External debt up 6.0pc YoY to $104.76b in March
The Financial Express
Bangladesh's overall external debt rose by around 6.0 per cent to US$104.76 billion in March 2025, which was around $6.0 billion higher from the corresponding period a year ago when the volume was $98.93 billion, according to the latest data from the Bangladesh Bank.
The rise is mainly attributed to the public sector's growing appetite for foreign funds. Since March last year, the outstanding figure of foreign debts enhanced slightly to $103.41 billion in June and $104.41 billion in September last year. It dropped a little to $103.74 billion by the end of December 2024, according to the data. The official data showed that long-term debt stood at $91.92 billion, while short-term borrowing accounted for $12.84 billion. The public sector incurred the maximum of the debt, $84.89 billion, with the remaining $19.87 billion borrowed by the country's private sector. In terms of country-wise external debts, China is the leading creditor nation, with Bangladesh owing $3.35 billion followed by the Netherlands ($1.29 billion), the United Kingdom ($1.14 billion), and the United States of America ($0.79 billion).
Share of non-RMG export earnings virtually unchanged in a decade
The Financial Express
Contribution of non-RMG sectors to the country's overall export earnings remained almost static during last one decade, indicating insufficient efforts toward diversification of the product basket and largely reliant on textile and garments. Non-RMG (readymade garment) items like leather and leather goods, footwear, jute goods, agricultural products, frozen and live fish, engineering products together contributed about 15.91 per cent of the total export receipts in the last fiscal year. On the other hand, the share of RMG (knit and woven) and textile, including that of hometex and specialised textile, in the export earnings was 84.08 per cent. The country fetched US$48.28 billion from merchandise exports in the just concluded 2024-25 fiscal, out of which $40.60 billion came from textile and RMG and the remaining $7.68 billion from non-RMG products, according to Export Promotion Bureau (EPB) data. Textile, home textile and specialised textile items fetched $1.25 billion while the RMG sector alone earned $38.23 billion in the last fiscal. In fiscal 2016-17, textile and apparel sector contributed 83.40 per cent or $29.05 billion to the country's total merchandise shipments worth of US$34.83 billion while non-RMG products fetched $5.77 billion or 16.59 per cent, the official data revealed. Exports of textile and RMG items increased by over $10 billion during the last decade while that of non-RMG exports including frozen fish, leather and leather goods and jute goods saw a down ward.
Bank deposit growth slows to 7.7pc in May despite high interest rates
The Financial Express
Deposit growth in Bangladesh’s banking sector has further slowed down in May. According to Bangladesh Bank data, it stood at 7.73 per cent at the end of May. Deposit growth was 8.21 per cent in April and 8.51 per cent in March. Many banks are currently offering interest rates of 9-11 per cent on deposits. Some banks facing a liquidity crisis are paying up to 13 per cent interest. But even those incentives are not drawing the expected deposits. According to Bangladesh Bank data, total deposits in banks increased to Tk 18.32 trillion by the end of May, up from more than Tk 17 trillion in May 2024. Accordingly, the year-on-year growth rate is 7.73 per cent. Since September, deposit growth has been subdued, dropping to 7.26 per cent. Although this rate has fluctuated since then, it has not yet reached double digits.
Bank managing directors (MDs), economists and treasury chiefs have cited several reasons for the lack of growth in deposits. These factors include the increase in interest rates on treasury bills and bonds, high inflation for two and a half years, lack of business expansion and unemployment. Dhaka Bank's MD Sheikh Mohammad Maroof said, “A portion of deposits goes towards treasury bills and bonds because they have higher interest rates. I don’t see any other reason."
Dollar purchases through auction boosts reserves
The Financial Express
Bangladesh Bank’s foreign currency reserves have edged up after the central bank bought nearly half a billion dollars from commercial banks through two auctions this week, the first of their kind in the country.
On Wednesday, Arief Hossain Khan, the central bank spokesperson, said the country’s foreign exchange reserves rose to $24.99 billion (BPM6), while gross reserve now stands at $30.03 billion.
Just over a week ago, on Jul 7, the BPM6-compliant reserves were at $24.45 billion, while gross reserves stood at $29.52 billion, “This reserve growth comes from the dollars we purchased in auctions. The auctions also help keep the exchange rate stable,” Arief said.
Bangladesh Bank bought dollars via auction for the first time on Sunday, purchasing $171 million. On Tuesday, it bought another $313 million. With these two auctions, the central bank acquired a total of $484 million. The second day’s purchase was added to the reserve on Wednesday. The central bank maintains three types of reserve statistics: gross reserve, BPM6-compliant reserve, as required by the International Monetary Fund (IMF), and usable reserve.
To meet IMF loan conditions, the central bank had earlier moved to a market-based exchange rate on May 14, but this shift did not initially cause the dollar price to rise.
যুক্তরাষ্ট্রে অনলাইন প্লাটফর্মে রেকর্ড কেনাকাটা
Bonik Barta
যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন মার্কেটে মাত্র চারদিনে ২৪ দশমিক ১ বিলিয়ন বা ২ হাজার ৪১০ কোটি ডলার খরচ করেছেন ক্রেতারা। ৮-১১ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে কেনাকাটার এ সময়কে বলা হচ্ছে ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে ইন সামার’। অ্যাডোবি অ্যানালিটিকসের তথ্য অনুযায়ী, বড় অংকের মূল্যছাড় ও বিদ্যালয়ে নতুন সেশনের কারণে এ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। খবর রয়টার্স. অ্যাডোবি জানায়, এ সময়ে অনলাইন বিক্রির হার বেড়েছে ৩০ দশমিক ৩ শতাংশ, যা তাদের পূর্বাভাস ২৮ দশমিক ৪ শতাংশকে ছাড়িয়ে গেছে। গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছিল ১ হাজার ৪২০ কোটি ডলারের পণ্য। সেই তুলনায় এ বছর প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১ শতাংশ।
মে মাসে ব্যাংকগুলোতে আমানতের প্রবৃদ্ধি আবারও ৮ শতাংশের নিচে
The Business Standard
ব্যাংক খাতে গ্রাহকের আস্থা কিছুটা ফিরে আসা এবং এক মাসে প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহের পরও ২০২৪ সালের মে মাসে আমানতের প্রবৃদ্ধি ফের কমে ৮ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। এ বছর এটি ছিল সর্বনিম্ন মাসিক প্রবৃদ্ধি। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মে মাস শেষে ব্যাংক খাতে মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৮.৩২ লাখ কোটি টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৭৩ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের মে মাস শেষে আমানতের পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ কোটি টাকা। তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুন শেষে আমানতের প্রবৃদ্ধি ছিল ৯.২৫ শতাংশ। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে এ হার কমতে থাকে। গত বছরের আগস্টে প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছিল ৭.০২ শতাংশে, যা ছিল আগের ১৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন।
চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সামান্য ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেলেও এপ্রিল থেকে আবারও নিম্নমুখী ধারায় ফিরে আসে। এর ধারাবাহিকতায় মে মাসে গত পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বিভিন্ন ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, সাধারণত মূল্যস্ফীতি কমলে আমানতের প্রবৃদ্ধি বাড়ে। তবে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও বিনিয়োগ না থাকায় নতুন কর্মসংস্থান হচ্ছে না। ফলে মানুষের আয় বাড়ছে না। আয় না বাড়লে আমানত কমবে, এটাই স্বাভাবিক। চলতি বছরের মে মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি নেমে আসে ৯.১৭ শতাংশ থেকে ৯.০৫ শতাংশে। জুনে এটি আরও কমে দাঁড়ায় ৮.৪৮ শতাংশে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২৭ মাস পর প্রথমবারের মতো মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নেমেছে।
