যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিত ও ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে অনিশ্চয়তা অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের মূল্য বেড়েছে
Bonik Barta
যুক্তরাষ্ট্রে চাহিদা বৃদ্ধির ইঙ্গিতের খবরে আন্তর্জাতিক বাজারে গতকাল দাম বেড়েছে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের। একই সঙ্গে ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে অনিশ্চয়তাও এ মূল্যবৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজার আদর্শ ব্রেন্টের দাম গতকাল ব্যারেলপ্রতি ৬৭ ডলার ৩০ সেন্টে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের তুলনায় ব্যারেলে ৪৬ সেন্ট বা দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। এ সময় মার্কিন বাজার আদর্শ ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের (ডব্লিউটিআই) দাম ৫০ সেন্ট বা দশমিক ৮ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেলে দাঁড়ায় ৬৩ ডলার ২১ সেন্টে। এর আগের দিন উভয় বাজার আদর্শে জ্বালানি তেলের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়েছিল। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের মজুদ প্রত্যাশার তুলনায় কমেছে। গত সপ্তাহে পণ্যটির মজুদ ৬০ লাখ ব্যারেল কমে ৪২ কোটি ৭ লাখে নেমে এসেছে। এর আগে রয়টার্সের জরিপে মার্কিন মজুদ ১৮ লাখ ব্যারেল কমার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল।
ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে কূটনৈতিক উদ্যোগে অনিশ্চয়তা বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিকে আরো প্রভাবিত করছে। রাশিয়া সতর্ক করে জানিয়েছে, মস্কোকে বাইরে রেখে সমাধানের চেষ্টা অর্থহীন হবে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির দায়ে ভারতের ওপর শুল্কচাপ বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও এ চাপ উপেক্ষা করে রাশিয়া ঘোষণা দিয়েছে, ভারতকে কম দামে জ্বালানি তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখবে দেশটি। এজন্য মস্কো নতুন করে ৫ শতাংশ মূল্যছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে বলে ভারতে নিযুক্ত রাশিয়ার ডেপুটি ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ইভগেনি গ্রিভার বরাত দিয়ে জানিয়েছে এনডিটিভি।
২০২৪-২৫ মৌসুম ভারতে ৩১১.৪ লাখ বেল তুলা উৎপাদনের পূর্বাভাস
Bonik Barta
ভারতে ২০২৪-২৫ মৌসুমে মোট ৩ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার বেল (প্রতি বেলে ৪৮০ পাউন্ড) তুলা উৎপাদন হতে পারে। কটন অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার (সিএআই) নিয়মিত মাসিক প্রতিবেদনের আগস্ট সংস্করণে এমন পূর্বাভাস দেয়া হয়। জুলাইয়েও একই পূর্বাভাস দিয়েছিল সংস্থাটি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ মৌসুমে ভারতে মোট তুলা জোগানের পরিমাণ হতে পারে ৩ কোটি ৮৯ লাখ ৫৯ হাজার বেল। এটি আগের দেয়া পূর্বাভাস ৩ কোটি ৮০ লাখ ৫৯ হাজার বেলের তুলনায় বেশি। এর মধ্যে প্রারম্ভিক মজুদ ৩৯ লাখ ১৯ হাজার বেল, উৎপাদন ৩ কোটি ১১ লাখ ৪০ হাজার বেল এবং আমদানির সম্ভাব্য পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৯ লাখ বেল। এছাড়া চলতি মৌসুমে ভারতে তুলার অভ্যন্তরীণ ব্যবহার দাঁড়াতে পারে ৩ কোটি ১৪ লাখ বেলে।
সিএআই জানিয়েছে, জুলাই পর্যন্ত ভারতে তুলার মোট জোগান দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৭৪ লাখ ৪৩ হাজার বেলে। এর মধ্যে প্রক্রিয়াকরণ হয়েছে ৩ কোটি ২ লাখ ২৪ হাজার বেল, আমদানি ৩৩ লাখ বেল ও প্রারম্ভিক মজুদের পরিমাণ ছিল ৩৯ লাখ ১৯ হাজার বেল। একই সময় অভ্যন্তরীণ ব্যবহারের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৬১ লাখ ৬৬ হাজার বেল এবং রফতানির পরিমাণ ছিল ১৬ লাখ বেল।
কারণ ছাড়াই বাড়ছে মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর
Bonik Barta
সম্প্রতি পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর ও লেনদেন অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। এর পেছনে কোনো ধরনের অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, ডিএসইতে ১০ আগস্ট মেঘনা পেটের শেয়ারদর ছিল ২৪ টাকা ৭০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৩০ টাকা ৫০ পয়সায়। এ সময়ের ব্যবধানে কোম্পানিটির দর বেড়েছে ২৩ টাকা ৪৮ শতাংশ।
মালয়েশীয় পাম অয়েলের দরপতন
Bonik Barta
ফিউচার মার্কেটে মালয়েশীয় পাম অয়েলের দাম গতকাল টানা তৃতীয় দিনের মতো কমেছে। চীনের ডালিয়ান কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (ডিসিই) অন্যান্য ভোজ্যতেলের দাম কমে যাওয়া এ দরপতনের পেছনে ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বুরসা মালয়েশিয়া ডেরিভেটিভস এক্সচেঞ্জে নভেম্বরে সরবরাহের চুক্তিতে গতকাল পাম অয়েলের দাম ৩৬ রিঙ্গিত বা দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। প্রতি টনের মূল্য নেমেছে ৪ হাজার ৪৬২ রিঙ্গিতে (১ হাজার ৫৬ ডলার ৮৫ সেন্ট)। কুয়ালালামপুরের এক ব্যবসায়ী জানান, ‘চীনের বাজারে প্রায় সব ধরনের ভোজ্যতেলের দাম কমেছে। এর প্রভাব অন্যান্য ভোজ্যতেলের বাজারেও পড়েছে।’ চলতি মাসের শুরু থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানি গত মাসের একই সময়ের তুলনায় ১৩ দশমিক ৬ থেকে ১৭ শতাংশ বেড়েছে। ইন্টারটেক টেস্টিং সার্ভিসেস অ্যান্ড এমস্পেক অ্যাগ্রি মালয়েশিয়া সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
ডিসিইতে গতকাল পাম অয়েলের দাম দশমিক ১৯ শতাংশ কমেছে। এ সময় সয়াবিন তেলের দরপতন হয়েছে দশমিক ১৭ শতাংশ। যদিও এ সময় শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) সয়াবিন তেলের দাম দশমিক ৪৭ শতাংশ বেড়েছে।
সিউলের পথে ছুটছে লাক্সারি হোটেল ব্র্যান্ডগুলো
Bonik Barta
দুই-তিন বছর আগেও কভিড মহামারীর প্রভাবে খাঁ খাঁ করছিল সিউল। তখন অতিথির অভাবে অনেক হোটেল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। আবার কিছু অফিস স্পেসে রূপান্তর হয়। এখন সময় পুরো পাল্টে গেছে। বিদেশী পর্যটকের আনাগোনা বাড়ায় দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানীর হোটেল খাতে নতুন করে আগ্রহ দেখাচ্ছেন দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীরা। এর মধ্যে সামনের সারিতে রয়েছে বিশ্বখ্যাত কিছু লাক্সারি হোটেল ব্র্যান্ড। কোরিয়া ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) ৮৮ লাখ ৩০ হাজার পর্যটক এসেছেন কোরিয়ায়, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১ লাখ ২০ হাজার বেশি। একই সঙ্গে এ খাত পুনরুদ্ধার হয়ে তা মহামারীপূর্ব সময়ের চেয়েও ১০৪ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধির ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৭ সালে সিউল ও আশপাশের অঞ্চলে আউটলেট চালু করবে একাধিক হোটেল ব্র্যান্ড। এর মধ্যে রয়েছে রোজউড সিউল ও সিঙ্গাপুরভিত্তিক ক্যাপেলা হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের ক্যাপেলা রেসিডেন্সেস সিউল। অতিবিলাসী পরিষেবার জন্য বিখ্যাত আমান গ্রুপের ব্র্যান্ড জানুও একই বছর কোরিয়ায় প্রবেশ করবে। এর দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি হবে সিউলে ও জেজু দ্বীপে। সিউল স্টেশনের উন্নয়ন প্রকল্পে ২০২৯ সালের মধ্যে চালু হবে ম্যান্ডারিন ওরিয়েন্টাল হোটেল।
দুই মাসের সর্বোচ্চ থেকে কিছুটা কমেছে অ্যারাবিকা কফির দাম
Bonik Barta
ইন্টারকন্টিনেন্টাল এক্সচেঞ্জে (আইসিই) অ্যারাবিকা কফির দাম টানা বেড়ে দুই মাসের সর্বোচ্চে পৌঁছেছিল। গত বুধবার তা কিছুটা কমে এসেছে।
আইসিইতে বুধবার অ্যারাবিকা কফির দাম দশমিক ২ শতাংশ কমেছে। প্রতি পাউন্ডের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৩ ডলার ৫৬ সেন্টে। এর আগে তা বেড়ে পাউন্ডপ্রতি ৩ ডলার ৫৯ সেন্টে পৌঁছেছিল। বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধির পর এখন কফির বাজারে মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা দেখা দিয়েছে। ফলে বিক্রয়চাপ বেড়ে দাম কমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এর আগে দাম বাড়ার পেছনে মূল ভূমিকা রেখেছে বিকল্প সরবরাহ নিশ্চিতের তাগিদে বাজারে মজুদ কমে যাওয়া। সম্প্রতি ব্রাজিলীয় কফি আমদানিতে যুক্তরাষ্ট্র ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর বাজারে এ চাপ তৈরি হয়েছে।
তবে চলতি সপ্তাহে মজুদ আবারো কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। ১৪ আগস্ট মজুদ নেমে এসেছিল ৭ লাখ ২৬ হাজার ৬৬১ ব্যাগে।
১৯ আগস্ট তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৫৭৩ ব্যাগে। এর বেশির ভাগই এসেছে হন্ডুরাস থেকে। পাশাপাশি মেক্সিকো থেকেও এ সময় কফির সরবরাহ কিছুটা বেড়েছে।
