30-Apr-2026

Friday 01 May 2026

02-May-2026

Bangladesh to issue 7-year Sukuk worth Tk 59b for rural bridge project

The Financial Express

Bangladesh is set to issue its eighth government investment Sukuk worth Tk 59 billion (Tk 5,900 crore) to finance the construction and development of important bridges on rural roads under a revised project, according to an official statement. The seven-year “CIBRR-1 Socio-Economic Development Sukuk” will be issued under the project titled Construction of Important Bridges on Rural Roads (1st Revised). The prospectus and Shariah declaration of the Sukuk have already been finalized with approval from the Shariah Advisory Committee under the Debt Management Department.

Global shocks put economy at renewed risk: GED

The Financial Express

Rising global energy costs and escalating tensions in the Middle East (ME) are posing renewed risks to Bangladesh's key macroeconomic indicators, including inflation, trade deficit, and exchange rate stability, according to the latest publication of the General Economics Division (GED) of the Planning Commission.The April issue of the Economic Update and Outlook says the external sector is cushioned by relatively strong foreign exchange reserves and steady remittance inflows, although exports are under pressure from weak global demand and higher energy costs.

Economy in 'deep crisis', recovery may take two difficult years

The Financial Express

Bangladesh is facing a deep economic crisis and may need to endure "two difficult years" to recover, Finance Minister Amir Khosru Mahmud Chowdhury warns. As such, he says, the government is likely to take measures that may not be popular. During discussion on the motion of thanks on the President's address in parliament on Thursday, the minister said, "We may have to endure hardship for two years. The next two years will be difficult. We will have to make many decisions and steps some of which may not be popular."

Jul-Feb farm credit disbursements soar 24.20pc to Tk 274. 80b

The Financial Express

Disbursements of agricultural and rural credit witnessed a significant surge during the first eight months of the current fiscal year, official data revealed. According to latest Bangladesh Bank (BB) figures, the country's scheduled banks disbursed Tk 274. 80 billion worth of farm credit during the July-February period of FY 2025-26, reflecting a 24.20 per cent growth over that of Tk 221.26 billion disbursed in the corresponding period of FY25. Such a robust growth was largely propelled by the proactive involvement of private commercial banks (PCBs), which took the lead in the credit disbursements, complemented by steady contributions from both state-owned specialized and commercial banks. On the other hand, overdue agricultural loans in the country's banking sector more than doubled year-on-year by the end of February 2026, signaling rising stress in farm credit recovery despite continued loan disbursement growth.

জ্বালানি সংকটে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজে ধীরগতি

Bonik Barta

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে চট্টগ্রামের মিরসরাই,–সীতাকুণ্ড ও ফেনীর সোনাগাজী এলাকায় গড়ে ওঠা জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজে। চাহিদামতো জ্বালানি তেল না পাওয়ায় বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজ ধীরগতিতে এগোচ্ছে বলে অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের। তারা বলছেন, মাসিক প্রায় তিন লাখ লিটার জ্বালানির চাহিদা থাকলেও বর্তমানে এর অর্ধেকও পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে উৎপাদনে থাকা ও নির্মাণাধীন শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমেও ধীরগতি নেমে এসেছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বর্তমানে ১৭টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান উৎপাদনে গেছে। এর মধ্যে এশিয়ান পেইন্ট, ম্যাগডোনাল্ড স্টিল, মডার্ন সিনট্রেক, যোজু কেমিক্যাল, জাপানের নিপ্পন স্টিল, বসুন্ধরা রেডি মিক্স অন্যতম। উৎপাদনের অপেক্ষায় রয়েছে আরো তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান—বসুন্ধরা কেমিক্যাল, হেলথ কেয়ার ও কিয়াম। এছাড়া নির্মাণাধীন রয়েছে আরো ২০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। কিন্তু এসব প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় জ্বালানি চাহিদামতো পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে জ্বালানি সংকটের কারণে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে পারছে না, যে কারণে উন্নয়নকাজে ধীরগতি তৈরি হয়েছে।

২০২৫ সালে যমুনা ব্যাংকের আমানত বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা

Bonik Barta

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত যমুনা ব্যাংক পিএলসি সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে বিভিন্ন আর্থিক সূচকে বেশ ভালো করেছে। এ সময়ে আগের তুলনায় ব্যাংকটির নিট মুনাফা বেড়েছে দ্বিগুণ। পাশাপাশি ব্যাংকটির আমানত বেড়েছে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। ভালো মুনাফা হওয়ার কারণে ২০২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২৯ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে ব্যাংকটির পর্ষদ। যমুনা ব্যাংকের সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, ২০২৫ হিসাব বছরে যমুনা ব্যাংকের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ হাজার ৩২ কোটি টাকায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৩১ হাজার ৪১ কোটি টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির আমানত বেড়েছে ৪ হাজার ৯৯১ কোটি টাকা বা ১৬ শতাংশ। সর্বশেষ সমাপ্ত হিসাব বছরে ব্যাংকটির কর-পরবর্তী নিট মুনাফা হয়েছে ৫৫৬ কোটি টাকা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ২৭৯ কোট টাকা। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকটির নিট মুনাফা দ্বিগুণ বেড়েছে। ২০২৫ হিসাব বছরে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৯৭ পয়সা।

সিএপিএম বিডিবিএল ফান্ডের এনএভি ৮.৩৫ টাকা

Bonik Barta

সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের বাজারমূল্য ইউনিটপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষে ৮ টাকা ৩৫ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। ক্রয়মূল্যে ফান্ডটির এনএভি দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ১০ পয়সায়। গতকাল অনুষ্ঠিত ট্রাস্টি কমিটির সভায় ফান্ডটির চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে চলতি বছরের ৩১ মার্চ শেষে সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ানের নিট সম্পদের পরিমাণ ক্রয়মূল্যে ৫৫ কোটি ৬২ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে, বাজারমূল্যের ভিত্তিতে যার পরিমাণ ৪১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। ফান্ডটির নিট মুনাফা হয়েছে ১ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং ইউনিট প্রতি আয় (ইপিইউ) দাঁড়িয়েছে ২৯ পয়সায়।

রানারের ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রি করেছে ব্রামার ফ্রন্টিয়ার

Bonik Barta

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি রানার অটোমোবাইলস পিএলসির ৫০ লাখ শেয়ার পূর্ব ঘোষণা অনুসারে বিক্রি সম্পন্ন করেছে মরিশাসে নিবন্ধিত ব্রামার ফন্ট্রিয়ার পিই টু (মরিশাস) লিমিটেড। সুইডেনভিত্তিক ব্রামার অ্যান্ড পার্টনার্সের বিদেশী বিনিয়োগ ফান্ড হিসেবে ২০১৩ সালে রানার অটোবাইলসে বিনিয়োগ করেছিল মরিশাসের প্রতিষ্ঠানটি। এর আগে গত ৯ এপ্রিল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ শেয়ার বিক্রির ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। পূর্ব ঘোষণা অনুসারে ৫০ লাখ শেয়ার বিক্রির পর বর্তমানে ব্রামার ফন্ট্রিয়ারের কাছে রানার অটোমোবাইলসের ১১ দশমিক ৭২ শতাংশ বা ১ কোটি ৩৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার রয়েছে। ২০১৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ব্রামার ফ্রন্টিয়ার রানার অটোমোবাইলসের ১ কোটি ৩৪ লাখ ৭৮ হাজার ২৬১টি শেয়ার ১০৫ কোটি টাকায় কিনে নেয়। পরে ২০১৫ সালে দুই দফায় বোনাস শেয়ার ইস্যুর পর ব্রামারের শেয়ারের পরিমাণ বেড়ে ২ কোটি ৬৯ লাখ ৫৬ হাজার ৫২১টিতে দাঁড়ায়। ২০১৯ সালে রানার অটোমোবাইলস আইপিওতে আসার পর কোম্পানিটিতে ব্রামারের শেয়ার ধারণের পরিমাণ ২৪ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ২ কোটি ৮৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টিতে দাঁড়ায়। ২০২১-২২ সময়ে কিছু শেয়ার বিক্রি করার পর থেকে ব্রামারের কাছে রানারের ১৬ দশমিক ১২ শতাংশ বা ১ কোটি ৮৩ লাখ ৪ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার ছিল।

সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

Bonik Barta

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসি চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ২৪১ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯২ কোটি টাকা। সে হিসাবে ব্যাংকটির নিট মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬২ শতাংশ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকটির প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে পর্ষদ। আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে সিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা।

সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফায় ১৬২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

Bonik Barta

দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংক পিএলসি চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ২৪১ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছে, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৯২ কোটি টাকা। সে হিসাবে ব্যাংকটির নিট মুনাফায় প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৬২ শতাংশ। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত সভায় ব্যাংকটির প্রথম প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে পর্ষদ।আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে সিটি ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৫৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৬১ পয়সা।

খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংক, এআইআইবি-র ১১৩ কোটি ডলারের ঋণ পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে

The Business Standard

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেল, গ্যাস এবং সারের ক্রমবর্ধমান দামের প্রেক্ষাপটে, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে বিশ্বব্যাংক এবং এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের (এআইআইবি) চলমান বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১১৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার পুনর্বিন্যাস বা বা স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গত ২৭ এপ্রিল অর্থ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত অর্থমন্ত্রী আমির খসরু আমমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে। কর্মকর্তারা জানান, বৈশ্বিক জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশ গত ৫ এপ্রিল বিশ্বব্যাংকের কাছে তাদের র‍্যাপিড রিসপন্স অপশন (আরপিও) সক্রিয় করার আবেদন জানায়। এই সুবিধার আওতায়, চলমান প্রকল্পগুলোর অব্যবহৃত অর্থের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ জরুরি খাত বা চাহিদা পূরণে ব্যবহার করা যায়।

একীভূত ৫ ব্যাংকে আটকে থাকা অর্থে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

The Business Standard

একীভূত পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ অর্থ আটকে রয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ একীভূত ব্যাংকে রয়েছে, তাদের প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংকের আমানত একীভূত ব্যাংকে রয়েছে। এসব অর্থ সেসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ, তাই এসব বিনিয়োগের বিপরীতে প্রভিশন রাখার বাধ্যবাধকতা তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।