স্থানীয় গ্যাস সরবরাহে বড় উদ্বেগ বিবিয়ানার উৎপাদন হ্রাস
Bonik Barta
দেশে স্বাভাবিক সময়ে গ্যাসের সরবরাহ থাকে ২ হাজার ৬৬০ মিলিয়ন ঘনফুট। তবে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ভাসমান টার্মিনালে সংকট-ত্রুটিতে গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ অন্তত ১৮ শতাংশ কমে গেছে। এলএনজি নিয়ে গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলমান সংকটে বিদ্যুৎ, শিল্প-কারখানা থেকে শুরু করে আবাসিক খাত ভোগান্তিতে পড়েছে। পাশাপাশি ভাবিয়ে তুলেছে স্থানীয় গ্যাসের উৎপাদন হ্রাস। বিশেষ করে দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাস ফিল্ড বিবিয়ানার উৎপাদন কমে যাওয়াকে উদ্বেগের বলে মনে করেন পেট্রোবাংলা ও জ্বালানি খাতসংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎ সংকটে বিভিন্ন স্থানে ব্যাহত সংরক্ষণ, নষ্ট হচ্ছে পেঁয়াজ-আলুর মজুদ
Bonik Barta
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দীর্ঘ ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কৃষিপণ্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় কোল্ড স্টোরেজের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং পেঁয়াজ সংরক্ষণের এয়ার ফ্লো মেশিন নিয়মিত চালানো যাচ্ছে না। ফলে একদিকে জেনারেটর চালাতে বাড়ছে ডিজেল ব্যয়, অন্যদিকে পেঁয়াজ, আলু ও বীজ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। কোথাও কোথাও এসব পণ্য নষ্ট হতেও শুরু করেছে। এর প্রভাব পড়ছে কৃষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তা—তিন পক্ষের ওপরই।
নির্মাণ খাতের মন্দা ও জ্বালানি সংকটে বিপর্যয়ের মুখে ফ্লোট গ্লাস শিল্প
Bonik Barta
দেশে ফ্লোট গ্লাস শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা গত এক দশকে দ্রুত বেড়েছে। আবাসন, বাণিজ্যিক ভবন, শিল্প-কারখানা ও অবকাঠামো নির্মাণে গ্লাসের ব্যবহার বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উদ্যোক্তারা একের পর এক নতুন বিনিয়োগ করেছেন। বিদ্যমান কারখানাগুলোও বাড়িয়েছে উৎপাদন সক্ষমতা। কিন্তু বিনিয়োগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাজারের চাহিদা বাড়েনি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে নির্মাণ খাতে মন্দা, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, সুদহার বৃদ্ধি এবং সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতির কারণে ফ্লোট গ্লাসের চাহিদা কমেছে। ফলে বর্তমানে এ শিল্পে যে উৎপাদন সক্ষমতা রয়েছে, তা স্থানীয় বাজারের প্রকৃত চাহিদার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি।