Structural ills, slow investment and inflation stymie economic recovery
The Financial Express
Bangladesh's economy has avoided a catastrophic collapse over the past year following the interim government's decisive actions, but entrenched structural weaknesses, slow private investment, and persistent inflation impede long-term recovery. As economists, experts and a top politician made such observations at a high-profile policy dialogue Sunday in Dhaka, the central bank's governor listed improvements in some of the country's macroeconomic parameters and rolled out a slew of reforms coming in the banking sector for an overhaul. The Centre for Policy Dialogue (CPD) organised the discussion, titled '365 Days of the Interim Government', at Lakeshore Hotel. Labour and Shipping Adviser Brig-General (retd) M Sakhawat Hossain attended the meet as chief guest, while CPD Distinguished Fellow Professor Mustafizur Rahman presided. Bangladesh Bank Governor Dr Ahsan H Mansur painted a stark picture of the economy that the interim administration inherited. "The banking sector was right at the edge of the cliff when we took office," he said, adding that stabilising the macroeconomic condition and initiating financial-sector reforms became immediate priorities.
Bangladesh Bank buys $83m from 11 banks to keep dollar stable at Tk 121.50
The Financial Express
Bangladesh Bank has purchased US $83 million from 11 commercial banks through a multiple-price auction to keep the foreign exchange market stable. The exchange rate for the transaction ranged from Tk 121.47 to Tk 121.50, with the cut-off rate set at Tk 121.50. Arif Hossain Khan, an Executive Director and spokesperson for Bangladesh Bank, confirmed the purchase on Sunday. He stated that out of the total, $12 million was bought at a rate of Tk 121.47, while the remaining $71 million was acquired at Tk 121.50. A senior central bank official described the purchase as a “normal process” and a strategic move to manage the market. “The governor has stated on multiple occasions that the central bank will buy dollars from the market if necessary. The bank will also sell dollars to commercial banks based on demand. This is a strategic step to control the market,” the official said. This recent purchase follows similar actions on July 23. The central bank bought $10 million at a rate of Tk 121.95. Additionally, in auctions on July 13 and 15, it acquired $173 million and $313 million, respectively, at a rate of Tk 121.50.
Dhaka-Washington tariff deal can be changed or cancelled by the next government: Adviser Khalilur
The Financial Express
Bangladesh has negotiated an agreement with the US government with the provision that the next elected government could make required changes or cancel any, said National Security Adviser to the interim government Dr Khalilur Rahman. He said the negotiations, which are still going on, are based on three principles. "We are negotiating with President Trump's government an agreement that is revocable," he said while addressing the welcome reception programme by the Bangladesh Textile Mills Association (BTMA).
BTMA organised the welcome reception at Gulshan Club on Sunday in the city to congratulate the Bangladesh team led by Commerce Adviser Sk Bashir Uddin that successfully negotiated to reduce the reciprocal tariff to 20 per cent from 35 per cent. "...We have negotiated on three principles," Mr Rahman said, explaining the first is that they are not an elected government and they are not going to obligate the next government. "The next government must have the power to make changes, modifications, or cancel." The second is that they take the responsibility they can fulfil, he said, adding that if they fail to meet any commitments, the US will cancel this agreement and charge Bangladesh 37 per cent tariffs.
Govt to shut 3 border land ports with India, suspend operations at another
The Business Standard
The government has decided to shut three unprofitable land ports on the Bangladesh-India border and suspend operations at another, citing the absence of trade, immigration activities and basic infrastructure.
The ports to be closed are Chilahati in Nilphamari, Doulatganj in Chuadanga, and Tegamukh in Rangamati, all under the Bangladesh Land Port Authority. Officials said the ports have no commercial prospects, and that closing them would prevent wasteful investment.
Meanwhile, operations at the Balla land port in Habiganj, will be put on hold due to a lack of facilities on the Indian side. The decision was taken on 28 July at an inter-ministerial meeting chaired by planning ministry Adviser Dr Wahiduddin Mahmud, in presence of officials from the Planning Division, shipping ministry, National Board of Revenue, Bangladesh Trade and Tariff Commission and other related agencies.
These four land ports are among eight identified as unprofitable and inactive. These also include Nakugaon in Sherpur, Gobrakura-Koroitoli in Mymensingh, Dhanua Kamalpur in Jamalpur, and Birol in Dinajpur.
ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টায় এক্সিম ব্যাংক
Bonik Barta
তারল্য সংকটের কারণে ব্যাংক এশিয়া পিএলসির কাছ থেকে প্রায় ৩৮৯ কোটি টাকা ধার নিয়েছিল তালিকাভুক্ত এক্সপোর্ট ইমপোর্ট (এক্সিম) ব্যাংক অব বাংলাদেশ পিএলসি। নির্ধারিত সময়ে ধারের টাকা পরিশোধ না করায় দুই ব্যাংকের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয় এবং ব্যাংক এশিয়া অর্থঋণ আদালতে মামলা করে। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য ব্যাংকটির সঙ্গে সমঝোতার চেষ্টা করছে এক্সিম ব্যাংক। ৯ আগস্ট ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পাঠানো চিঠির জবাবে এ তথ্য জানিয়েছে ব্যাংকটি। তথ্যানুসারে, সম্প্রতি ‘এক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ক্রোকের নির্দেশ’ শিরোনামে একটি সংবাদ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএসই থেকে পাঠানো চিঠির জবাবে ব্যাংকটি জানিয়েছে, আন্তঃব্যাংক প্লেসমেন্টের আওতায় ব্যাংক এশিয়া ঋণ দিয়েছিল। তবে অর্থ আদায়ে তারা আদালতের আশ্রয় নেয়, যা স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমের বাইরে। বিষয়টি নিয়ে দুই ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতার চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি প্রতিষ্ঠানের ওপর কোনো আর্থিক প্রভাব ফেলবে না।
উল্লেখ্য, এক বছর আগে ব্যাংক এশিয়ার কাছ থেকে ৩৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২৬ হাজার ৯৪৪ টাকার ঋণ নেয় এক্সিম ব্যাংক। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও এক্সিম ব্যাংক সেই টাকা পরিশোধ করতে পারেনি। ওই ঋণ আদায়ের জন্য ঢাকার ৫ নম্বর অর্থঋণ আদালতে মামলাটি করে ব্যাংক এশিয়া। ৪ আগস্ট বিচারপতি মুজাহিদুর রহমান এক্সিম ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় অস্থায়ীভাবে ১৫ দিনের জন্য জব্দের আদেশ দেন। ২১ আগস্ট আদালতে এক্সিম ব্যাংকের জবাব দাখিলের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।
১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে তুরস্কের জিডিপি
Bonik Barta
২০০২ সালে তুরস্কের জিডিপি ছিল ২৩৮ বিলিয়ন, যা গত বছর বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ১ দশমিক ৩২ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি ডলার। দেশটির বাণিজ্যমন্ত্রী ওমের বেলাত এসব তথ্য উল্লেখ করে জানান, চলতি বছরের শেষ নাগাদ তুরস্কের জিডিপি ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন বা ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার অতিক্রম করতে পারে। ইস্তানবুলে সম্প্রতি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এ কে পার্টি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে ২২ বছরে তুরস্কের অর্থনীতি বার্ষিক ৫ দশমিক ৩ শতাংশ হারে সম্প্রসারণ হয়েছে।’
ডজের লাইনআপে নতুন দুই মাসল কার
Bonik Barta
স্টেলান্টিসের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ডজ ২০২৬ মডেল বর্ষের লাইনআপে নতুন দুটি মাসল কারের ঘোষণা দিয়েছে; যেখানে থাকছে কাস্টমাইজেশনের বড়সড় সুযোগ। যাকে বিজ্ঞাপনী ভাষায় বলা হচ্ছে, ইট’স অ্যাবাউট চয়েজ। দুই মডেলের একটি হলো তিন সারির আসনবিশিষ্ট ডজ ডুরাঙ্গো এসআরটি হেলক্যাট জেলব্রেক, এতে রয়েছে ৭১০-হর্সপাওয়ারের হেমি ভি-এইট ইঞ্জিন। এ মডেলে চাকা, আসনের রঙ, সিটবেল্টের রঙ, বাহ্যিক রঙ ও নকশাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মোট ৬০ লাখের বেশি সম্ভাব্য কনফিগারেশন থাকছে। এমনকি ৫, ৬ বা ৭ আসনেও গাড়ির রূপান্তর করা যাবে। ডজের দ্বিতীয় মডেলটি হলো চার্জার স্ক্যাট প্যাক। এতে রয়েছে সিক্সপ্যাক টুইন-টার্বো ইনলাইন-সিক্স ইঞ্জিন। চার্জারে হাই-আউটপুট ও স্ট্যান্ডার্ড-আউটপুট দুটি