ব্রিটেনে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ঝুঁকছে রেকর্ডসংখ্যক পরিবার
Bonik Barta
ইরান সংকটের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম আকাশচুম্বী হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় যুক্তরাজ্যের সাধারণ মানুষ এখন বিকল্প পথে হাঁটছে। জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশটিতে রেকর্ডসংখ্যক পরিবার এখন নবায়নযোগ্য জ্বালানি বা ‘গ্রিন এনার্জি’র দিকে ঝুঁকছে। খবর দ্য গার্ডিয়ান। শীর্ষস্থানীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যানুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই সৌর প্যানেল, বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি এবং হিট পাম্পের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়েছে।
মধ্যপ্রাচ্য সংকট: আরও বাড়তে পারে সুদ-ভর্তুকি-প্রণোদনা ব্যয়
The Financial Express
আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অংশ ব্যয় হতে যাচ্ছে। এ খাতে মোট বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা, যা বাড়তে পারে বিশেষ করে জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে।
অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মোট ৯ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার প্রস্তাবিত বাজেটের প্রায় ২৭ দশমিক ৮৬ শতাংশই এই খাতে ব্যয় হবে। এটি চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের ২ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকার তুলনায় প্রায় ৭ দশমিক ৯৯ শতাংশ বেশি। কর্মকর্তারা বলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা থাকায় জ্বালানি আমদানি ব্যয় দ্বিগুণ হতে পারে এমন সম্ভাবনা বিবেচনায় নিয়ে ভর্তুকির হিসাব এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। উপসাগরীয় অঞ্চলের সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সার খাতে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দের প্রয়োজন হতে পারে। এদিকে মূল্যস্ফীতি না কমলে এবং আর্থিক খাতে তারল্য সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে অভ্যন্তরীণ ঋণের ওপর সুদের চাপ আরও বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
Bangladesh's economy to grow 4.7% in FY26, slow further to 4.3% in FY27: IMF
The Business Standard
The International Monetary Fund (IMF) today (14 April) projected that Bangladesh's gross domestic product (GDP) will grow by 4.7% in the current fiscal year (FY26), before slowing to 4.3% in FY27. The FY26 growth forecast remains unchanged from the IMF's January projection. Bangladesh's inflation is now expected to rise to 9.2% in FY26, higher than the earlier estimate of 8.9%.
৩ হাজার কোটি টাকার ভাতা পৌঁছে দিয়েছে ‘নগদ’
Bonik Barta
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি সরকারি বিভিন্ন ভাতা পৌঁছে দেয়ার তথ্য দিয়েছে মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) ‘নগদ’। কোম্পানিটি গতকাল এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৯ জন সুবিধাভোগী সরকারি ভাতা ও উপবৃত্তি পাওয়ার জন্য নগদ ব্যবহার করেছেন। এ প্রান্তিকে সুবিধাভোগীরা বেশ কয়েকটি ভাগে নগদের মাধ্যমে মোট ৩ হাজার ৪৯ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ টাকার সরকারি সহায়তা পেয়েছেন।
সরকারি ভাতা পেতে দেড় কোটি সুবিধাভোগীর পছন্দ নগদ
Bonik Barta
সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় ভাতা ও উপবৃত্তি বিতরণে মোবাইল আর্থিক সেবা নগদকে পছন্দ করেছেন দেড় কোটির বেশি সুবিধাভোগী। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময় নগদের মাধ্যমে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি সরকারি সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকে মোট ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩৪ হাজার ৭৭৯ জন সুবিধাভোগী বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তিসহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধা গ্রহণের জন্য নগদকে প্রথম পছন্দ হিসেবে বেছে নেন। এ সময়ে তারা মোট ৩ হাজার ৪৯ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৫০৯ টাকা নগদের মাধ্যমে গ্রহণ করেন।
ইলিশ উৎপাদন দুই বছরের ব্যবধানে কমেছে ১২ শতাংশ
Bonik Barta
জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবসহ মানবসৃষ্ট নানা কারণে দেশে কমছে ইলিশ উৎপাদন। দুই বছরের ব্যবধানে এ মাছের উৎপাদন ১২ দশমিক ৪৯ শতাংশ কমেছে, পরিমাণের হিসাবে যেটি ৭১ হাজার টনের বেশি। দুই দশকের মধ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরে রেকর্ড ৫ লাখ ৭১ হাজার টনের বেশি ইলিশ উৎপাদন হয়েছিল। এরপর টানা দুই বছরে সেটি কমে গত অর্থবছরে পাঁচ লাখ টনে নেমে এসেছে। বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, অতিরিক্ত ও বেআইনি আহরণ, ইলিশের অভয়াশ্রম ও প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস হওয়া, কারেন্ট জাল ব্যবহার, নদীতে চর, দূষণসহ সাগরে মৎস্য আহরণের নিষিদ্ধ সময়ের ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘ ব্যবধানের কারণে এমনটি ঘটে থাকতে পারে। অবশ্য তারা বলছেন, প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়ে দেশে আবারো ইলিশের উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।