28-Aug-2025

Friday 29 August 2025

30-Aug-2025

ইউরোপীয় ইউনিয়ন গাড়ির কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রা পুনর্বিবেচনার দাবি

Bonik Barta

২০৩৫ সালের মধ্যে গাড়ি থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস শতভাগ কমানোর লক্ষ্য রয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ)। সে পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত নয় উল্লেখ করে পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন অঞ্চলটির অটোমোবাইল নির্মাতা ও স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী সংস্থাগুলোর প্রধানরা। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লিয়েন আগামী ১২ সেপ্টেম্বর অটোমোবাইল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে নতুন দাবিটি সামনে এল। মূলত অটো খাতের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হবে ওই বৈঠকে। ইউরোপীয় অটোমোবাইল খাত সাম্প্রতিক সময়ে দুটি বড় হুমকি মোকাবেলা করছে। একদিকে চীন থেকে আসা কম দামি বিদ্যুচ্চালিত গাড়ির (ইভি) সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করছে তারা, অন্যদিকে মার্কিন শুল্ক রফতানি বাজারে নতুন প্রতিবন্ধকতা হিসেবে দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি ইভির ব্যাটারির জন্য পুরোপুরি এশিয়ানির্ভরতা, চার্জিং অবকাঠামোর অপ্রতুলতা ও উচ্চ উৎপাদন খরচের মতো সমস্যার কথাও উল্লেখ করছে অটো কোম্পানিগুলো। ইইউর লক্ষ্য অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে গাড়ি থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ ৫৫ শতাংশ ও ২০৩৫ সালের মধ্যে শতভাগ কমাতে হবে। অটোমোবাইল গ্রুপগুলো ২০৫০ সালের মধ্যে ‘নিট জিরো’ লক্ষ্য পূরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তারা আরো বলছে, শুধু ইভির ওপর নির্ভর করে পরিকল্পনা তৈরি সঠিক হবে না। ইভির পাশাপাশি প্লাগ-ইন হাইব্রিড, হাইড্রোজেনচালিত গাড়ি ও অন্যান্য কার্বনমুক্ত জ্বালানির ব্যবহারেও উৎসাহিত করতে হবে।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি খাত চাঙা রাখতে নিলামে ১৫০ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

The Business Standard

ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখতে এবং রেমিট্যান্স ও রপ্তানি খাতকে চাঙা করতে গতকাল (২৮ আগস্ট) আরেকটি নিলামের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো থেকে ১৪৯.৫ মিলিয়ন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গতকাল প্রাথমিকভাবে ৩০ মিলিয়ন ডলার কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে নিলাম আহ্বান করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তবে শেষ পর্যন্ত তারা আরও বেশি ডলার কিনে নেয়, যেখানে কাট-অফ রেট ছিল ডলার প্রতি ১২১ টাকা ৭০ পয়সা। এর আগে গত ১৪ আগস্ট কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১২১ টাকা ৫০ পয়সা কাট-অফ রেটে ১৭৬ মিলিয়ন ডলার কিনেছিল। নতুন নিলামে দেখা যাচ্ছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাট-অফ রেট অন্তত ২০ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিলাম কমিটির এক নীতিনির্ধারক টিবিএসকে জানান, ১৭টি ব্যাংক ১৬০ থেকে ১৭০ মিলিয়ন ডলার বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ১৩টি ব্যাংকের কাছ থেকে ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্সচেঞ্জ রেট স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, 'ডলারের রেট খুব কমে যাওয়া বা খুব বেড়ে যাওয়া ভালো কোনো সংকেত দেয় না।' তিনি জানান, এতে রপ্তানিকারক ও রেমিট্যান্স-প্রেরক উভয়ই সহায়তা পাবেন এবং পাশাপাশি আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বাড়বে।

গাইবান্ধায় আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ

Bonik Barta

আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পলাশবাড়ী শাখার উদ্যোগে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে কৃষি বিনিয়োগ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় ৩৩৪ জন কৃষকের মধ্যে ২ কোটি ৫২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক বগুড়া অফিসের নির্বাহী পরিচালক মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম আমজাদ হোসেন। ব্যাংকের পলাশবাড়ী শাখার ব্যবস্থাপক এএসএম রবিউল ইসলামের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সাদুল্লাপুর উপজেলার ব্যবসায়ী, শিক্ষক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জুলাইয়ে ঋণ এসেছে ২০ কোটি ডলার, পরিশোধ ৪৪ কোটি

