21-Nov-2025

Saturday 22 November 2025

23-Nov-2025

ভারতে বাড়তে পারে পাম অয়েল আমদানি

Bonik Barta

সয়াবিনের তুলনায় দাম বেড়ে যাওয়ায় ভারতে গত মৌসুমে পাম অয়েল আমদানি কমে গিয়েছিল ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ। বর্তমানে প্রতিযোগিতামূলক দামের কারণে ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে (নভেম্বর-অক্টোবর) দেশটিতে ভোজ্যতেলটির আমদানি ২০ শতাংশ বাড়তে পারে। ভারতের সলভেন্ট এক্সট্র্যাক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের (এসইএ) প্রেসিডেন্ট সঞ্জীব অস্থানা রয়টার্সকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘সাম্প্রতিক দরপতনের পর অন্যান্য ভোজ্যতেলের তুলনায় পাম অয়েলের দাম এখন অনেক বেশি প্রতিযোগিতামূলক। এ কারণেই আমদানি চাহিদা বাড়ছে। নতুন মৌসুমে ভারতে পাম অয়েলের মোট আমদানি পৌঁছতে পারে ৯৩ লাখ টনে।

ভিয়েতনামে এখনো চালের দর প্রায় পাঁচ বছরের সর্বনিম্নে

Bonik Barta

নিম্নমুখী চাহিদার প্রভাবে ভিয়েতনামে গত সপ্তাহেও প্রায় পাঁচ সপ্তাহের সর্বনিম্নে ছিল চালের দাম। অন্যদিকে ভারতে খাদ্যশস্যটির মূল্য কিছুটা বাড়লেও সামগ্রিকভাবে রফতানি চাহিদা ছিল নিম্নমুখী। খবর বিজনেস রেকর্ডার। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামে ৫ শতাংশ খুদযুক্ত চালের মূল্য ছিল টনপ্রতি ৩৫০-৩৫৫ ডলার। এটি আগের সপ্তাহের টনে ৪১৫-৪৩০ ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্য মাত্রায় কম এবং ২০২০ সালের জানুয়ারির পর সর্বনিম্ন।

২০২৫-২৬ মৌসুমে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুদ বাড়তে পারে ৫%

Bonik Barta

চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে বিশ্বব্যাপী শস্যের মজুদ ৫ শতাংশ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল গ্রেইনস কাউন্সিল (আইজিসি)। সেক্ষেত্রে ২০২১-২২ মৌসুমের পর এবারই প্রথম বৈশ্বিক শস্য মজুদ বাড়তে যাচ্ছে। ‘গ্রেইন মার্কেট রিপোর্ট’ শীর্ষক প্রতিবেদনে আইজিসি জানিয়েছে, বিশ্বব্যাপী চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে শস্যের মোট মজুদ পৌঁছতে পারে ৬১ কোটি ৯০ লাখ টনে, যা আগের মৌসুমের তুলনায় ৫ শতাংশ বেশি। খবর ওয়ার্ল্ড গ্রেইনডটকম। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাড়তি উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশগুলোর শস্য জমানোর প্রবণতা বিশ্বব্যাপী মোট মজুদ বাড়ার পেছনে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া গত বছর পতনের দেখা পাওয়ার পর, এ মৌসুমে শস্যের আমদানি-রফতানি বাড়বে ৪ শতাংশ। এ সময় বিশ্বব্যাপী খাদ্যশস্যের আমদানি-রফতানি পৌঁছতে পারে ৪৪ কোটি ২০ লাখ টনে।

ব্রাজিলের গরুর মাংস ও কফি থেকে শুল্ক প্রত্যাহার ট্রাম্পের

Bonik Barta

ব্রাজিলের খাদ্যপণ্যের ওপর আরোপিত ৪০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মধ্যে রয়েছে গরুর মাংস, কফি, কোকোয়া ও ফলমূল। ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র জায়ার বলসোনারোর বিরুদ্ধে মামলার কারণে গত জুলাইয়ে এ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। সম্প্রতি আরো কিছু দেশের কৃষিপণ্য থেকে শুল্ক প্রত্যাহার করে নিয়েছে হোয়াইট হাউজ। যুক্তরাষ্ট্রে খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

অক্টোবরে জাপানের রফতানি বেড়েছে ৩.৭ শতাংশ

Bonik Barta

জাপান থেকে গত অক্টোবরে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। তবে বৃহত্তম বাজার যুক্তরাষ্ট্রে দেশটির রফতানি কমেছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। এছাড়া অক্টোবরে জাপানে আমদানি বেড়েছে দশমিক ৬ শতাংশ। জাপান সরকারের পরিসংখ্যান অনুসারে বার্ষিক ভিত্তিতে অক্টোবর পর্যন্ত টানা সাত মাস জাপান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি কমেছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরোপিত উচ্চ শুল্কের উল্লেখ করেছে জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়।

প্রায় সোয়া ট্রিলিয়ন ডলার মূলধন হারিয়েছে ক্রিপ্টো বাজার

Bonik Barta

বিশ্বব্যাপী ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদে বিনিয়োগ কমায় ক্রিপ্টোকারেন্সি বাজারে আবারো অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদহার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়া ও প্রযুক্তি খাতের অতিমূল্যায়ন নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ায় বিটকয়েনসহ প্রধান ডিজিটাল মুদ্রার দাম টানা ছয় সপ্তাহ ধরে কমছে। এ সময় ক্রিপ্টো বাজার প্রায় সোয়া ট্রিলিয়ন ডলার মূলধন হারিয়েছে। খবর রয়টার্স ও দ্য ন্যাশনাল। এশিয়ার বাজারে লেনদেন চলাকালে বিটকয়েনের দাম গতকাল ২ দশমিক ১ শতাংশ কমে নেমে আসে প্রায় ৮৫ হাজার ৩৫০ ডলারে। এটি গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ইথারের দামও ২ শতাংশের বেশি কমে পৌঁছেছে চার মাসের সর্বনিম্ন ২ হাজার ৭৭৭ ডলারে। সপ্তাহজুড়ে বিটকয়েন ও ইথার উভয়েরই দাম কমেছে প্রায় ৮ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে চাল ও গমের দাম কমলেও তার সুফল পাচ্ছেন না বাংলাদেশের ভোক্তারা

Bonik Barta

বিশ্ববাজারে চাল ও গমের দাম কমলেও তার সুফল পাচ্ছেন না বাংলাদেশের ভোক্তারা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে ব্যবসায়ীরা সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে তার সুফল পৌঁছাতে অনেক সময় লেগে যায়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত এক বছর ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে চাল ও গমের দাম ধারাবাহিকভাবে কমছে। অথচ বাংলাদেশের বাজারে এই দুটি নিত্যপণ্যের দাম উল্টো বেড়েই চলেছে।বাংলাদেশের গমের চাহিদার সিংহভাগ মেটানো হয় আমদানির মাধ্যমে। গত এক বছরে সরকারি-বেসরকারি খাত যথেষ্ট চালও আমদানি করেছে। তা সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে দাম কমার কোনো সুবিধা দেশের ভোক্তারা পাচ্ছেন না।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে ব্যবসায়ীরা সঙ্গে সঙ্গে দেশের বাজারে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দেন। কিন্তু বিশ্ববাজারে দাম কমলে দেশের বাজারে তার সুফল পৌঁছাতে অনেক সময় লেগে যায়।করোনা মহামারির সময় বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় খাদ্যের দাম বেড়ে গিয়েছিল। ২০২১ সালে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সাথে সাথে মূল্য কিছুটা কমে আসে। তবে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হলে বিশ্ববাজারে গম ও অন্যান্য পণ্যের দাম আবারও বেড়ে যায়।