Bangladesh seeks $3.0b ITFC loan for 2025
The Financial Express
Bangladesh has taken a fresh move to rebuild ties with the Islamic Development Bank (IsDB) as it sought a substantial US$3.0 billion credit from the middle-eastern donor to finance the imports of fuel, LNG and fertiliser in 2025, officials said on Saturday.
The government has recently sought the loan from the IsDB's commercial window ITFC for the next year, they said.
The Economic Relations Division (ERD) requested the ITFC (International Islamic Trade Finance) team, which visited Bangladesh last week, for extending the financial support in addition to its continuing lending in the next calendar year, ERD officials said.
তৈরি পোশাক খাতে লোকসান কেন হচ্ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে?
The Business Standard
বাংলাদেশের বৃহৎ অনেক পোশাক কারখানা উৎপাদন বাড়ালেও, সেক্ষেত্রে মনোযোগ বেশি দেওয়া হয়েছে স্বল্প মূল্যের ব্যাপক উৎপাদনযোগ্য পণ্যে। অপেক্ষাকৃত ছোট কারখানাগুলো চালু রাখতেই হিমশিম খাচ্ছেন মালিকরা, নয় সেগুলো একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে ৪০ শতাংশ পোশাক কারখানা, এই অবস্থায় বাংলাদেশের এই শিল্পের অনিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সতর্ক করে বলেছেন, ব্যবসায়ীরা যদি উচ্চ মানের, উচ্চ মুনাফা মার্জিনের পণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকতে না পারেন তাহলে সামনের বছরগুলোয় কারখানার সংখ্যা আরো কমে যাবে। এই খাতের ঝুঁকিগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস, দুর্বল কৌশল, এবং পণ্য বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টার অভাব ও স্বল্প মূল্যের পণ্য উৎপাদনের ওপর অতি-নির্ভরশীলতাকে দায়ী করেছেন তিনি।
ব্যবসা বহুমুখীকরণে ছয় বছরে ৩৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ অলিম্পিকের
The Business Standard
দেশের সবচেয়ে বড় বিস্কুট ও কনফেকশনারি কোম্পানি অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ গত ছয় বছরে প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। কারখানা সম্প্রসারণ, ব্যবসা বহুমুখীকরণ এবং পুরো কনফেকশনারি শিল্পে শক্ত অবস্থান অর্জনের লক্ষ্যেই মোটা অঙ্কের এই বিনিয়োগ বলে জানা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দায়েরকৃত মূল্য সংবেদনশীল তথ্যে জানা গেছে, কোম্পানিটি জমি ক্রয়ের জন্য বিনিয়োগ করেছে মোট ১৮১ কোটি টাকা। এর মধ্যে বসুন্ধরায় ১১০ দশমিক ২৬ কোটি, তেজগাঁওয়ে ৫২ দশমিক ৬২ কোটি, পূর্বাচলে ৮ দশমিক ৯১ কোটি এবং নারায়ণগঞ্জে ৮ দশমিক ৫৯ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে।
কারখানা কার্যক্রম সম্প্রসারণে ১৭৮ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে অলিম্পিক। এর মধ্যে চানাচুর উৎপাদনের জন্য ২২ দশমিক ৭১ কোটি, নুডুলসের জন্য ২৪ দশমিক ৭৫ কোটি, চকোলেটের জন্য ১২ কোটি, কেকের জন্য ২৫ দশমিক ৬৫ কোটি, বিস্কুটের জন্য ৬৪ কোটি এবং অবকাঠামো ও প্যাকেজিংয়ের জন্য ২৮ দশমিক ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
Investor distrust grows over closed-end mutual funds’ poor performance
The Business Standard
This has been reflected in their unit prices, which often trade significantly below their face value. Currently, there are 37 closed-end mutual funds listed on the Dhaka Stock Exchange (DSE), but only three of these funds are trading above their face value of Tk10. Analysts have noted that most fund units are trading at discounts of up to 70% from their net asset value (NAV). However, this situation has a silver lining: when these funds are liquidated after their tenure, investors could potentially realize significant returns compared to their initial cost price.
রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অস্থিরতায়ও পোশাক রফতানির গতি ধরে রেখেছে বড়রা
Bonik Barta
শীর্ষ ১০ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশেরই রফতানি গত বছরের তুলনায় বেড়েছে। রফতানিকারকরা বলছেন, এসব কারখানা সাম্প্রতিক শ্রম অসন্তোষের প্রভাব এড়াতে সক্ষম হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আস্থা ধরে রেখেছিলেন ক্রেতারাও।
জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে গত বছরের শেষার্ধে দেশের রাজনীতিতে অস্থিরতা শুরু হয়। এরপর গত জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নের পাশাপাশি শিল্প-কারখানা বন্ধ রাখা হয়। শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা বজায় থাকে অভ্যুত্থানের পরও। শ্রম অসন্তোষ, কারখানা ভাংচুরের মতো ঘটনায় ব্যাহত হয় উৎপাদন। এমন নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও চলতি বছর তৈরি পোশাক খাতের শীর্ষ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পোশাক রফতানির গতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে বলে বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে।
নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে অপর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করছে ৩০ শতাংশ মানুষ: ডব্লিউএফপি
Bonik Barta
বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ২০ শতাংশ মানুষ। সিলেট ও বরিশাল অঞ্চলে এ হার সবচেয়ে বেশি, ২৪ শতাংশ।
বাংলাদেশে খাদ্যনিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ২০ শতাংশ মানুষ। সিলেট ও বরিশাল অঞ্চলে এ হার সবচেয়ে বেশি, ২৪ শতাংশ। আর নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে প্রয়োজনের চেয়ে কম খাদ্য গ্রহণ করছে দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) প্রকাশিত এক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে.
High food prices heightening food insecurity
The Financial Express
The International Rescue Committee (IRC), an organisation created in 1933 at the call of Albert Einstein, helps rebuild lives of people devastated by disasters and conflict. It claims that farmlands destroyed by droughts and floods attributable to global warming and climate change are leading to global food insecurity. As a result, food prices are expected to rise 20 per cent globally by 2050. These issues including conflicts are a key factor behind manmade food crisis contributing to global hunger. IRC's report published in mid-August this year says that 1 in every 11 people in the world are going hungry and that 757 million people could not afford the food required for maintaining their basic health in 2023. As far as malnutrition and hunger are concerned, they go hand in hand. In fact, malnutrition is about the lack of required amount of carbohydrate and protein in the human body where former is the source of energy and the latter being the driver of physical growth (of a human body) including development of its brain.
তৈরি পোশাক খাতে লোকসান কেন হচ্ছে, সামনে কী অপেক্ষা করছে?
The Business Standard
বাংলাদেশের বৃহৎ অনেক পোশাক কারখানা উৎপাদন বাড়ালেও, সেক্ষেত্রে মনোযোগ বেশি দেওয়া হয়েছে স্বল্প মূল্যের ব্যাপক উৎপাদনযোগ্য পণ্যে। অপেক্ষাকৃত ছোট কারখানাগুলো চালু রাখতেই হিমশিম খাচ্ছেন মালিকরা, নয় সেগুলো একেবারে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে লোকসানে পরিচালিত হচ্ছে ৪০ শতাংশ পোশাক কারখানা, এই অবস্থায় বাংলাদেশের এই শিল্পের অনিশ্চিত বলেই মনে হচ্ছে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম সতর্ক করে বলেছেন, ব্যবসায়ীরা যদি উচ্চ মানের, উচ্চ মুনাফা মার্জিনের পণ্য উৎপাদনের দিকে ঝুঁকতে না পারেন তাহলে সামনের বছরগুলোয় কারখানার সংখ্যা আরো কমে যাবে। এই খাতের ঝুঁকিগুলোর জন্য প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস, দুর্বল কৌশল, এবং পণ্য বৈচিত্র্য আনতে চেষ্টার অভাব ও স্বল্প মূল্যের পণ্য উৎপাদনের ওপর অতি-নির্ভরশীলতাকে দায়ী করেছেন তিনি।
দেশে ক্ষুধা নিরাময় উদ্বেগের জায়গায় দাঁড়িয়েছে
Bonik Barta
বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার বড় হয়েছে। আর্থিক বিভিন্ন সূচকের উন্নতি ঘটেছে। কয়েক বছর ধরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। উন্নয়নের সুবিধা দেশের সব মানুষের কাছে সমানভাবে পৌঁছেনি। ফলে দেশের অর্থনীতির আকার বড় হলেও জনসংখ্যার একটি অংশ পেট ভরে খেতে পারে না। এ সংবাদ দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনিক নীতিগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে গত বছরের চেয়ে তিন ধাপ অবনমন হয়েছে বাংলাদেশের। সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুসারে ১২৭টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। সব মিলিয়ে দেশে ক্ষুধা নিরাময় এখন বড় উদ্বেগের জায়গায় দাঁড়িয়েছে।
বিশ্ববাসীর মধ্যে ক্ষুধার প্রকোপ কতখানি, তা জানতে প্রতি বছর বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচক প্রকাশ করা হয়। কোন দেশে কত মানুষ এখনো ক্ষুধা আক্রান্ত, তা প্রকাশ করাই এর কাজ। এ সূচকে আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো বরাবরই সর্বাধিক ক্ষুধা আক্রান্ত বলে উঠে এসেছে। এ বছরের ক্ষুধা সূচক বলছে, দক্ষিণ এশিয়ায় ক্ষুধার মাত্রা গুরুতর, কারণ এ অঞ্চলে রয়েছে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও অপুষ্টি। আর বিশ্বব্যাপী ক্ষুধার কারণ হিসেবে দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়া সংঘাত, জলবায়ু পরিবর্তন, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, ঋণ সংকট ও বৈষম্যকে দায়ী করা হয়েছে।