28-Jan-2026

Thursday 29 January 2026

30-Jan-2026

২৮ হাজার কোটি ডলার এফডিআই পেয়েছে সৌদি আরব

Bonik Barta

সৌদি আরবে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) গত বছরের প্রথম তিন প্রান্তিক (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) শেষে ১ লাখ ৫ হাজার কোটি রিয়াল বা ২৮ হাজার কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থে পৌঁছেছে। অর্থের এ পরিমাণ ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। খবর আরব নিউজ। সৌদি কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসএএমএ প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, তিন প্রান্তিকে সৌদি আরবে সম্মিলিতভাবে বৈদেশিক বিনিয়োগ আগের বছরের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়ে ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি রিয়ালে পৌঁছেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এফডিআই খাতে এ প্রবৃদ্ধি দীর্ঘমেয়াদি বৈদেশিক মূলধন আকর্ষণে সৌদি আরবের প্রচেষ্টার প্রতিফলন। দেশটির উচ্চাভিলাষী অর্থনৈতিক লক্ষ্য ‘ভিশন ২০৩০’ কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বিদেশীদের বিনিয়োগে উৎসাহদান। মূলত জ্বালানি তেল-বহির্ভূত খাত বৈচিত্র্যায়ণে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ পরিকল্পনার অধীনে ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলার এফডিআই আশা করছে সৌদি আরব

রাষ্ট্রের অর্থ পাচার ও ঘুস লেনদেনের বড় উৎস দেড় লাখ কোটি টাকার জ্বালানি আমদানি

Bonik Barta

বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ের সবচেয়ে বড় খাত জ্বালানি। গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) এ খাতের পণ্য আমদানিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। পরিশোধিত ও অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, এলএনজি, এলপিজি ও কয়লা আমদানিতে এ বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের গত দেড় দশকের শাসনামলে বিপুল ব্যয়ের এ আমদানি খাতকে ঘিরে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। নির্দিষ্ট কিছু ট্রেডিং কোম্পানি, রাজনৈতিক নেতা ও মধ্যস্বত্বভোগীকে ঘিরে আবর্তিত হয় সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, কমিশন বা ফির নামে জ্বালানি পণ্য আমদানিতে ঘুস বাণিজ্য হয়েছে বড় অংকের অর্থের। এ ঘুস বাণিজ্যের বড় অংশ পরিশোধ হয়েছে বিদেশে। ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয় আওয়ামী সরকার, দলটির রাজনৈতিক নেতারা পালিয়ে যান। জ্বালানি পণ্য আমদানিতে তাদের এসব দুর্নীতি-অনিয়ম অন্তর্বর্তী সরকার খতিয়ে দেখবে এমন প্রত্যাশা ছিল খাতসংশ্লিষ্টদের। কিন্তু বর্তমানে জ্বালানি খাতে ক্রয়, আমদানির ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও উন্মুক্ততা তৈরি করা হলেও জ্বালানি পণ্য আমদানি ব্যয় বাড়ার পাশাপাশি এ খাতে বিভিন্ন মহলের সিন্ডিকেট তৎপরতা আগের চেয়ে বেড়েছে বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

Soaring aid repayments create fiscal pressure

The Financial Express

Bangladesh is facing a fiscal squeeze as foreign aid receipts declined during the first half (H1) of the current fiscal year, while the burden of repaying international debts reached new heights. The country now faces a new challenge marked by a significant drop in new funding commitments and escalating debt servicing bills, according to provisional data from the Economic Relations Division (ERD). As inflow slows, the cost of servicing the existing debt is rising rapidly. Debt servicing payments jumped by 26.40 per cent to $1.98 billion in the first half of FY26, the ERD data shows. Due to currency depreciation and rising interest rates, the cost in domestic currency skyrocketed by 37.32 per cent, reaching Tk 236.75 billion compared to Tk 172.41 billion in the previous fiscal year.Rising global interest rates and continued pressure on the exchange rate have been cited as the primary reasons for the Tk 64.35 billion increase in repayment costs.

Bangladesh’s foreign debt repayment tops $2bn in first half of FY

The Financial Express

Bangladesh’s foreign debt repayment crossed the $2 billion mark in the first six months of the current fiscal year (FY), as the government continues to face mounting pressure from rising external liabilities. According to the latest updated report published by the Economic Relations Division (ERD) on Wednesday, Bangladesh repaid a total of $2.19 billion—equivalent to $2.195 billion—towards principal and interest payments between July and December of the ongoing fiscal year. This amount is $210 million higher than the repayment made during the same period of the previous fiscal year, UNB reports. The report highlights that external debt servicing has been increasing steadily over the past several years.

MPS declaration deferred over inflation issue

Bonik Barta

The announcement of the Monetary Policy Statement (MPS) for the second half of the current fiscal year (FY26), scheduled for today, has been postponed. The reason for postponement, according to BB officials concerned, is that some central bank board members have sought to know the reasons behind the failure of the tight monetary stance to lower inflation. The central bank was scheduled to publicly unveil the MPS through a press conference today. Some BB board members at Tuesday's board meeting raised questions about why the inflation-containment target has not been achieved despite the continuation of a tight monetary policy stance since October 2024, and sought detailed clarification from the monetary policy department of the central bank, BB officials involved in the MPS said.

No more credit squeeze with tightfisted monetary policy

The Financial Express

Planning Adviser Prof Wahiduddin Mahmud has said it is time to make a review of the tight monetary policy stance, for the same has not worked as desired. "There is no longer much need to control inflation by reducing credit flow through monetary policy by simply increasing interest rates. Inflation will already come down somewhat," he told a seminar Wednesday. "And the current high interest rate is mainly affecting working capital, because investment is not happening much," said the economics professor at the meet of economic reporters. He sees not much of a problem for big businessmen in terms of working capital. "But outside that sector, interest rates have become a big expense in other domestic sectors."

ভারত থেকে দুই মাস পর বেনাপোল স্থলবন্দরে এল ৫১০ টন চাল

Bonik Barta

ভারত থেকে দুই মাস পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে চারটি চালানে ৫১০ টন নন-বাসমতী সেদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। আনুষ্ঠানিকতা শেষে গতকাল এসব চাল খালাস করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১৪টি ট্রাকে আসা চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করে। বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) মো. শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। চাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। আমদানি করা চাল ছাড়করণের জন্য কাজ করছেন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মেসার্স ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ। এবার দেশের বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাস্টমস থেকে ছাড়ের সুযোগ দিয়েছে সরকার।

অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে বোয়িংয়ের বিক্রি বেড়েছে ৫৭ শতাংশ

Bonik Barta

২০২৫ সালের চতুর্থ প্রান্তিকে (অক্টোবর-ডিসেম্বর) মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা বোয়িংয়ের বিক্রি বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়ে ২ হাজার ৩৯০ কোটি ডলার আয় করেছে কোম্পানিটি। এছাড়া বছরজুড়ে ২০১৮ সালের পর সর্বোচ্চসংখ্যক উড়োজাহাজ হস্তান্তর করেছে বোয়িং, একে কয়েক বছর ধরে সংকটে থাকা কোম্পানিটির ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত বলে মন্তব্য করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর কর্মীদের উদ্দেশে বোয়িংয়ের সিইও কেলি অর্টবার্গ বলেন, ‘২০২৬ সাল নিয়ে আশাবাদী হওয়ার মতো অনেক কিছু রয়েছে।’ খবর সিএনবিসি

উন্নয়ন সহযোগী চার দেশ থেকে ঋণের কোনো প্রতিশ্রুতি নেই

Bonik Barta

সংকট কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছেছে বলে অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হলেও বৈদেশিক ঋণের প্রতিশ্রুতি ও অর্থছাড় দুটি কমেছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের (জুলাই-ডিসেম্বর) প্রথম ছয় মাসে দেশে ঋণের প্রতিশ্রুতি এসেছে ১৯৯ কোটি ডলার, যা গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে ছিল প্রায় ২২৯ কোটি ৮৭ লাখ ডলার। গত ছয় মাসে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী চার দেশ থেকে মেলেনি ঋণের কোনো প্রতিশ্রুতি। এ সময় দেশগুলো থেকে ঋণের অর্থছাড় হলেও তা আগের অর্থবছরের তুলনায় কম। গত ছয় মাসে বাংলাদেশে ঋণের অর্থ এসেছে ২৪৯ কোটি ৯৭ লাখ ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছে ৩৫৩ কোটি ২৪ লাখ ডলার। উন্নয়ন সহযোগী ও উন্নয়ন সংস্থা থেকে ঋণের প্রতিশ্রুতি এবং অর্থছাড় কমার পেছনে দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নির্বাচিত সরকারের অনুপস্থিতিকে কারণ হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।

ইইউতে পেট্রলচালিত গাড়িকে ছাড়িয়ে গেল ইভি বিক্রি

Bonik Barta

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অটোমোবাইল বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। গত ডিসেম্বরে প্রথমবারের মতো অঞ্চলটিতে পেট্রলচালিত গাড়ির তুলনায় পুরোপুরি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি (ইভি) বিক্রি বেশি হয়েছে। সাম্প্রতিক এক পরিসংখ্যান অনুসারে, কার্বন নিঃসরণসংক্রান্ত নিয়ম শিথিল করতে কোম্পানিগুলোর প্রস্তাব সত্ত্বেও বাজারে পরিবেশবান্ধব গাড়ির চাহিদা বেড়েছে। খবর রয়টার্স। ইউরোপীয় গাড়ি নির্মাতাদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন ডি কনস্ট্রাক্টরস ইউরোপিয়ান ডি অটোমোবাইলের (এসিইএ) প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন ব্র্যান্ড টেসলা ইউরোপের বাজারে শেয়ার হারাচ্ছে।

ছয় মাসে ৩০০ কোটি টাকার বেশি নিট মুনাফা করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম

Bonik Barta

জ্বালানি খাতের রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ৩০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছে। এর আগে সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের একই সময়ে কোম্পানিটি ৩০১ কোটি ৫ লাখ টাকা নিট মুনাফা করেছিল। কোম্পানিটির চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথম ছয় মাসে মেঘনা পেট্রোলিয়ামের পেট্রোলিয়াম পণ্য বিক্রি করে গ্রস আয় হয়েছে ১২৮ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১৩৩ কোটি ৩০ লাখ টাকা। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৮ টাকা ৫৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ২৭ টাকা ৮২ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২৮৭ টাকা ১০ পয়সায়।

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ পাবেন: গভর্নর

The Business Standard

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা আমানতে সর্বোচ্চ ৯.৫ শতাংশ সুদ পাবেন: গভর্নর বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।২০২৬ সাল থেকে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা আমানতের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৯ দশমিক ৫ শতাংশ হারে সুদ পাবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের এই সুদের হার বাজারভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক।একই সঙ্গে তিনি জানান, ২০২৪ ও ২০২৫ সালের জন্য আমানতকারীরা ৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। কারণ, এই দুই বছরে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি ব্যাংকই বড় অঙ্কের লোকসানে ছিল। ইসলামী ব্যাংকিং নীতিমালা অনুযায়ী ব্যাংক লোকসানে থাকলে আমানতকারীদের মুনাফা পাওয়ার কথা নয়। তবে সরকার অনুকম্পা হিসেবে ৪ শতাংশ হারে মুনাফা দিচ্ছে। এতে মোট ব্যয় হবে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।

অর্থনীতি নিয়ে মার্কিনদের আস্থাহীনতা ২০১৪ সালের পর সর্বোচ্চে

Bonik Barta

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি নিয়ে দেশটির সাধারণ মানুষের আস্থা হঠাৎ তীব্রভাবে কমে গেছে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা যাচ্ছে, ২০১৪ সালের পর তারা কখনো এতটা আস্থাহীনতায় ভোগেনি। আয় ও ভবিষ্যৎ আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা মার্কিন ভোক্তাদের উদ্বেগের মাঝে রেখেছে। এ নাজুক পরিস্থিতির অনুঘটক হিসেবে কাজ করছে মূল্যস্ফীতি, জীবনযাত্রার ব্যয়, শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা এবং রাজনৈতিক ও বাণিজ্যসংক্রান্ত অস্থিরতা। সব মিলিয়ে মার্কিন অর্থনীতির বাস্তব চিত্র ও মানুষের অনুভূতির মধ্যে একধরনের গভীর বৈপরীত্য স্পষ্ট হয়ে উঠছে জরিপে। খবর এপি। সর্বশেষ এক বছরে মার্কিন অর্থনীতি বড় আকারে সম্প্রসারণ হয়েছে। এতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে দেশটির প্রযুক্তি কোম্পানিকেন্দ্রিক শেয়ারবাজার সূচকগুলোর ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা। যা চলতি বছরের শুরু থেকে বিদ্যমান রয়েছে। কিন্তু কনফারেন্স বোর্ডের জরিপে দেখা যাচ্ছে, দেশটিতে ভোক্তা আস্থা হঠাৎ করে অনেকটাই কমে গেছে। আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়তে থাকায় সূচকটি এক যুগের বেশি সময়ের মধ্যে সবচেয়ে নিচের স্তরে নেমে এসেছে।

মধ্য আয়ের ফাঁদে না আটকে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে হবে

Bonik Barta

মধ্য আয়ের ফাঁদে না আটকে উদ্ভাবনী শক্তি বাড়াতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবং ব্র্যাকের চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান। গতকাল ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ডিআইইউ) ১৩তম সমাবর্তনে তিনি এ মন্তব্য করেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক ভিত্তি আর কোনো বিতর্কের বিষয় নয়। একজন অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী হিসেবে বলতে চাই—এ পর্যন্ত যেসব পরিসংখ্যানের ওপর আমরা নির্ভর করেছি, সেগুলো ভবিষ্যতের প্রকৃত চ্যালেঞ্জকে পুরোপুরি তুলে ধরে না। আমরা যেন ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদে’ আটকে না যাই। এজন্য প্রয়োজন এমন কর্মশক্তি, যারা কেবল নির্দেশ পালন করবে না, বরং উদ্ভাবন, সৃজনশীল সম্পৃক্ততা ও আন্তর্জাতিক মানের কর্মনৈতিকতার মাধ্যমে সমাধান করবে।’

এক বছরে প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা

Bonik Barta

২০২৫ সালে দেশে থাকা প্রিয়জনের বিকাশ অ্যাকাউন্টে ২০ হাজার কোটি টাকার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। ৪১ লাখ বিকাশ অ্যাকাউন্টে এ টাকা গ্রহণ করেছেন প্রবাসীর প্রিয়জনরা, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। ২০২৫ সালে দেশে রেকর্ড পরিমাণ প্রায় ৩৩ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে, একই সময়ে এমএফএসের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমাণ বেড়েছে ৯০ শতাংশেরও বেশি।

Taka appreciates with trade implications

The Financial Express

Bangladesh's exports are set to lose competitiveness to foreign buyers while imports getting cheaper as the local currency appears increasingly overvalued in the foreign-exchange basket in real terms. Economists explain that this economic paradox appears for sluggish import demand, weak private-sector credit growth, and stubbornly higher inflation on the economy. Bangladesh Bank's latest data show the real effective exchange rate (REER) of the taka against the globally losing US dollar climbed to 106.37 in November, remaining almost same with October figure. This REER rise signals that the local currency remains stronger than its equilibrium level.

মার্কিন ব্যাংক খাত হারাতে পারে ৫০ হাজার কোটি ডলারের আমানত

Bonik Barta

স্টেবলকয়েন হিসেবে পরিচিত ডলার-সমর্থিত ক্রিপ্টো টোকেন দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে ২০২৮ সালের শেষ নাগাদ মার্কিন ব্যাংক খাত প্রায় ৫০ হাজার কোটি ডলার আমানত হারাতে পারে। এটি ডিজিটাল সম্পদ খাত ঘিরে ব্যাংক ও ক্রিপ্টো কোম্পানিগুলোর মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বকে আরো তীব্র করতে পারে। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে ব্যাংক খাতের জায়ান্ট স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড। খবর রয়টার্স। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ডের ডিজিটাল অ্যাসেটস রিসার্চ বিভাগের বৈশ্বিক প্রধান জিওফ কেনড্রিক বলেন, ‘আমানতের স্টেবলকয়েনে রূপান্তরের ঝুঁকিতে সবচেয়ে বেশি থাকবে যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক ব্যাংকগুলো।’

সিডিবিএল ও সঞ্চয়পত্রকে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ

Bonik Barta

দেশের পুঁজিবাজারে পণ্য বৈচিত্র্যকরণের কথা দীর্ঘদিন ধরে বলা হলেও সেটির বাস্তবায়ন দেখা যায়নি। এ অবস্থায় সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল) এবং সরকারের সঞ্চয়পত্রকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। গতকাল অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এতে সভাপতিত্ব করেন। সভা সূত্রে জানা গেছে, সিডিবিএলকে তালিকাভুক্তির জন্য কী করণীয় সে বিষয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ও সিডিবিএলের চেয়ারম্যান তপন চৌধুরীকে উদ্যোগ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এক যুগ আগে একবার সিডিবিএলকে তালিকাভুক্তির জন্য উদ্যোগ নেয়া হলেও সেই সময় নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অনুমোদন মেলেনি।