Bonik Barta

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিদেশী ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ২০ কোটি ডলার, বিপরীতে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৪ কোটি ডলারের বেশি। তবে ঋণ প্রতিশ্রুতি আগের বছরের তুলনায় সামান্য কিছু বেড়েছে। গতকাল অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে আসে। প্রতিবেদনে দেখা যায়, জুলাইয়ে প্রকল্পগুলোতে বিদেশী ঋণের অর্থছাড় হয়েছে ২০ কোটি ২৭ লাখ ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ে অর্থছাড় হয়েছে ৩৫ কোটি ৮৩ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে বিদেশী ঋণের অর্থছাড় কমেছে ৪৩ শতাংশের বেশি। দেশের বিদেশী ঋণনির্ভর প্রকল্পগুলোতে অর্থছাড় কমে গেলেও আগের নেয়া ঋণ পরিশোধে বড় চাপে পড়তে হচ্ছে সরকারকে। জুলাইয়ে সরকারকে সুদ ও আসলসহ ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলারের কিছু বেশি। একই সময়ে ঋণের অর্থছাড় হয়েছে মাত্র ২০ কোটি ডলার। অর্থাৎ বিদেশী মুদ্রা আসার চেয়ে পরিশোধের চাপে পড়তে হচ্ছে সরকারকে। তাছাড়া আগের বছরের তুলনায় ধারাবাহিকভাবে ঋণ পরিশোধের চাপ প্রতি মাসেই বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে ৪৪ কোটি ৬৬ লাখ ডলার ঋণ পরিশোধের তুলনায় আগের বছরের জুলাইয়ে ঋণ পরিশোধ করতে হয়েছিল ৩৮ কোটি ৫৬ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে ঋণ ও সুদ পরিশোধ বেড়েছে ১৬ শতাংশ। তবে এ সময় ঋণ প্রতিশ্রুতি আগের বছরের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। জুলাইয়ে ঋণ প্রতিশ্রুতি এসেছে ৮ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। আগের বছরের একই সময়ে প্রতিশ্রুতি এসেছে ১ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। বছরের ব্যবধানে ৪০৯ শতাংশ প্রতিশ্রুতি বাড়িয়েছে উন্নয়ন সহযোগীরা।

Tax filing stands digital test

The Financial Express

In a bold leap forward for automation, the National Board of Revenue (NBR) has mandated that nearly all individual taxpayers must file their income-tax returns online beginning this year. Only the elderly, individuals with disabilities, expatriates and those filing on behalf of the deceased are exempt from this new requirement. Obviously, this move aims to capitalise on the public's growing familiarity and comfort with digital tools to simplify return submission and improve transparency. This is undoubtedly a welcome change from the old, paper-based system. However, as with any great leap, the devil is in the implementation; and several challenges must be addressed to ensure a smooth transition for all taxpayers. The good parts of this move are easy to see. For the average taxpayer, it eliminates the need to physically visit a tax circle and wait in long, intimidating queues. Given the longstanding allegations of harassment associated with many tax offices, taxpayers who become adept at using the online system stand to gain benefit from this change immensely. It also serves as a powerful blow against corruption. Specifically, it ends the deliberate practice where unscrupulous taxpayers would bribe some tax office employees to hide their physical files. This tactic ensured that when those files were later needed for scrutiny, they could not be found, thus preventing any legal action. Now, with records preserved in a secure digital format that is easily retrievable and far less susceptible to manipulation or loss, that avenue of corruption is closed.