সংস্করণ পাওয়া যাবে। মডেলটি দুই দরজার কুপ বা চার দরজার সেডান উভয় সংস্করণেই বাজারে আসবে। ডজের সিইও ম্যাট ম্যাকএলিয়ারের মতে, নতুন প্রজন্মের এ চার্জার লাইনআপ একই ধাঁচের যেকোনো মাসল কারের মধ্যে সর্বাধিক হর্সপাওয়ার ও টর্ক এবং সবচেয়ে চওড়া। পুরস্কারজয়ী ইন্টেরিয়রের পাশাপাশি গ্রাহকদের চাহিদামতো সাজসজ্জা বেছে নেয়ার স্বাধীনতা তো রয়েছেই। নতুন মাসল কারগুলো ডজের অফার তালিকায় যুক্ত হচ্ছে মিশিগানের রেসিং ইভেন্ট রোডকিল নাইটসের দশম বার্ষিকীর একদিন আগে। ৪২০ হর্সপাওয়ারের চার্জার আর/টির প্রারম্ভিক দাম হবে ৪৯ হাজার ৯৯৫ ডলার।
দেশের প্রথম এসএমই প্রিপেইড কার্ড চালু করল মাস্টারকার্ড, এমটিবি ও সেবা পে
Bonik Barta
মাস্টারকার্ড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) ও সেবা পে যৌথভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের (এসএমই) জন্য বাংলাদেশের প্রথম ‘কম্প্যানিয়ন প্রিপেইড কার্ড’ চালু করেছে। এ উপলক্ষে গতকাল আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. জাকির হোসেন চৌধুরী। এ সময় বক্তব্য দেন এমটিবির এমডি ও সিইও সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, সেবা পের চেয়ারম্যান আদনান ইমতিয়াজ হালিম এবং মাস্টারকার্ড বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন এসএমই ফাউন্ডেশনের এমডি আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালক (এসএমইএসপিডি) নওশাদ মোস্তফা, এমটিবির ডিএমডি শাফকাত হোসেন ও কার্ড বিভাগের প্রধান আবু বকর সিদ্দিক, মাস্টারকার্ডের পরিচালক জাকিয়া সুলতানা ও মার্চেন্ট অ্যান্ড কমার্স লিড জুবায়ের হোসেন, সেবা প্লাটফর্ম লিমিটেডের চেয়ারম্যান রায়হান শামসি ও সেবা ফিনটেকের এমডি ইলমুল হক সজীবসহ সংশ্লিষ্টরা।
স্পট মার্কেটে যাচ্ছে গ্রামীণফোন
Bonik Barta
টেলিযোগাযোগ খাতের বহুজাতিক কোম্পানি গ্রামীণফোন লিমিটেডের শেয়ার আজ ও আগামীকাল স্পট মার্কেটে লেনদেন হবে। এ সময় কোম্পানিটির ব্লক মার্কেটের শেয়ারও স্পট সেটলমেন্ট সাইকেলের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হবে। আগামী বুধবার রেকর্ড ডেট-সংক্রান্ত কারণে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, গ্রামীণফোনের পর্ষদ চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক (এপ্রিল-জুন) ও প্রথমার্ধের (জানুয়ারি-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১০ শতাংশ অন্তর্বর্তী নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট ১৩ আগস্ট। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে গ্রামীণফোনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ২১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৬ টাকা ২৯ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪২ টাকা ১৫ পয়সায়। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের মোট ৩৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে গ্রামীণফোনের পর্ষদ। এর মধ্যে ১৭০ শতাংশ চূড়ান্ত ও ১৬০ শতাংশ অন্তর্বর্তী লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৬ টাকা ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ টাকা ৪৯ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৭ টাকা ৯৫ পয়সায়।
দেড় শতাংশ পয়েন্ট হারিয়েছে ডিএস-৩০ সূচক
Bonik Barta