কর্ণফুলী টানেল থেকে ১৭০ কোটি টাকা লোকসানের লক্ষ্য
Bonik Barta
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্মিত ব্যয়বহুল কর্ণফুলী টানেল চালুর পর থেকেই রয়েছে লোকসানে। টোল বাবদ যা আয় হচ্ছে, তা দিয়ে টানেলটির পরিচালন ব্যয়ই উঠছে না। ব্যয় মেটাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ গুনতে হচ্ছে নির্মাণকারী সংস্থা বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষকে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরও এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। সেতু কর্তৃপক্ষের প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছর টানেল থেকে লোকসান গুনতে হতে পারে ১৬৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত টানেলের ভেতর রাখতে হয় কৃত্রিম অক্সিজেন ও আলো সরবরাহ, সামগ্রিক নিরাপত্তা ও সার্বক্ষণিক জরুরি নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এ কারণে টানেলটি পরিচালনা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। প্রকল্পটির জন্য করা সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নির্মাণের পর টানেলটিতে দুই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ দরকার। একটি হলো প্রতিদিনকার রক্ষণাবেক্ষণ—বিদ্যুৎ সরবরাহ, কার্বন ডাই-অক্সাইড অপসারণ করে অক্সিজেন সরবরাহসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজ এতে অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে প্রতি পাঁচ বছর পর একবার বড় ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ। এছাড়া কর্মীদের বেতন, বিদ্যুৎ-জ্বালানিসহ আনুষঙ্গিক পরিচালন ব্যয়। বিপরীতে আয়ের প্রধান খাত ওই পথে চলাচল করা যানবাহন থেকে আদায় হওয়া টোল।
জুনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার দেয়া হয় ২ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা
Bonik Barta
দেশের ব্যাংক খাতে বিরাজমান তারল্য সংকট তীব্র হচ্ছে। তা মোকাবেলায় দেশের ব্যাংকগুলোর তারল্য জোগানে বড় উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কেবল গত জুনেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে নেয়া হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ১৪১ কোটি টাকা। রেপো ও স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটিজ হিসেবে ব্যাংকগুলো এ সহায়তা নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তৈরি করা ‘মানি মার্কেট ডাইনামিকস’ শীর্ষক প্রতিবেদনের জুন সংখ্যায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, গত অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে প্রতি মাসে গড়ে ব্যাংকগুলোকে দেয়া তারল্য সহায়তার পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৯০ হাজার ৪১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে গড়ে ৯৪ হাজার ৮৫৮ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে রেপো হিসেবে। আর স্পেশাল লিকুইডিটি ফ্যাসিলিটিজ হিসেবে গড়ে ধার দেয়া হয়েছে ৯৫ হাজার ৫৫৭ কোটি টাকা।
তৃতীয় দফায় আলোচনার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে বাংলাদেশ
Bonik Barta
বাংলাদেশী পণ্যের ওপর আরোপিত ৩৫ শতাংশ পাল্টা শুল্ক কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের দেয়া শর্ত নিয়ে তৃতীয় দফায় আলোচনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ। দেশটির সঙ্গে শুল্ক চুক্তি করতে একটি অবস্থানপত্র তৈরিতে সংশ্লিষ্ট মান্ত্রণালয় ও দপ্তরের মতামত নিচ্ছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে গতকাল মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ মতামত নেয়া হয়। আগামী সপ্তাহে ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যে শুল্ক ইস্যুতে দরকষাকষির জন্য তৃতীয় দফায় আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। দেশটির দেয়া শর্তের মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক আইন থেকে কতটুকু বাস্তবায়ন সম্ভব তা উল্লেখ করে আলোচনা শুরুর আগেই প্রতিবেদন আকারে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে।
