07-Aug-2025

Friday 08 August 2025

09-Aug-2025

অর্থনীতিতে গতি ফিরছে, জুলাইয়ে পিএমআই ৬১.৫

Bonik Barta

দেশের অর্থনীতিতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরছে—এমন একটি বার্তা দিচ্ছে সদ্য প্রকাশিত পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই)। জুলাইয়ে বাংলাদেশের পিএমআই সূচক দাঁড়িয়েছে ৬১ দশমিক ৫ পয়েন্ট, যা আগের মাসের তুলনায় ৮ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেশি। ৫০-এর ওপরের এ স্কোর অর্থনীতির সম্প্রসারণ বা প্রবৃদ্ধির স্পষ্ট ইঙ্গিত বহন করে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এ সূচক শুধু একটি পরিসংখ্যান নয়—বরং এটি শিল্প, সেবা এবং নির্মাণ খাতে পুনরুজ্জীবনের একটি নিঃসন্দেহ বার্তা। মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এমসিসিআই) এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের যৌথ উদ্যোগে গতকাল এ সূচক প্রকাশ করা হয়। কৃষি, নির্মাণ, উৎপাদন ও পরিষেবা খাতের নির্বাহীদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতি মাসে পিএমআই নিরূপণ করা হয়। ব্যবসায়িক কার্যক্রম, নতুন অর্ডার, কর্মসংস্থান, উৎপাদন ব্যয় এবং ব্যাকলগ—এ উপাদানগুলোর ওপর ভিত্তি করেই সূচকটি নির্ধারিত হয়। জুলাইয়ে যে খাতগুলো উল্লেখযোগ্যভাবে অবদান রেখেছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—উৎপাদন ও সেবা খাত, যেখানে নতুন অর্ডার বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং অর্ডার ব্যাকলগ হ্রাস পেয়েছে। কৃষি খাত কিছুটা ধীরগতিতে এগোলেও নির্মাণ খাত আগের মাসের সংকোচন কাটিয়ে সম্প্রসারণে ফিরেছে, যা অর্থনীতির ভারসাম্যপূর্ণ পুনরুদ্ধারের বার্তা দেয়। পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, ‘জুলাইয়ে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতি সম্প্রসারিত হয়েছে, যা মূলত সেবা ও উৎপাদন খাতের প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করেই হয়েছে—যেখানে রফতানি আয় পৌঁছেছে সর্বোচ্চ মাসিক মাইলফলক ৪৭৭ কোটি ডলারে। তবে কৃষি খাত তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে সম্প্রসারিত হয়েছে, যা বর্ষাকালে (বন্যাজনিত) ব্যাঘাতকে তুলে ধরেছে।’

জুলাইয়ে রেকর্ড সয়াবিন আমদানি করেছে চীন

Bonik Barta

চীন গত মাসে রেকর্ড সয়াবিন আমদানি করেছে। দেশটির শুল্ক বিভাগের প্রকাশিত প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, গত মাসে চীনের মোট সয়াবিন আমদানির পরিমাণ ছিল ১ কোটি ১৬ লাখ ৭০ হাজার টন। এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। খাতসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, এ আমদানি প্রবৃদ্ধির পেছনে প্রধান ভূমিকা রেখেছে ব্রাজিলের রেকর্ড রফতানি। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক টানাপড়েনের কারণে সম্ভাব্য সরবরাহ অনিশ্চয়তাও এ বৃদ্ধির কারণ। সাংহাইভিত্তিক কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান জেসিআইয়ের বিশ্লেষক রোসা ওয়াং বলেন, ‘চীন-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বাজারে সম্ভাব্য অনিশ্চয়তা মোকাবেলার প্রস্তুতি হিসেবে আমদানি বাড়িয়েছে চীন। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও দেশটির আমদানি ১ কোটি টনের ওপরে পৌঁছতে পারে।’ ক্যাপিটাল জিংডু ফিউচারসের বিশ্লেষক ওয়ান চেংঝি বলেন, ‘রেকর্ড উৎপাদনের প্রেক্ষাপটে সয়াবিনের সরবরাহ বাড়িয়েছে ব্রাজিল। ধারণা করা হচ্ছে, এ প্রবণতা চতুর্থ প্রান্তিক পর্যন্ত বজায় থাকবে।’

ভারতের বাজারে দাম কমেছে জিরার

Bonik Barta

অভ্যন্তরীণ ও বিদেশী চাহিদা হ্রাসের কারণে ভারতের বাজারে কমেছে জিরার দাম। বাজার বিশ্লেষণী প্রতিষ্ঠান কেডিয়া অ্যাডভাইজরির তথ্যানুযায়ী, ফিউচার মার্কেটে মসলাপণ্যটির দাম কমেছে ১ দশমিক ৫৬ শতাংশ। প্রতি কুইন্টালের দাম নির্ধারণ হয়েছে ১৮ হাজার ৯১০ রুপি। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, খুচরায় বেচাকেনা হওয়ার মৌসুম শেষ হওয়ায় অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদা কমে গেছে। এছাড়া অন্যান্য দেশেও চাহিদা কম। বর্তমানে বাজারে মজুদ দ্রব্য দিয়েই রফতানির চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এতে নতুন লেনদেনের গতি মন্থর হয়ে পড়েছে। তারা আরো জানান, কৃষকদের হাতে এখনো প্রায় ২০ লাখ বস্তা জিরা রয়েছে। এর মধ্যে এ মৌসুমে মাত্র তিন-চার লাখ বস্তার লেনদেন হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ফলে মৌসুম শেষে প্রায় ১৬ লাখ বস্তা জিরা অবিক্রীত থেকে যেতে পারে। এদিকে ভারতে জিরা উৎপাদন কিছুটা কমেছে। চলতি মৌসুমে পণ্যটির উৎপাদন প্রায় ৯০-৯২ লাখ বস্তায় দাঁড়াতে পারে, গত বছর যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ বস্তা। এর মধ্যে গুজরাটে উৎপাদনের পরিমাণ হতে পারে ৪২-৪৫ লাখ বস্তা।

বছরের বাকি সময়জুড়ে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে টিনের দাম

Bonik Barta

এআইয়ের উত্থানে সেমিকন্ডাক্টরসহ আনুষঙ্গিক যন্ত্রাংশ উৎপাদনে টিনের চাহিদা বাড়ছে। চাহিদা বাড়ছে ইলেকট্রনিক পণ্য উৎপাদনেও। যদিও আন্তর্জাতিক বাজারে টিনের সরবরাহ সংকট অব্যাহত রয়েছে। সব মিলিয়ে চলতি বছরের বাকি সময়জুড়ে ঊর্ধ্বমুখী থাকবে ব্যবহারিক ধাতুটির বাজারদর। গবেষণা সংস্থা বিএমআই (ফিচ সলিউশনের একটি ইউনিট) সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। বিএমআইয়ের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৫ সালে টিনের গড় দাম হতে পারে টনপ্রতি ৩৩ হাজার ডলার, এর আগে দেয়া পূর্বাভাসে যা ছিল টনে ৩২ হাজার ডলার। অন্যদিকে বৈশ্বিক আর্থিক পরিষেবা প্রতিষ্ঠান সাকডেন ফাইন্যান্সিয়াল জানিয়েছে, চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে টিনের দাম টনপ্রতি ৩২-৩৫ হাজার ডলারের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। লন্ডন মেটাল এক্সচেঞ্জে (এলএমই) টিনের মজুদ ক্রমেই কমছে। এ কারণে সামনের দিনগুলোয় দাম আরো বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল টিন অ্যাসোসিয়েশনের (আইটিএ) বিশ্লেষক টম ল্যাংস্টন। তিনি বলেন, ‘চীনে কনসেনট্রেট সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে চাহিদা বেশি থাকায় টিনের দাম বাড়ছে।’ সাকডেন ফাইন্যান্সিয়াল আরো জানায়, মিয়ানমার পুনরায় ধীরে ধীরে সরবরাহ শুরু করেছে। তবে বাজারে পণ্যটি আসছে এখনো কম। বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম টিন উৎপাদনকারী দেশ মিয়ানমার। দেশটির ওয়া প্রদেশে ২০২৩ সালের আগস্টে খনন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। ২০২৫ সালের মার্চে পুনরায় চালুর অনুমোদন পেলেও তা এখনো শুরু হয়নি। ফলে বাজারে সরবরাহ সংকট এখনো কাটেনি। দেশটির মজুদ বৈশ্বিক টিন মজুদের প্রায় ১৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের গম রফতানি হ্রাস পেয়েছে ৫৮%