দেশের পুঁজিবাজারে গতকাল অধিকাংশ বড় মূলধনি কোম্পানির শেয়ারে দরপতন হয়েছে। এর প্রভাবে সূচকে নিম্নমুখিতা পরিলক্ষিত হয়েছে। এদিন দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নির্বাচিত কোম্পানির সূচক ডিএস-৩০ প্রায় ১ দশমিক ৫০ শতাংশ পয়েন্ট হারিয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, গতকাল লেনদেনের শুরুতে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও শেষ দিকে পয়েন্ট হারায় সূচক। দিন শেষে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৫৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩৫১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএস-৩০ সূচক দিনের ব্যবধানে ৩১ দশমিক ১ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৬৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। এদিন শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ৮ দশমিক ১ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১৬২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। গতকাল সূচকের পতনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে স্কয়ার ফার্মা, ব্র্যাক ব্যাংক, বেক্সিমকো ফার্মা, বিএসআরএম লিমিটেড ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার। ডিএসইতে গতকাল ৭৬০ কোটি ৬৫ লাখ টাকার সিকিউরিটিজ লেনদেন হয়েছে, আগের কার্যদিবসে যা ৭০৬ কোটি ৪১ লাখ টাকা। সে হিসাবে একদিনের ব্যবধানে লেনদেন বেড়েছে ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ। এদিন লেনদেন হওয়া ৪০১টি কোম্পানি, মিউচুয়াল ফান্ড ও করপোরেট বন্ডের মধ্যে দিন শেষে দর বেড়েছে ১০৯টির, কমেছে ২৪৭টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৪৫টির বাজারদর।
খাতভিত্তিক লেনদেনচিত্রে দেখা যায়, গতকাল ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ দখলে নিয়ে শীর্ষে অবস্থানে ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে নিয়েছে ব্যাংক খাত।
১৩ দশমিক ২ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। প্রকৌশল খাত ৮ দশমিক ৪ শতাংশ লেনদেনের ভিত্তিতে চতুর্থ স্থানে ছিল। আর পঞ্চম অবস্থানে থাকা খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের দখলে ছিল লেনদেনের ৭ দশমিক ৮ শতাংশ।
কারণ ছাড়াই বাড়ছে দুই কোম্পানির শেয়ারদর
Bonik Barta
সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড ও সাফকো স্পিনিং মিলস লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এ দরবৃদ্ধির পেছনে অপ্রকাশিত কোনো মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানি দুটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়েছে। রহিমা ফুড: গত ১৬ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১১১ টাকা ৬০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৬০ টাকায়। এ সময়ের ব্যবধানে রহিমা ফুডের শেয়ারদর বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) রহিমা ফুডের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮৩ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১০ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ১৯ পয়সায়।
সাফকো স্পিনিং: গত ১৪ জুলাই কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১১ টাকা ৪০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৫০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে সাফকো স্পিনিংয়ের শেয়ারদর বেড়েছে ২৭ দশমিক ১৯ শতাংশ। চলতি ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) সাফকো স্পিনিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৬ টাকা ৭৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ টাকা ৩৮ পয়সা। আলোচ্য হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৪৫ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩ টাকা ৯২ পয়সা।
চলতি বছরের বাকি সময় পাম অয়েলের দাম থাকবে টনে ৪ হাজার রিঙ্গিত
Bonik Barta
চলতি বছরের বাকি সময়জুড়ে অপরিশোধিত পাম অয়েলের দাম টনপ্রতি ৪ হাজার রিঙ্গিতে (৯৪৬ ডলার ৫২ সেন্ট) স্থিতিশীল থাকতে পারে। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার অন্যতম পাম অয়েল প্লান্টেশন প্রতিষ্ঠান এসডি গুত্রি বারহাদ এক প্রতিবেদনে এমন পূর্বাভাস দিয়েছে। এসডি গুত্রির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহামাদ হেলমি ওসমান বাসা বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়ার বায়োডিজেলে পাম অয়েলের বাধ্যতামূলক ব্যবহার সামনের দিনগুলোয় ভোজ্যতেলটির দাম নির্ধারণে অন্যতম ভূমিকা রাখবে।’ এদিকে বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে অক্টোবরে সরবরাহের জন্য গত সপ্তাহের লেনদেনের শেষদিনে টনপ্রতি পাম অয়েলের দাম বেড়েছে ১৪ রিঙ্গিত বা দশমিক ৩৩ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য স্থির হয়েছে ৪ হাজার ২৫৪ রিঙ্গিতে (প্রায় ১ হাজার ৪ ডলার)। এছাড়া গত সপ্তাহজুড়ে পাম অয়েলের দাম বেড়েছে দশমিক ২১ শতাংশ।
ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান পেলিনডুং বেস্টারির পরিচালক পরমালিঙ্গম সুপ্রমনিয়াম বলেন, ‘চলতি মাসে অপরিশোধিত পাম অয়েল ও পাম অয়েলজাত পণ্যের চাহিদা কিছুটা বাড়তে পারে। আগস্টে চাহিদা জুলাইয়ের তুলনায় বেশি থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
ভিয়েতনামে কমেছে কফির বেচাকেনা
Bonik Barta
মৌসুমের শেষ প্রান্তে এসে ভিয়েতনামে কফি বাণিজ্য প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে। সরবরাহ কমে যাওয়া ও চাহিদা হ্রাসের কারণে পণ্যটির বেচাকেনা কমেছে বলে জানিয়েছেন দেশটির ব্যবসায়ীরা। ভিয়েতনামের সর্ববৃহৎ কফি উৎপাদন অঞ্চল সেন্ট্রাল হাইল্যান্ডস। এ অঞ্চলে কৃষকরা গত সপ্তাহে প্রতি কেজি কফি ১ থেকে ১ লাখ ৭০০ ডং (৩ ডলার ৮২ সেন্ট থেকে ৩ ডলার ৮৪ সেন্ট) দরে বিক্রি করেছেন। আগের সপ্তাহে দেশটিতে প্রতি কেজি কফির দাম ছিল ৯৯ হাজার ৫০০ থেকে ৯৯ হাজার ৭০০ ডং। তবে এসব দামে কৃষকরা কফি বিক্রি করতে আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তারা আরো জানান, বাজারে গত এক সপ্তাহে কার্যত কোনো লেনদেন হয়নি। বর্তমানে ইন্দোনেশিয়ার মৌসুমি ফসলের কফি তুলনামূলক কম দামে পাওয়া যাচ্ছে।
গত বুধবারের লেনদেন শেষে রোবাস্তা কফির সর্বশেষ দাম ১৯ ডলার কমে টনপ্রতি ৩ হাজার ৩৪০ ডলারে দাঁড়ায়। একাধিক গুদাম মালিক নতুন মৌসুম শুরুর (দুই মাস পর) আগে লেনদেন সীমিত রাখছেন। নতুন ফসল আগামী নভেম্বরে বাজারে আসার সম্ভাবনা আছে। ভিয়েতনামের সরকারি তথ্যানুযায়ী, জানুয়ারি-জুলাই পর্যন্ত ভিয়েতনাম ১০ লাখ ৫০ হাজার টন কফি রফতানি করেছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। এ সময়ে কফি রফতানি আয় বেড়ে প্রায় ৬০০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় ৬৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেশি। জুলাইয়ে মোট কফি রফতানি হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার টন, যা গত বছরের তুলনায় ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। বিশ্বে কফি উৎপাদনে অন্যতম শীর্ষ দেশ ইন্দোনেশিয়া। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশটির কফি উৎপাদন অঞ্চলে মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে রেকর্ড অতিবৃষ্টি বাজারকে প্রভাবিত করেছে।
Migration, investment to be major focus in Yunus-Ibrahim meet
The Financial Express
Migration of Bangladeshi workers for employment in Malaysia and investment in Bangladesh will feature a discussion between Chief Adviser Dr Muhammad Yunus and Malaysian Prime Minister Anwar Ibrahim, officials said Sunday. The head of interim government of Bangladesh would fly to Malaysia today (Monday) on a three-day visit at the invitation of Mr Anwar Ibrahim. On August 12, Dr Yunus will have a bilateral meeting with Mr Ibrahim at the latter's office in Putrajaya.