বছরের বাকি সময়ও ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে স্বর্ণের বাজারদর
Bonik Barta
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম চলতি বছরের প্রথমার্ধে ২৬ শতাংশ বেড়েছে। বছরের বাকি সময়ও মূল্যবান ধাতুটির বাজারদর ঊর্ধ্বমুখী থাকার পূর্বাভাস দিয়েছে ওয়ার্ল্ড গোল্ড কাউন্সিল (ডব্লিউজিসি)। খবর মাইনিং ডট কম ও রয়টার্স। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে সংস্থাটি জানিয়েছে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধির পেছনে ভূমিকা রেখেছে ডলারের বিনিময় হার কমে যাওয়া, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, বিনিয়োগকারীদের চাহিদা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ঊর্ধ্বমুখী ক্রয়। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা, বিশেষ করে স্থবিরতা বা মন্দার ঝুঁকি বাড়লে সামনের দিনগুলোয় ধাতুটির চাহিদা আরো বাড়তে পারে, যার প্রভাব পড়বে দামে।
বিদেশী বিনিয়োগের গন্তব্য হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার রিয়েল এস্টেট খাতের আকর্ষণ বাড়ছে
Bonik Barta
যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিয়ন্ত্রক জটিলতার মুখে বিকল্প আয়ের উৎসের খোঁজে থাকা বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করছে অস্ট্রেলিয়ার রিয়েল এস্টেট খাত। স্থিতিশীল অর্থনীতি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও নিয়ন্ত্রিত মূল্যস্ফীতি এসব মিলিয়ে দেশটি বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীদের জন্য নিরাপদ গন্তব্য হয়ে উঠেছে। খবর নিক্কেই এশিয়া। অস্ট্রেলিয়ার রিয়েল এস্টেট খাতে ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান জাগা জানিয়েছে, হংকং, সিঙ্গাপুর ও জাপানের মতো দেশ থেকে বিনিয়োগকারীরা অস্ট্রেলিয়ার আবাসন খাতে অর্থ বিনিয়োগে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত জাগা বর্তমানে প্রায় ১০০ কোটি অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ৬৬ কোটি ডলারের সমতুল্য সম্পদ ব্যবস্থাপনায় যুক্ত। প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আবাসন ও বাণিজ্যিক সম্পদ উন্নয়নে যুক্ত সংস্থার সংযোগ ঘটায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ২৫ শতাংশ বিনিয়োগকারী বিদেশী। জাগা জানিয়েছে, আরো কিছু চুক্তি সফল হলে জাপান প্রতিষ্ঠানটির দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বাজার হয়ে উঠতে পারে। জাগার প্রধান নির্বাহী (সিইও) অ্যালান গ্রিনস্টেইন জানান, অনেক বিনিয়োগকারী এখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। শুধু সাধারণ ঝুঁকিই নয়, বরং সেখানে অতিরিক্ত কেন্দ্রীভূত বিনিয়োগের ঝুঁকিও রয়েছে। ফলে সবাই এখন বিকল্প বাজার খুঁজছেন।
ভারতে পণ্য বাণিজ্যে ৩০০ বিলিয়ন ডলার ঘাটতির পূর্বাভাস
Bonik Barta
২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভারতের পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি বেড়ে ৩০০ বিলিয়ন বা ৩০ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছতে পারে, যা গত অর্থবছরে ছিল ২৮৭ বিলিয়ন ডলার। আইসিআইসিআই ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া অন্য প্রধান বাজারে চাহিদা কম থাকায় ভারতীয় পণ্য রফতানিতে গতি কমে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি চাহিদার প্রধান কারণ শুল্ক বাধার মুখে অগ্রিম ক্রয়াদেশ। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ভোগ চাঙ্গা থাকায় আমদানি বাড়তে পারে। দুর্বল রফতানি ও শক্তিশালী আমদানির এ অসমতায় ভারতে বাণিজ্য ঘাটতি আরো বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। খবর দ্য হিন্দু
বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রত্যাশার তুলনায় বেড়েছে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্য
Bonik Barta
গোটা বিশ্বেই বাণিজ্য খাতকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতি। এর মধ্যেও বছরের প্রথমার্ধে বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধি হয়েছে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশার চেয়ে বেশি। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) হিসাব অনুযায়ী, চলতি ২০২৫ পঞ্জিকাবর্ষের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) বিশ্বব্যাপী পণ্য বাণিজ্য বেড়েছে ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ। আর আগের প্রান্তিকের (২০২৪ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর) তুলনায় এ বৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। তবে বছরের বাকি সময়ে বৈশ্বিক পণ্য বাণিজ্য সম্প্রসারণের এ গতি অব্যাহত নাও থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছে ডব্লিউটিও।
ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ১৯ শতাংশ শুল্ক কিনবে ৫০ বোয়িং
Bonik Barta
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ইন্দোনেশিয়া। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে ইন্দোনেশিয়ার পণ্যের ওপর ১৯ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ হবে। এর বিপরীতে দেশটিতে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া চুক্তির অংশ হিসেবে বিপুল পরিমাণ মার্কিন পণ্য ক্রয়সহ ৫০টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে পারে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটি। খবর দ্য গার্ডিয়ান। এর আগে ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানীকৃত পণ্যের ওপর ৩২ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরে তা আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। ট্রাম্প ঘোষিত সে সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি শুল্ক-বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছতে পেরেছে ইন্দোনেশিয়া।
জেপি মরগানের মুনাফা কমেছে
Bonik Barta
মার্কিন বৃহৎ বিনিয়োগ ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) প্রথম আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জেপি মরগান চেজ। প্রতিষ্ঠানটির দেয়া তথ্যানুসারে, এ সময় নিট মুনাফা কমেছে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ। তবে প্রত্যাশার তুলনায় বেড়েছে আয়। খবর সিএনবিসি। জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে জেপি মরগান নিট মুনাফা করেছে ১ হাজার ৪৯০ কোটি ডলার বা শেয়ারপ্রতি ৫ ডলার ২৪ সেন্ট। তবে ব্যাংকটি গত বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট প্লাটফর্ম ভিসার শেয়ার বিক্রি করে ৭৯০ কোটি ডলার মুনাফা করেছিল। তাই ওই সময় মুনাফা তুলনামূলক বেশি ছিল।
বিনিয়োগের টাকা ফেরত আনতে ব্যর্থ হলে শীর্ষ কর্মকর্তাদের গুনতে হবে জরিমানা
Bonik Barta
বিধিবহির্ভূতভাবে বিনিয়োগ করা ৪৯ কোটি টাকা ফেরত আনতে ব্যর্থ হলে এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড ও কোম্পানিটির চার কর্মকর্তাকে মোট ৬০ কোটি টাকা জরিমানা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। গত মঙ্গলবার বিএসইসির চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ৯৬৩তম কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় জানানো হয়, এলআর গ্লোবাল পরিচালিত ছয়টি মিউচুয়াল ফান্ড ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, গ্রিন ডেল্টা মিউচুয়াল ফান্ড, এআইবিএল ফার্স্ট ইসলামিক মিউচুয়াল ফান্ড, এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড মিউচুয়াল ফান্ড, এনসিসিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-ওয়ান ও মার্কেন্টাইল ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের ১০০ টাকা মূল্যের ই-লিকুইড শেয়ারে প্রতিটি ১২ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ৪৯ কোটি টাকা বিধিবহির্ভূতভাবে বিনিয়োগ করা হয়।
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের লোকসান বেড়েছে ৩৩%
Bonik Barta
আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেডের চলতি ২০২৫ হিসাব বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) লোকসান হয়েছে ২৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ২১ পয়সা। সে হিসাবে আলোচ্য প্রান্তিকে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির লোকসান বেড়েছে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। কোম্পানিটির দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
তথ্যানুসারে, চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল একই। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২১ পয়সায়।