মিসরের সঙ্গে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় গ্যাস রফতানি চুক্তি
Bonik Barta
মিসরের সঙ্গে বড় আকারের প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ চুক্তি চূড়ান্ত করতে যাচ্ছে ইসরায়েল। দুই বছর আগে চুক্তিটি হওয়ার কথা থাকলেও পরে নানা কারণে বিলম্ব হয়। এখন বলা হচ্ছে, দুই সপ্তাহের মধ্যে এতে স্বাক্ষর করবে দুই পক্ষ। এ চুক্তির মাধ্যমে ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র লেভিয়াথান থেকে দীর্ঘমেয়াদে গ্যাস রফতানি হবে। খবর ইউরো নিউজ। লেভিয়াথান গ্যাসক্ষেত্রের অংশীদার প্রতিষ্ঠান নিউমেড এনার্জি জানিয়েছে, এটি হবে ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় চুক্তি। এর আওতায় ২০৪০ সাল পর্যন্ত মিসরে ১৩ হাজার কোটি ঘনমিটার গ্যাস রফতানি করা হবে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। চুক্তিটি বাস্তবায়ন হলে ২০২৮ সালের মধ্যে ইসরায়েলের গ্যাস রফতানি তিন গুণ বাড়বে।
শাওমির আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ
Bonik Barta
চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) চীনা স্মার্টফোন ও বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) নির্মাতা শাওমির আয় ৩০ দশমিক ৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৬০০ কোটি ইউয়ান বা প্রায় ১ হাজার ৬১৬ কোটি ডলার, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশিত ১১ হাজার ৪৭০ কোটি ইউয়ানকে ছাড়িয়ে গেছে। খবর রয়টার্স। কোম্পানিটির দেয়া তথ্য অনুসারে, শাওমির আয় বৃদ্ধিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে স্মার্টফোন খাত, বিশেষ করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিক্রি বেড়েছে। জুনে শেষ হওয়া প্রান্তিকে এ অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া স্মার্টফোন ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে শাওমি। এছাড়া শিপমেন্টের দিক থেকে ইউরোপে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে।
বছরের প্রথমার্ধ চীনে পেরুর স্বর্ণ রফতানিতে নতুন রেকর্ড
Bonik Barta
চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) চীনে পেরুর স্বর্ণ রফতানি গত বছরের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। দেশটির সরকার আগস্টে প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানিয়েছে। পেরু থেকে চতুর্থ বৃহত্তম স্বর্ণ আমদানিকারক দেশ চীন। তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি-জুন পর্যন্ত চীনে ৯৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের স্বর্ণ রফতানি করেছে পেরু, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি। ২০২৪ সালে পুরো বছরজুড়ে পেরু চীনে ৮৮ কোটি ৫০ লাখ ডলারের স্বর্ণ রফতানি করেছিল, যা ২০২৩ সালের ১৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের তুলনায় ৪১০ শতাংশ বেশি। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক উত্তেজনার মধ্যে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের টানাপড়েনে আপৎকালীন বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা বাড়ছে। চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে পেরুর বিশ্বব্যাপী স্বর্ণ রফতানি আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ শতাংশ বেড়ে ৮৫৭ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।
ক্রিপ্টো খাতে এশিয়ার ধনীদের আগ্রহ বাড়ছে
Bonik Barta
এশিয়ার ধনীরা ক্রিপ্টোকারেন্সিতে দ্রুত বিনিয়োগ বাড়াচ্ছেন, বিশেষ করে ফ্যামিলি অফিসের মাধ্যমে ডিজিটাল সম্পদে লগ্নি করছেন তারা। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, ক্রিপ্টো খাত ঘিরে আশাবাদ, মূলধারায় গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি ও গুরুত্বপূর্ণ বাজারগুলোয় সহায়ক নীতির কারণে এ প্রবণতা তৈরি হয়েছে। খবর রয়টার্স। সম্পদ ব্যবস্থাপকরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ আয়ের এশীয় বিনিয়োগকারীরা ক্রিপ্টো খাতে আরো বেশি অংশীদারত্ব চাইছেন, যার প্রভাব পড়েছে এক্সচেঞ্জগুলোর লেনদেন ও ক্রিপ্টোর বর্ধিত চাহিদায়।
নিয়ন্ত্রণমূলক ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বৈশ্বিক অর্থনীতি?