Following the one-on-one meeting, there will be delegation-level talks to be capped with the signing of several memorandums of understanding (MoUs). Officials said that during the bilateral meeting with the Malaysian Prime Minister, special emphasis would be placed on issues such as the recruitment of new workers in various Malaysian sectors, increased hiring of skilled professionals, and improving the benefits and facilities available to Bangladeshi workers. While briefing the press about the visit, Chief Adviser's Press Secretary Shafiqul Alam said, "This is a very important visit, and through this visit, we aim to deepen and further strengthen our relationship with Malaysia. The main focus of the visit is discussions on migration, and the second focus is investment."
Choking in black smoke, bus owners don’t give a damn
The Business Standard
As Tahmina Haque, a 34-year-old homemaker, gently took her nine-year-old son, Luham Wasi, by the hand and walked towards the school gate in Dhaka's Moghbazar area on an August morning, a rickety bus lurched forward from the signal. Its exhaust pipe coughed out a thick cloud of black smoke that engulfed the mother and son. Wasi let out a violent cough, his small hands covering his face, while Tahmina pulled him closer, trying to shield him from the acrid fumes. "It burns in the throat and stings the eyes," Tahmina later told TBS. "This is the air our children are breathing every day." Dhaka's roads are no strangers to the menace of such unfit vehicles. Many of these buses date back two or even three decades, their bodies patched with rust, their engines coughing thick plumes of smoke, and their brakes unreliable. For commuters, these buses are a daily gamble – one that can lead to serious health issues or even fatal accidents.
The government, in a move hailed by environmentalists and concerned citizens, recently launched a drive against these unfit vehicles. However, transport owners and workers have opposed the government's crackdown and announced a nationwide strike from tomorrow.
চট্টগ্রাম বন্দরে রবির ৫জি সেবার সম্ভাব্যতা যাচাই করবে এক্সেনটেক
Bonik Barta
অটোমেশনের মাধ্যমে পঞ্চম প্রজন্মের (৫জি) স্মার্ট পোর্ট সেবা দেয়ার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের (সিপিএ) সঙ্গে সমীক্ষা যাচাই চুক্তি করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসির সহযোগী প্রতিষ্ঠান এক্সেনটেক পিএলসি। এ উপলক্ষে গতকাল এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান দুটি একটি সমঝোতা চুক্তি (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন। এ সময় বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম মুনিরুজ্জামান এবং এক্সেনটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আদিল হোসেন নোবেল নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির আওতায় চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য ৫জি-ভিত্তিক প্রাইভেট নেটওয়ার্ক নির্মাণের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে এক্সেনটেক। এতে বন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ, স্মার্ট অ্যাকসেস কন্ট্রোলিংসহ প্রয়োজনীয় কারিগরি সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হবে। এছাড়া বন্দরের টেস্টিং ল্যাব অটোমেশন এবং যানবাহন ও গ্যান্ট্রি ক্রেইন স্মার্ট পদ্ধতিতে পরিচালনার সম্ভাব্যতাও যাচাই করা হবে। এ বিষয়ে এক্সেনটেকের এমডি ও সিইও আদিল হোসেন নোবেল বলেন, ‘এন্টারপ্রাইজ পর্যায়ে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে রবির ৫জি-ভিত্তিক সেবা প্রদানে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে এ চুক্তি আমাদের ৫জি অগ্রযাত্রায় একটি মাইলফলক।’ বন্দর কর্তৃপক্ষের দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমাদের ৫জি স্মার্ট সলিউশন ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
১০০ টাকার নতুন নোট বাজারে আসছে আগামীকাল
Bonik Barta
বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের সব মূল্যমানের নতুন নোট মুদ্রণের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর অংশ হিসেবে আগামীকাল বাজারে আসছে ১০০ টাকার নতুন নোট। এর আগে ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নতুন নোট ছাড়া হয়েছিল।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কমিউনিকেশনস অ্যান্ড পাবলিকেশনস বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালক নুরুন্নাহার স্বাক্ষরিত এ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১০০০, ৫০ ও ২০ টাকার নোটের পর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ১০০ টাকার নতুন নোট এবার বাজারে প্রচলন করা হবে।