Bonik Barta

নতুন বিপণন বর্ষে (জুলাই-জুন) ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) গম রফতানি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। ইইউর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষে জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত জোটভুক্ত দেশগুলো ১১ লাখ টন গম রফতানি করেছে, যা আগের সপ্তাহের আট লাখ টনের তুলনায় কিছুটা বেশি হলেও গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫৮ শতাংশ কম। খবর বিজনেস রেকর্ডার। চলতি বিপণন বর্ষের ৩ আগস্ট পর্যন্ত ইইউর বার্লি রফতানি দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৫০ হাজার টনে। আগের সপ্তাহের তুলনায় খাদ্যশস্যটির রফতানি বেড়েছে। তবে ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তা ১৩ শতাংশ কম। তবে কমিশন জানিয়েছে, ফ্রান্সের রফতানি তথ্য চলতি বছরের শুরু থেকে এবং বুলগেরিয়া ও আয়ারল্যান্ডের তথ্য ২০২৩-২৪ বিপণন বর্ষের শুরু থেকে অসম্পূর্ণ রয়েছে। ফ্রান্স ইইউর সবচেয়ে বড় শস্য উৎপাদনকারী দেশ হলেও ২০২৫-২৬ বিপণন বর্ষের এখন পর্যন্ত তাদের রফতানির পরিসংখ্যানে শূন্য দেখানো হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে আরো ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে অ্যাপল

Bonik Barta

যুক্তরাষ্ট্রে আরো ১০ হাজার কোটি বা ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে অ্যাপল। এতে আগামী চার বছরে কোম্পানিটির মোট বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি দাঁড়াল ৬০ হাজার কোটি ডলারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পদক্ষেপটি অ্যাপলকে যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন তৈরির পথে এগিয়ে রাখবে। তবে চূড়ান্ত সংযোজন এখনই দেশে আনার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন অ্যাপলের সিইও টিম কুক। বিশ্লেষকদের মতে, অ্যাপলের এ বিনিয়োগ সাধারণ ব্যয়েরই অংশ। মে মাসে ট্রাম্প অ্যাপলকে ২৫ শতাংশ শুল্কের হুমকি দিয়েছিলেন, যা পরে শিথিল করা হয়।