Amending labour law to meet global standards

The Financial Express

To amend the country's labour law in line with the international conventions on human rights, labour rights, environmental protection and good governance is admittedly the demand of the time. Also, members of the international community including Western diplomats, those of the European Union (EU) in particular, have been urging the government to effect the required amendments if only to continue availing the duty-free, quota-free (DFQF) access, the so-called GSP facilities, of the country's exports to its largest overseas market, the EU. And, after LDC graduation, the required changes in labour law would also help benefit from EU's GSP plus programme meant for vulnerable developing countries. Notably, through submitting application for the purpose, Bangladesh may be eligible for GSP plus upon expiry of three-year grace period (until 2029) following its LDC graduation by November 2026. It is against this backdrop that the Tripartite Consultative Committee (TCC), a platform for consultation between the government, employers and workers to resolve industrial issues and help the government frame a relevant policy and effect labour law reform, reportedly, met in the city recently. The meeting chaired by the labour and employment adviser, aimed to fine-tune proposals for amending labour laws to meet international standards. In that meeting, a consensus was reached on the subject of forming trade unions (TU) in factories. In the said amendment thus proposed, the existing requirement of a factory's, say an RMG unit's, 20 per cent labour force's consent to form a TU, has been replaced, as reported, by a numerical option of at least 20 workers.

যুক্তরাষ্ট্রকে গভীর সংকটে ফেলতে যাচ্ছে ফেডে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপ

Bonik Barta

মুদ্রানীতি বিষয়ে ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) স্বাধীনতায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে দেশটির ঋণের বাজারে হিতে বিপরীত অবস্থা তৈরি করতে পারে। আশঙ্কা প্রকশা করে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সরকারি ঋণ বাবদ খরচ কমাতে সুদহার হ্রাসে ফেডকে বাধ্য করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। উদ্দেশ্য অর্থনীতিতে চাঙ্গা ভাব ফিরিয়ে আনা হলেও এটি যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে নতুন সংকট হাজির করতে পারে। এ বিষয়ে ক্যাপিটাল ইকোনমিকসের স্টিফেন ব্রাউন বলেন, ‘এটা পরিষ্কার যে আমরা আবারো এমন এক বিশ্বে প্রবেশ করছি যেখানে ফেড আরো রাজনৈতিক হয়ে উঠছে। এর ফলে সুদহার নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়বে এবং দীর্ঘমেয়াদে সুদহার ঊর্ধ্বমুখী হবে।’ এরই মধ্যে বাজারে সেই উদ্বেগের আভাস পাওয়া গেছে। গত মঙ্গলবার দুই বছর মেয়াদি ও ৩০ বছর মেয়াদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইল্ডের ফারাক তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। একই দিনে ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে দশমিক ২ শতাংশ দুর্বল হয়েছে ডলার। গত অক্টোবরে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার আগে থেকেই ফেড চেয়ারম্যান জেরোম পাওয়েলকে আক্রমণ করে আসছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার দাবি ছিল, সুদহার কমাতে হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশে তিনি বলছেন, ‘৪ দশমিক ২৫ থেকে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ সীমায় থাকা সুদহার অন্তত ৩ শতাংশীয় পয়েন্ট কমাতে হবে।’

বিস্ফোরক সংকটে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ

Bonik Barta

বিস্ফোরক দ্রব্যের (অ্যামালসন এক্সপ্লোসিভ) সংকটের কারণে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং বা পাথর খনি থেকে পাথর উত্তোলন সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে খনি কর্তৃপক্ষ। মধ্যপাড়া পাথর খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডিএম জোবাইয়েদ হোসেন জানান, গতকাল সকাল থেকে খনির পাথর উত্তোলন ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত জার্মান ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ট্রাস্ট কনসোর্টিয়াম খনি থেকে পাথর উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। একই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যায় খনির উন্নয়ন কার্যক্রমও। এমডি জানান, মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃপক্ষ চাহিদা অনুযায়ী পাথর উৎপাদন ও খনির উন্নয়নকাজে অতি প্রয়োজনীয় বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করতে না পারার কারণে এ সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ভারত থেকে এসব বিস্ফোরক দ্রব্য আমদানি করা হয়ে থাকে। আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে বিস্ফোরক দ্রব্যের চালান বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিস্ফোরক দ্রব্য এসে পৌঁছালে খনি থেকে পাথর উত্তোলন আবার শুরু করা সম্ভব হবে।

Economists call for urgent reforms, new political settlement in Bangladesh

The Business Standard

Leading economists and policy experts have warned that Bangladesh's economic growth is being stifled by concentrated oligarchic power, urging a fundamental restructuring of the political settlement to enable inclusive and sustainable development. During a discussion in Dhaka today (29 August), they said the country's economic future depends not only on policy reforms but also on a more equitable distribution of power, accountability, and the creation of a competitive, open economy. The Business Standard Google News Keep updated, follow The Business Standard's Google news channel The discussion titled 'Economic Strategies and Political Settlements: Our Current Economic Challenges and Ways Forward' was part of the 'Bengal Delta Conference 2025: Bangladesh at the Crossroads', organised by the Dacca Institute of Research and Analytics (DAIRA) at the InterContinental Dhaka. Keynote speaker Mushtaq Khan, professor of economics at SOAS University of London, highlighted that Bangladesh's economic success in the 1980s–2000s was driven by a broad-based capitalist class. He said recent years have seen power revert to a narrow oligarchic elite, resulting in growth that primarily benefits the few through inflated infrastructure costs, expensive power projects, and bank looting.

জনপ্রিয় স্পোর্টস কার উৎপাদন বন্ধ করল নিশান

Bonik Barta

নিশানের বহুল জনপ্রিয় স্পোর্টস কার মডেল জিটি-আর। জাপানি কোম্পানিটির প্রযুক্তিগত দক্ষতার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত স্পোর্টস কারটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল কয়েক দিন আগে। ফলে ১৮ বছর পর প্রথমবার কোম্পানির লাইনআপ থেকে জিটি-আর ছিটকে পড়ল। গত মঙ্গলবার মিডনাইট পার্পল রঙের সর্বশেষ গাড়িটি তোচিগি কারখানা থেকে ডিলারের কাছে পাঠানো হয়েছে, যা এক জাপানি গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোয় শব্দ, সুরক্ষা ও কার্বন নিঃসরণ বিষয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নিয়মের সঙ্গে মানিয়ে চলতে সমস্যা পড়ছিল নিশান। পাশাপাশি এ মডেলের যন্ত্রাংশ সংগ্রহ ছিল নতুন এক চ্যালেঞ্জ। উৎপাদন বন্ধ প্রসঙ্গে নিশানের প্রেসিডেন্ট ইভান এসপিনোসা বলেন, ‘জিটি-আর নিয়ে আমাদের হাতে চূড়ান্ত কোনো পরিকল্পনা নেই। তবে ভবিষ্যতে আরো পরিমার্জিত রূপ নিয়ে ফিরে আসব।’ জিটি-আর নামের উৎপত্তি ১৯৬৯ সালে। ওই বছর নিশানের স্কাইলাইন মডেলের রেসিং সংস্করণ চালু হয়। তখন স্কাইলাইন ছিল সেডান বা কুপে মডেল, আর স্কাইলাইন জিটি-আর ছিল রেসিং কার মডেল। এর প্রায় চার দশক পর ২০০৭ সালে স্কাইলাইন বাদ দিয়ে সরাসরি ‘নিশান জিটি-আর’ নামে একটি মডেল বাজারে আসে। পারফরম্যান্স ও ডিজাইনের সূক্ষ্মতার কারণে মডেলটি জাপান ও আন্তর্জাতিক বাজারে খ্যাতি অর্জন করে। বিশেষ করে জাপানে অনুষ্ঠিত সুপার জিটি রেসিং সিরিজে জয়ের পর মোটরস্পোর্টস জগতে সাফল্য পায় এটি।

সৌদি আবাসিক রিয়েল এস্টেট খাতে লেনদেনে প্রবৃদ্ধির শীর্ষে মদিনা

Bonik Barta

চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট খাতে লেনদেন হয়েছে প্রায় ৩৩ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। এর মধ্যে আবাসিক রিয়েল এস্টেটে লেনদেনের আকার ছিল ২ হাজার কোটি ডলারের বেশি বা মোট লেনদেনের ৬৩ শতাংশ। অর্থাৎ বছরের প্রথমার্ধে সৌদি আরবের রিয়েল এস্টেট বাজারে মূল চালিকাশক্তি ছিল আবাসন খাত। নাইট ফ্র্যাঙ্কের রেসিডেনশিয়াল মার্কেট ওভারভিউ অনুযায়ী, এ সময় আবাসিক রিয়েল এস্টেট বাজারে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি দেখা যায় মদিনায়। শহরটিতে ৯০ কোটি ৬০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে, যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৪৯ শতাংশ বেশি।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বহুমুখী কৌশল অবলম্বন করছে বাংলাদেশ