১২ আগস্ট প্রাথমিকভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এবং পরে দেশের অন্যান্য অফিস থেকে নতুন ১০০ টাকার নোট ইস্যু করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ১০০ টাকা মূল্যমানের নোটটিতে মোট ১০ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে। এছাড়া দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য নোটের সম্মুখভাগে ডানপাশে নিচের দিকে তিনটি ছোট বৃত্ত রয়েছে, যা হাতের স্পর্শে অসমতল অনুভূত হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, নতুন ডিজাইনের ১০০ টাকার নোটের পাশাপাশি বর্তমানে প্রচলিত সব কাগজের নোট ও ধাতব মুদ্রাও একইভাবে বাজারে চলমান থাকবে। এছাড়া মুদ্রা সংগ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনায় নিয়মিত নোটের পাশাপাশি ১০০ টাকার অবিনিময়যোগ্য নমুনা নোটও মুদ্রণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। আগ্রহীরা মিরপুরের টাকা জাদুঘর থেকে নমুনা নোট সংগ্রহ করতে পারবেন।
ট্রাম্পের শুল্ক বিবাদের প্রভাবে চীনে কমছে এফডিআই
Bonik Barta
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য চীন, যা এরই মধ্যে দেশটির অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভাব বিস্তার শুরু করেছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুসারে, বিদ্যমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মাঝে চীনে প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) দেশটির এফডিআই খাতে নিট অর্থপ্রবাহ ছিল ৮৭০ কোটি ডলার। চীনের বৈদেশিক মুদ্রাবিষয়ক কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্য বিশ্লেষণে বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদি হলে দেশটির জিডিপিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। প্রতিবেদন অনুসারে, দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং বেইজিং-ওয়াশিংটন বাণিজ্য বিরোধ নিয়ে উদ্বেগ চীনে বিদেশী পুঁজির বিনিয়োগ আগ্রহকে দমিয়ে রেখেছে। চলতি বছরের এপ্রিল-জুন সময়ে আসা এফডিআই ২০২২ সালের প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) সর্বোচ্চ প্রবাহের ১০ শতাংশেরও কম। সাংহাইয়ের মহামারী লকডাউনে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অস্থিরতার কারণে ২০২২ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) চীনে এফডিআইয়ে ধস নামে। এরপর ২০২৩ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) চীনে প্রথমবারের মতো নিট বহিঃপ্রবাহ দেখা যায়। ২০২৪ সালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় প্রান্তিকেও নিট বহিঃপ্রবাহ বিদ্যমান ছিল। তবে চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে আবারো নিট প্রবাহ দেখা যায়।
১১ ব্যাংক থেকে আরো ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক
Bonik Barta
গত তিন অর্থবছর ধরে বাজার স্থিতিশীল রাখতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কিন্তু চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসে বিক্রি না করে উল্টো বাজার থেকে পাঁচ দফায় মোট ৬৩ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। সবশেষ গতকালও ১১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে কেনা হয়েছে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার। মূলত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি হওয়ার কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয় বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘বাজারে ডলারের সরবরাহের তুলনায় চাহিদা কম। এ কারণেই বাংলাদেশ ব্যাংক গত মাস থেকে ডলার কেনা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ৬৩ কোটি ডলার কেনা হয়েছে। বাজার স্থিতিশীল রাখার স্বার্থে ভবিষ্যতেও এটা অব্যাহত থাকবে।’ জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ (এফএক্স) নিলাম কমিটি একাধিক মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতিতে (মাল্টিপল প্রাইস অকশন) গতকাল ১১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে মোট ৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার কিনেছে। প্রতি ডলারের বিনিময় হার ছিল ১২১ টাকা ৪৭ পয়সা থেকে ১২১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত। এর মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে ১২১ টাকা ৪৭ পয়সায় আর ৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনা হয়েছে ১২১ টাকা ৫০ পয়সায়। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মোট রিজার্ভ (গ্রস) দাঁড়িয়েছে ৩০ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাবপদ্ধতি বিপিএম৬ অনুসারে, রিজার্ভের পরিমাণ ২৫ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলার। এর আগে গত ১৩ জুলাই প্রথম দফায় ১৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের কাছ থেকে ১২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে ১৭ কোটি ১০ লাখ ডলার কেনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ১৫ জুলাই দ্বিতীয় দফায় ১২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনা হয় ৩১ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তৃতীয় দফায় ২৩ জুলাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১ কোটি ডলার কেনে ১২১ টাকা ৯৫ পয়সা দরে।
হোন্ডার পরিচালন মুনাফা কমেছে ৫০%
Bonik Barta
জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা হোন্ডা মোটরের হিসাব বছর শুরু হয় এপ্রিলে। চলতি অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) কোম্পানির পরিচালন মুনাফা কমেছে অর্ধেক। শক্তিশালী ইয়েন ও যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত শুল্ক এর প্রধান কারণ বলে জানিয়েছেন বিশ্লেষকরা। এ সময়ে হোন্ডার মুনাফা দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪২০ কোটি ইয়েন (১৬৬ কোটি ডলার), যা এলএসইজি পরিচালিত বিশ্লেষকদের গড় পূর্বাভাসের চেয়ে এক-পঞ্চমাংশ কম। যুক্তরাষ্ট্রে আমদানি করা গাড়ির ওপর ২৭ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগের শুল্ক ছিল ২ দশমিক ৫, আর গত এপ্রিলে নতুন করে ২৫ শতাংশ শুল্ক যোগ হয়েছে। এতে প্রথম প্রান্তিকে হোন্ডার মুনাফা প্রায় ১২ হাজার ৫০০ কোটি ইয়েন কমেছে। তবে পুরো বছরের জন্য শুল্কজনিত ক্ষতি আগের পূর্বাভাসের চেয়ে কম হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। মে মাসে ক্ষতির পরিমাণ ৬৫ হাজার কোটি ইয়েন ধরা হয়েছিল। বর্তমানে তা ধারণা করা হচ্ছে, ৪৫ হাজার কোটি ইয়েনে সীমিত থাকতে পারে।
হোন্ডা চলতি অর্থবছরের পরিচালন মুনাফার লক্ষ্যমাত্রা ৫০ হাজার কোটি ইয়েন থেকে বাড়িয়ে ৭০ হাজার কোটি ইয়েন করেছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, গড়ে ডলারের বিপরীতে ইয়েনের বিনিময় হার দাঁড়াবে ১৪০, যা আগের পূর্বাভাসের চেয়ে ৫ ইয়েন কম। কোম্পানিটির যুক্তরাষ্ট্রে নির্ভরশীলতা সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বেড়েছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তাদের বৈশ্বিক বিক্রির ৪১ শতাংশ এসেছে মার্কিন বাজার থেকে, যেখানে ২০২৪ সালে ছিল ৩৭ ও ২০২২ সালে ২৬ শতাংশ।
Power Division seeks Tk 27 billion urgent subsidy for BPDB
The Financial Express
Power Division has sought Tk 27 billion as subsidy against tariff deficit for the state-run Bangladesh Power Development Board (BPDB) to help ensure uninterrupted power supply across the country, official sources said. In a letter, the Power Division has requested the Finance Division to take necessary steps to urgently allocate the said amount of fund as subsidy in favor of the BPDB. Usually, the BPDB procures electricity from the independent power producers (IPPs) and rental power plants. Apart from that, it also imports electricity from India at higher prices.
The government owes a sum of Tk 36.23 billion to the BPDB in subsidy until June last following the sale of electricity at lower prices than its procurement or production costs. Of the amount, a proposal for allocating Tk 9.20 billion worth of outstanding subsidy for eight power plants is now under consideration of the Cabinet Committee on Government Purchase (CCGP)'s.
Apparel exporters push for full restoration of cash incentives
The Financial Express
Apparel exporters have urged the government to reinstate cash incentives at pre-2024 rates and scrap the procedural requirements that they say are inflating costs and undermining the ease of doing business. At a meeting with the finance ministry on Sunday, industry leaders pressed for restoring the local yarn incentive to 3.0 per cent and the general export incentive to 1.0 per cent, maintaining these until 2029 under provisions allowed by the World Trade Organization (WTO).
Under WTO rules, countries are permitted to provide such subsidies for a three-year grace period after graduating from least developed country (LDC) status. The stakeholders raised these demands during a meeting at the Bangladesh Secretariat, chaired by Rahima Begum, Additional Secretary and Director General of the finance ministry's Monitoring Cell. Meeting sources said exporters argued that restoring the local yarn incentive from the current 1.5 per cent to 3.0 per cent would benefit domestic millers and boost local value addition, a requirement under the rules of the newly imposed US reciprocal tariff.