যুক্তরাজ্যে জুলাইয়ে নির্মাণ খাতের কার্যক্রম কমেছে

Bonik Barta

যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতে কার্যক্রম জুলাইয়ে অনেকটাই কমে গেছে। কভিড-১৯ মহামারীর শুরুর সময়ের পর এটিই সবচেয়ে বড় পতন বলে জানিয়েছে বাজার পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল। বিশেষ করে আবাসন নির্মাণের কাজ অনেক কমেছে। পাশাপাশি রাস্তাঘাট বা সেতুর মতো অবকাঠামো নির্মাণ ও বাণিজ্যিক ভবনের কাজও কমায় সামগ্রিকভাবে নির্মাণ খাতের কার্যক্রমে ধীরগতি দেখা গেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের মাসিক জরিপ অনুযায়ী, জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের নির্মাণ খাতের পারচেজিং ম্যানেজারস ইনডেক্স (পিএমআই) নেমে এসেছে ৪৪ দশমিক ৩-এ, যা জুনে ছিল ৪৮ দশমিক ৮। পিএমআই সূচক ৫০-এর নিচে নামার অর্থ দাঁড়ায় সংকোচন। এদিকে আবাসন নির্মাণ খাতের পিএমআইও আগের ৫০ দশমিক ৭ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ৪৫ দশমিক ৩-এ। নির্মাণ খাতের দুরবস্থা ব্রিটিশ সরকারের ১৫ লাখ নতুন বাড়ি নির্মাণ হওয়ার প্রত্যাশা পূরণের পথে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ প্রত্যাশা পূরণ হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ সরকার সম্ভাব্য বাড়ি নির্মাণের সংখ্যা অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের জরিপ বলছে, ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাজ্যের নির্মাণ কোম্পানিগুলোর মধ্যে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। অনেক প্রতিষ্ঠান দরপত্র আহ্বানের যথেষ্ট সুযোগ পাচ্ছে না। আবার অনেক গ্রাহকই নতুন প্রকল্পে অর্থ বিনিয়োগ করতে চাইছেন না। এতে করে খাতে নতুন বিনিয়োগ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

মুনাফা বেড়েছে ডিজনির

Bonik Barta

প্রতি বছর অক্টোবর থেকে হিসাব বছর গণনা করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বিনোদন প্রতিষ্ঠান ওয়াল্ট ডিজনি। চলতি অর্থবছরের তৃতীয় প্রান্তিক অর্থাৎ এপ্রিল-জুন সময়ে কোম্পানিটির মুনাফা ও আয় বেড়েছে। ডিজনি বলছে, দেশীয় থিম পার্ক ও স্ট্রিমিং ব্যবসায় ভালো ফল ও নতুন চুক্তির ফলে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। খবর এপি। তৃতীয় প্রান্তিকে ডিজনির নিট মুনাফা হয়েছে ৫২৬ কোটি ডলার, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ২৬২ কোটি ডলার। এ সময় শেয়ারপ্রতি আয় দাঁড়িয়েছে ২ ডলার ৯২ সেন্টে। তবে কিছু ব্যয় সমন্বয়ের পর এ আয় দঁাড়ায় শেয়ারপ্রতি ১ ডলার ৬১ সেন্টে, যা বিশ্লেষকদের প্রত্যাশিত ১ ডলার ৪৬ সেন্টের চেয়েও বেশি। গত প্রান্তিকে ডিজনির আয় হয়েছে ২ হাজার ৩৬৫ কোটি ডলার, যা ওয়াল স্ট্রিটের পূর্বাভাসের চেয়ে সামান্য কম। স্ট্রিমিং ও বিনোদন খাত থেকে আয় বেড়েছে ১ শতাংশ এবং পার্ক ও ভ্রমণসংক্রান্ত ‘এক্সপেরিয়েন্সেস’ বিভাগে আয় বেড়েছে ৮ শতাংশ। এ সময় ডিজনি প্লাস ও হুলুর মোট গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ কোটি ৩০ লাখ, যা আগের প্রান্তিকের তুলনায় ২৬ লাখ বেশি। একই সময় স্ট্রিমিং বিভাগে ৩৪ কোটি ৬০ লাখ ডলার মুনাফা করেছে ডিজনি, যেখানে এক বছর আগে ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার লোকসান হয়েছিল। এদিকে ২০২৫ অর্থবছরের আয় পূর্বাভাস বাড়িয়ে শেয়ারপ্রতি ৫ ডলার ৮৫ সেন্ট নির্ধারণ করেছে কোম্পানিটি। নতুন আয় সংস্থানে ডিজনি অধীনস্থ ইএসপিএন সম্প্রতি একটি বড় চুক্তি করেছে ডব্লিউডব্লিউইর সঙ্গে। এতে ২০২৫ সাল থেকে রেসলম্যানিয়া, সামারস্লাম, রয়্যাল রাম্বলের মতো জনপ্রিয় ক্রীড়াভিত্তিক বিনোদন অনুষ্ঠানগুলো ইএসপিএনের নতুন স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম ও কিছু কেবল চ্যানেলে সম্প্রচার হবে। পাঁচ বছর মেয়াদি এ চুক্তির আনুমানিক মূল্য ১৬০ কোটি ডলার বলে জানিয়েছে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কে টয়োটার ৯৫০ কোটি ডলার ক্ষতির আশঙ্কা