Bonik Barta

দেশের অর্থনীতি এখন চাপের মুখে পড়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরুতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯৭ শতাংশে। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, খরচ বেড়ে যাওয়া এবং ঋণের উচ্চ সুদের কারণে নতুন করে বিনিয়োগে আগ্রহ কমে গেছে। ফলে বিনিয়োগ খাতেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে উচ্চ মূল্যস্ফীতির লাগাম টানা এবং ধীর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বাংলাদেশ এখন বহুমুখী কৌশল অবলম্বন করছে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

জীবন বীমা তহবিলে ৩০৮ কোটি টাকার ঘাটতি

Bonik Barta

পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের জীবন বীমা তহবিলে গত ৩০ জুন শেষে মোট ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৭ কোটি ৭১ লাখ ৪০ হাজার টাকা। আগের হিসাব বছরের একই সময় শেষে এ তহবিলে ঘাটতি ছিল ২৭২ কোটি ৫৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকের (এপ্রিল-জুন) অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে কোম্পানিটির নিট প্রিমিয়াম আয় থেকে বীমা দাবি পরিশোধসহ অন্যান্য ব্যয় বাদ দিয়ে ঘাটতি হয়েছে ৬ কোটি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৪ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। আর চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির নিট প্রিমিয়াম আয় থেকে বীমা দাবি পরিশোধসহ অন্যান্য ব্যয় বাদ দিয়ে ঘাটতি হয়েছে ১৪ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১ কোটি ৫৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা। সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ সুপারিশ করেনি পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৭ থেকে ২০২২ পর্যন্ত কোনো লভ্যাংশ পাননি কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০১৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ২০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল পদ্মা লাইফ।

প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের ঋণমান ‘‌ট্রিপল এ’

Bonik Barta

বীমা খাতে তালিকাভুক্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্স লিমিটেডের সার্ভিল্যান্স এনটিটি রেটিং দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল এ’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি ওয়ান’। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ন্যাশনাল ক্রেডিট রেটিংস লিমিটেড (এনসিআর)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে। ১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের অনুমোদিত মূলধন ২০০ কোটি টাকা। ও পরিশোধিত মূলধন ৭৮ কোটি ৮৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৩৫৯ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭ কোটি ৮৮ লাখ ৪৯ হাজার ৮৬। এর ৩৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ১১ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩৭ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম কমেছে

Bonik Barta

ফিউচার মার্কেটে গতকাল মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম কমেছে। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সয়াবিন তেলের ধারাবাহিক দরপতন বাজারে পাম অয়েলের দাম কমার পেছনে ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্ভাব্য বাণিজ্য আলোচনার দিকেও সতর্ক নজর রাখছেন ব্যবসায়ীরা। খবর বিজনেস রেকর্ডার। বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে গতকাল পাম অয়েলের দাম কমেছে ২৬ রিঙ্গিত বা দশমিক ৫৮ শতাংশ। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে ৪ হাজার ৪৬২ রিঙ্গিতে (১ হাজার ৬১ ডলার ১২ সেন্ট)।

বাংলাদেশে দ্রুত সংস্কার ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আহ্বান অর্থনীতিবিদদের

The Business Standard

দেশের অর্থনীতিবিদ ও নীতি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এখন সীমিত কিছু গোষ্ঠীর হাতে কেন্দ্রীভূত অলিগার্কিক ক্ষমতার কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নের জন্য দেশের রাজনৈতিক বন্দোবস্তের মৌলিক পুনর্গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন তারা। আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্সে 'ইকোনমিক স্ট্র্যাটেজিস অ্যান্ড পলিটিক্যাল সেটেলমেন্টস: আওয়ার কারেন্ট ইকোনমিক চ্যালেঞ্জেস অ্যান্ড ওয়েস ফরোয়ার্ড' শীর্ষক আলোচনায় অংশ নিয়ে তারা এ আহ্বান জানান। দুই দিনব্যাপী এই কনফারেন্সের আয়োজন করেছে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিটিক্স (দায়রা)। আলোচনায় বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ কেবল নীতিগত সংস্কারের ওপরই নির্ভর করছে না, বরং এটি ক্ষমতার আরও ন্যায্য বণ্টন, জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা এবং একটি প্রতিযোগিতামূলক ও উন্মুক্ত অর্থনীতি গড়ে তোলার ওপরও নির্ভর করছে। লন্ডনের এসওএএস বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক মুশতাক খান ১৯৮০-২০০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের পেছনে একটি বিস্তৃত পুঁজিবাদী শ্রেণির ভূমিকা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ক্ষমতা আবারও অল্প কিছু অলিগার্কিক শ্রেণির হাতে কুক্ষিগত হয়েছে। এতে প্রবৃদ্ধি কেবল মুষ্টিমেয় কিছু লোকের জন্য লাভজনক হয়েছে। আর এর ফলে অবকাঠামোগত ব্যয় বৃদ্ধি, ব্যয়বহুল বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং ব্যাংক লুটপাট বেড়েছে।