Bonik Barta
বিশ্বের দেশে দেশে সরকারের ব্যয় বাড়ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে বাজেট ঘাটতিও। এ ঘাটতি পূরণে এসব সরকারের ঋণনির্ভরতাও বাড়ছে। শীর্ষ অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে শুরু করে অন্য অনেক দেশেই এ ঋণ এখন বড় আকার ধারণ করেছে। এর সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে সরকারগুলোর ব্যয়ের বোঝা আরো বড় হচ্ছে। বিপুলায়তনের ঋণের এ দুষ্টচক্রের ভার লাঘবে সুদহার কমিয়ে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর ওপর চাপ বাড়াচ্ছে কোনো কোনো দেশের সরকার। আবার কিছু ক্ষেত্রে বাজার পরিস্থিতির কারণেও ব্যাহত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীন নীতি প্রয়োগের সক্ষমতা। বৈশ্বিক পুঁজি, পণ্য ও মুদ্রাবাজারের বিনিয়োগকারীদের আশঙ্কা, সামনের বছরগুলোয়ও আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর নীতি প্রয়োগের স্বাধীনতা ব্যাহত হতে পারে বারবার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর মুদ্রানীতির (মনিটরি পলিসি) নিয়ন্ত্রক হয়ে উঠতে পারে সরকারের আর্থিক নীতি (ফিসকল পলিসি)। এ কারণে আসন্ন বছরগুলোকে ‘ফিসকল ডমিন্যান্স’-এর যুগ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন বাজারের বিনিয়োগকারী ও বিশ্লেষকরা।
গত অর্থবছরে সবজি রফতানি কমেছে ৩৮.৬৪%
Bonik Barta
বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সবজি রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ফলে রফতানির উদ্দেশ্যে যেসব কৃষক সবজি চাষ করে আসছেন তারা বিপাকে পড়েছেন। একই সঙ্গে কমেছে এখান থেকে আসা রফতানি আয়ও। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য বলছে, দেশের সবজি রফতানি গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৩৮ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমেছে। যেখানে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে সবজি রফতানি হয়েছিল প্রায় ১১ কোটি ২৪ লাখ ডলারের, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় প্রায় ৮ কোটি ১১ লাখ ডলারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শীর্ষ ১০ টেকসই ব্যাংকের তালিকায় ইবিএল
Bonik Barta
বাংলাদেশ ব্যাংকের করা ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ টেকসই ব্যাংকের তালিকায় স্থান পেয়েছে ইস্টার্ন ব্যাংক (ইবিএল)। গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সাসটেইনেবিলিটি রেটিং রিকগনিশন অনুষ্ঠানে ইবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখারের হাতে সম্মাননাপত্র তুলে দেন গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নূরুন নাহার এবং সাসটেইনেবল ফাইন্যান্স ডিপার্টমেন্টের (এসএফডি) পরিচালক চৌধুরী লিয়াকত আলীসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে আলী রেজা ইফতেখার বলেন, ‘এ স্বীকৃতি সবুজ অর্থায়নকে উৎসাহিত ও জলবায়ু ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে এবং একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব ব্যাংকিং কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে আমাদের আরো বেশি অনুপ্রাণিত করবে।’