Bonik Barta

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের কারণে জাপানের শীর্ষ গাড়ি নির্মাতা টয়োটা মোটর ৯৫০ কোটি ডলারের ক্ষতির আশঙ্কা করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে এটি সবচেয়ে বড় ক্ষতির পূর্বাভাস। একই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি তাদের বার্ষিক পরিচালন মুনাফার পূর্বাভাস ১৬ শতাংশ কমিয়ে দিয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চে শেষ হওয়া অর্থবছরের জন্য টয়োটা ৩ লাখ ৮০ হাজার কোটি ইয়েনের আগের পূর্বাভাসের পরিবর্তে ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি ইয়েন (প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি ডলার) পরিচালন মুনাফার পূর্বাভাস দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আমদানীকৃত গাড়ি, যন্ত্রাংশ, স্টিল ও অ্যালুমিনিয়ামের ওপর আরোপিত শুল্কের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। টয়োটার হেড অব ফাইন্যান্স তাকানরি আজুমা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, বর্তমান বাজার পরিস্থিতি নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করাটা সত্যিই কঠিন হয়ে পড়েছে।"তবে শুল্কের প্রভাব যাই হোক না কেন, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রাহকদের জন্য গাড়ি তৈরি অব্যাহত রাখবে টয়োটা। তিনি বলেন, ‘শুল্কজনিত ক্ষতির পরিমাণ ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি ইয়েন (৯৫০ কোটি ডলার)। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যেসব সরবরাহকারী জাপান থেকে গাড়ির যন্ত্রাংশ আমদানি করে, তাদেরও ক্ষতি ধরা হয়েছে।’ তবে এখানে ঠিক কতটা টয়োটার নিজস্ব ক্ষতি, তা নির্দিষ্ট করে বলেননি তিনি। অন্য গাড়ি নির্মাতারা তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতির কথা জানিয়েছে। স্টেলান্টিস জানিয়েছে, তাদের অতিরিক্ত ব্যয় হবে ১৭০ কোটি ডলার। ফোর্ড বলেছে, তাদের ৩০০ কোটি ডলার ক্ষতি হবে। জেনারেল মোটরস জানিয়েছে, তাদের ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়াবে ৪০০-৫০০ কোটি ডলারে।