ভারত, চীনের ওপর বেশি শুল্ক: যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে রপ্তানি বাড়ার আশা বাংলাদেশের চামড়া খাতের

The Business Standard

বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান চামড়াজাত পণ্য ও ফুতওয়্যার (পাদুকা) খাত যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে নতুন সুযোগ দেখতে পাচ্ছে। কারণ, প্রতিযোগী দেশ চীন ও ভারতের ওপর তুলনামূলক উচ্চ শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে জানান রপ্তানিকারকরা । আলোচনার মাধ্যমে বাংলাদেশ তার রপ্তানি পণ্যের ওপর মার্কিন পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশে নামিয়ে আনতে পেরেছে। অন্যদিকে, ভারত ও চীনের ওপর এখনও যথাক্রমে প্রায় ৫০ শতাংশ ও ৩০ শতাংশ চড়া শুল্ক বলবত রয়েছে। চামড়া খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই শুল্ক সুবিধার কারণে ইতিমধ্যে বাংলাদেশি কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতাদের থেকে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের বাড়তি অর্ডার পেতে শুরু করেছে। তবে তারা সতর্ক করে এ-ও বলেন, বিনিয়োগের পরিবেশ, অবকাঠামো ও ইউটিলিটি সরবরাহে নানা সমস্যা রয়েছে। এসব দুর্বলতার ফলে এই সুযোগকে কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে দেশের সক্ষমতাকে সীমিত করে ফেলতে পারে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চামড়া ও ফুটওয়্যার রপ্তানি থেকে বাংলাদেশের আয় হয়েছে ১.৭ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় ১৪.৪৫ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার থেকে এসেছে ৩৯৭.৫ মিলিয়ন ডলার, যা এই খাতের মোট রপ্তানির প্রায় ২০-২৫ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেড়েছে। লেদারেক্স ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং লেদারগুডস অ্যান্ড ফুটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সিনিয়র সহসভাপতি মোহাম্মদ নাজমুল হাসান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতির ফলে বাংলাদেশের জন্য সুযোগ তৈরি হয়েছে। কারণ বিদেশি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে চলে আসবে, যা বিনিয়োগ তৈরি টানবে।

তুলা আমদানিতে শুল্কছাড়ের সময়সীমা বাড়িয়েছে ভারত

Bonik Barta

মার্কিন শুল্কে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে ভারতের তৈরি পোশাক খাত। দেশটির পোশাক শিল্পের সহায়তায় আমদানীকৃত তুলার ওপর শুল্কমুক্ত সুবিধার মেয়াদ আরো তিন মাস বাড়িয়েছে ভারত। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সুবিধা বহাল থাকবে। খবর রয়টার্স। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তুলা উৎপাদনকারী দেশ ভারত। গত জুনে তুলা আমদানিতে ১১ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শুল্কমুক্ত সুবিধা দেয়া হয়েছিল দেশটিতে। যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় পোশাক ও গহনা আমদানিতে ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হয়েছে গত বুধবার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তে ভারতীয় রফতানি খাত, বিশেষ করে পোশাক শিল্প বড় ধরনের চাপের মুখে পড়েছে। ২০২৪ সালে ভারত থেকে প্রায় ২ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পোশাক ও গহনা আমদানি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে দেশটির পোশাক বাজারে ভারতের হিস্যা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ।