানুযায়ী, এয়ারলাইনস সংস্থাটি কিয়েভ ও লভিভে অপারেটিং বেস পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে ইউক্রেনীয় বাজারের সঙ্গে যুক্ত ৬০টি রুটে বছরে প্রায় ৫০ লাখ আসন সরবরাহ করতে চাইছে।

যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুর থেকে দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার

Bonik Barta

যুক্তরাজ্য ও সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানি করবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৮৭ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সভায় চাল ও সার কেনাসহ আরো বেশকিছু প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আন্তর্জাতিক কোটেশন প্রক্রিয়ায় স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো এলএনজি আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি। এর মধ্যে সিঙ্গাপুরের গানভর সিঙ্গাপুর প্রাইভেট লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি আমদানিতে ব্যয় হবে ৬৭৫ কোটি ২৮ লাখ ৫৮ হাজার ১১২ টাকা। এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির মূল্য ধরা হয়েছে ১৪ ডলার ৮ সেন্ট। যুক্তরাজ্যের মেসার্স টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেডের কাছ থেকে এক কার্গো এলএনজি ৬৯১ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ২৮৮ টাকায় আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ১৪ ডলার ৫৭ সেন্ট।

এখনো তিন সপ্তাহের সর্বনিম্নের কাছাকাছি ভুট্টার দাম

Bonik Barta

যুক্তরাষ্ট্রে ভুট্টার রোপণ বৃদ্ধির পূর্বাভাস রয়েছে। এ কারণে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) এখনো তিন সপ্তাহের সর্বনিম্নের কাছাকাছি দামে খাদ্যশস্যটি বেচাকেনা হচ্ছে। খবর বিজনেস রেকর্ডার। তবে তিনদিনের মধ্যে গতকাল সিবিওটিতে ভুট্টার দাম কিছুটা বেড়েছে। এ সময় দাম দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি বুশেলের (৬০ পাউন্ড) মূল্য স্থির হয়েছে ৪ ডলার ৫১ সেন্টে। এটি গত বুধবার ৫ মার্চের পর সর্বনিম্নে নেমে গিয়েছিল। সিঙ্গাপুরের এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে কৃষিজমির পরিসংখ্যান প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রকৃত দিকনির্দেশনা পেতে হলে আমাদের এ জমির পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।’ বিশ্লেষকদের মধ্যে রয়টার্সের পরিচালিত এক জরিপ অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের কৃষকরা চলতি বছর ৯ কোটি ৪৩ লাখ ৬১ হাজার একর জমিতে ভুট্টা রোপণ করবেন, যা ২০২৪ সালের ৯ কোটি ৫ লাখ ৯৪ হাজার একরের তুলনায় বেশি।

২৫ শতাংশ শুল্ক গাড়ি আমদানি থেকে ১০০ বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ট্রাম্পের

Bonik Barta

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি ঘোষণার শুরু থেকে আলোচনায় রয়েছে গাড়ি শিল্প। বিষয়টি নিয়ে চলছিল তর্কবিতর্ক। এর মাঝে গত বুধবার হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে আমদানীকৃত গাড়ি ও যন্ত্রণাংশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রযোজ্য হবে, যা স্থানীয় পর্যায়ে উৎপাদনকে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে পূর্বাভাস দিয়েছে, গাড়ির ওপর শুল্ক বাবদ যুক্তরাষ্ট্র বছরে রাজস্ব আহরণ করবে ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলার।‘এটি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে আরো ত্বরান্বিত করবে’ উল্লেখ করে এদিন সাংবাদিকদের রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা কার্যকরভাবে ২৫ শতাংশ শুল্ক আদায় করব।’ হোয়াইট হাউজ বলছে, ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হলে গাড়ি আমদানি থেকে বার্ষিক রাজস্ব হবে ১০ হাজার কোটি ডলার। তবে এতে কিছু জটিলতা রয়েছে। কারণ মার্কিন নির্মাতারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ সংগ্রহ করে। তাই এপ্রিলে এ শুল্ক কার্যকর হলে গাড়ি নির্মাতারা বাড়তি খরচের মুখে পড়বেন এবং কমতে পারে বিক্রি। ট্রাম্পের যুক্তি হলো অতিরিক্ত শুল্ক এড়াতে যুক্তরাষ্ট্রে আরো বেশি কারখানা চালু হবে এবং গাড়ি উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর মধ্যে ছড়িয়ে থাকা ‘অযৌক্তিক’ সরবরাহ চেইনের অবসান ঘটবে। এ ঘোষণার পর বুধবার জেনারেল মোটরসের শেয়ারদরে প্রায় ৩ শতাংশ পতন ঘটে। ফোর্ডের সূচক সামান্য বাড়লেও জিপ ও ক্রাইসলারের প্যারেন্ট প্রতিষ্ঠান স্টেলান্টিসের শেয়ারদর প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমে যায়।

এশিয়ার রেস্তোরাঁর তালিকায় ফের শীর্ষে গগন

Bonik Barta

এশিয়ার সেরা পঞ্চাশ রেস্তোরাঁর তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করেছে ব্যাংককের গগন। সৃজনশীল ফাইন-ডাইনিং অভিজ্ঞতার জন্য পরিচিত রেস্তোরাঁটি ভারতীয় খাবার পরিবেশনে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এর আগে ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে গগন এ পুরস্কার জিতেছিল। গত বছর তালিকায় ছিল তৃতীয় স্থানে। তবে ২০১৯ সালে নতুন অবস্থানে স্থানান্তর ও বিন্যাসগত পরিবর্তনের পর এবারই প্রথম সেরার স্বীকৃতি পেল। সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বসে এশিয়া’স ফিফটি বেস্ট রেস্টুরেন্টের পুরস্কারের আসর। সেখানে পুরস্কার গ্রহণকালে শেফ গগন আনন্দ বলেন, ‘যখন ছোট ছিলাম, কখনো ভাবিনি যে এশিয়া একটি গ্যাস্ট্রোনমিক হাব হতে পারে। আর আজ আমরা কে? আমরা শুধু একটি শহর বা একটি দেশ নই। আমরা এশিয়ার মানুষদের একটি পরিবার, যারা নিজেদের সংস্কৃতি, পরিবার ও রান্নাকে উপস্থাপন করছি।’ দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে হংকংয়ের দুটি রেস্তোরাঁ দ্য চেয়ারম্যান ও উইং। উভয়ই গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ ওপরে উঠে এসেছে (চতুর্থ ও পঞ্চম স্থান থেকে)। উইংয়ের শেফ ভিকি চেং জিতেছেন শেফস চয়েজ অ্যাওয়ার্ড। গত বছর সেরা হয়েছিল টোকিওর ফোর সিজনস হোটেলে অবস্থিত ইংরেজ শেফ ড্যানিয়েল ক্যালভার্টের নিউ-ফ্রেঞ্চ রেস্তোরাঁ সেজান, এটি এবার চতুর্থ স্থানে নেমে এসেছে। কোরিয়ার স্থানীয় উপকরণ ও আন্তর্জাতিক কৌশল ব্যবহার করে আধুনিক কোরিয়ান খাবার পরিবেশনকারী মিঙ্গলস পঞ্চম স্থান ও কোরিয়ার সেরা রেস্তোরাঁ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

পূর্ব অনুমোদিত ১০ লাখ টন চিনি রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না ভারত

Bonik Barta

ভারত চলতি মৌসুমে অনুমোদিত ১০ লাখ টন চিনি রফতানির ওপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করবে না। সংশ্লিষ্ট কিছু সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী দেশ ভারত। বাজারে চিনির পর্যাপ্ত উদ্বৃত্ত আছে বলে সম্প্রতি ধারণা করেছিলেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এ কারণে জানুয়ারিতে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১০ লাখ টন চিনি রফতানির অনুমোদন দিয়েছিল দেশটি। তবে পরবর্তী সময়ে শিল্প সংস্থাগুলো চলতি বছরের জন্য চিনি উৎপাদনের পূর্বাভাস কমায়। এতে সরবরাহ সংকট ও রফতানির ওপর সম্ভাব্য বিধিনিষেধ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও ইথানল উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তাই সরকার মিলগুলোকে চিনি রফতানির অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এক সূত্র বলেন, ‘রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের কোনো কারণ নেই। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আমাদের কাছে চলতি ও আগামী বছরের জন্য পর্যাপ্ত মজুদ থাকবে।’ সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর ভারতে মোট চিনি উৎপাদন হতে পারে ২ কোটি ৬৪ লাখ টন। ভারতে এ সময় অভ্যন্তরীণ চাহিদা থাকতে পারে ২ কোটি ৮০ লাখ টন। তবে ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর মৌসুম শুরুর সময় দেশটিতে ৮০ লাখ টন চিনির মজুদ ছিল। সূত্রের দেয়া তথ্যানুযায়ী, ৫৪ লাখ টন চিনির সমাপনী মজুদ নিয়ে ভারত আগামী মৌসুম শুরু করবে। এটি দুই মাসেরও বেশি সময়ের জন্য অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট হবে। অন্য এক সূত্র জানায়, ভারত সরকার মার্চে মিলগুলোকে ২৩ লাখ টন চিনি বিক্রির অনুমতি দিয়েছে। তবে এর পুরোটাই সরবরাহ করা হবে না। এ প্রবণতা মূলত বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি তার স্পষ্ট ইঙ্গিত।