ইইউ ও ইউরোজোনে খুচরা বিক্রি বেড়েছে প্রত্যাশার চেয়ে কম

Bonik Barta

চলতি বছরের জুনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ইউরোজোনে খুচরা বিক্রির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। তবে এ প্রবৃদ্ধি বিশেষজ্ঞদের প্রত্যাশার তুলনায় কম। ইউরোস্ট্যাটের তথ্যানুযায়ী, জুনে খুচরা বিক্রি বেড়েছে দশমিক ৩ শতাংশ। অথচ বিশ্লেষকরা দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন। ইউরোস্ট্যাটের তথ্যানুযায়ী, ইইউ ও ইউরোজোনে জুনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় খুচরা বিক্রি বেড়েছে ৩ দশমিক ১ শতাংশ। এদিকে চলতি বছরের মে মাসের তুলনায় জুনে ইউরোজোনে খুচরা বিক্রি সামান্য বেড়েছে। এ সময় খাদ্য, পানীয় ও তামাকজাত পণ্যে বিক্রি বেড়েছে দশমিক ২ শতাংশ। জ্বালানি খাতে বেড়েছে দশমিক ৪ শতাংশ ও অন্যান্য নিত্যপণ্যে বেড়েছে দশমিক ৬ শতাংশ। ইইউ-ভুক্ত ২৭টি সদস্য দেশের গড় হিসাবেও চিত্র প্রায় একই পাওয়া গেছে। এ অঞ্চলেও নিত্যপণ্য ও জ্বালানিতে খুচরা বিক্রি বেড়েছে সমানভাবে দশমিক ৬ শতাংশ করে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের পরিসংখ্যান সংস্থাটি জানিয়েছে, মে মাসের তুলনায় জুনে ইইউ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে খুচরা বিক্রি সবচেয়ে বেশি বেড়েছে ক্রোয়েশিয়ায়, ৩ দশমিক ৬ শতাংশ। সুইডেন ও মাল্টায় বেড়েছে যথাক্রমে ২ দশমিক ৬ শতাংশ ও ২ দশমিক ২ শতাংশ। অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি কমেছে ফ্রান্সে, দশমিক ৯ শতাংশ। পোল্যান্ড ও স্লোভেনিয়ায় কমেছে দশমিক ৮ শতাংশ করে এবং ডেনমার্কে দশমিক ৭ শতাংশ। খুচরা বিক্রিতে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় জুনে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে সাইপ্রাসে। দেশটিতে বিক্রি বেড়েছে ৮ দশমিক ৭ শতাংশ। এর পরে রয়েছে ক্রোয়েশিয়া, যেখানে প্রবৃদ্ধি ৭ দশমিক ৪ শতাংশ। মাল্টা ও পর্তুগালে বিক্রি বেড়েছে সমান হারে, ৬ দশমিক ৯ শতাংশ করে।

অনিশ্চয়তার মধ্যেই কার্যকর হলো ট্রাম্পের শুল্কহার

Bonik Barta

বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতি যুক্তরাষ্ট্রে কর্মসংস্থান এখন কমতির দিকে। মন্দার আশঙ্কায় আবাসন খাত। নির্মাণ খাতের ব্যয়ও এখন পড়তির দিকে। উৎপাদনশীলতা কমছে। যদিও উৎপাদনে ব্যয় বেড়ে কমে যাচ্ছে কর্মীর প্রকৃত মজুরি। বাড়ছে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা। এর মধ্যেই বিভিন্ন দেশ থেকে পণ্য আমদানির ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষিত শুল্কহার কার্যকর হয়েছে গতকাল। সে অনুযায়ী ৬০টির বেশি দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক পরিশোধ করতে হবে ১০-৫০ শতাংশ পর্যন্ত। তবে কোনো কোনো দেশের ক্ষেত্রে এ হার অদূর ভবিষ্যতে আরো বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রটেকশন (সিবিপি) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বুধবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিট অর্থাৎ গতকাল থেকে নতুন শুল্ক আদায় শুরু হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগে যুক্তরাষ্ট্রগামী জাহাজে থাকা পণ্য আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত পুরনো শুল্কহারেই প্রবেশ করতে পারবে। ট্রাম্প কিছু দেশের ওপর শুল্কহার আরোপ করেছেন অন্যান্য দেশের চেয়ে বেশি। আবার কোনো কোনো দেশের ওপর পূর্বে আরোপিত শুল্কের সঙ্গে নতুন করে আরো শুল্ক বসানোর ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। যেমন শুরুতে ব্রাজিলের পণ্যে ৫০ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডে ৩৯ শতাংশ, কানাডায় ৩৫ শতাংশ ও ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপ করেছিলেন তিনি। পরে গত বুধবার ভারতীয় পণ্যের ক্ষেত্রে নতুন করে আরো ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প, যা ২১ দিনের মধ্যে কার্যকর হবে। ভারতের ওপর এ অতিরিক্ত শুল্কহার আরোপের পেছনে রাশিয়া থেকে দেশটির জ্বালানি পণ্য আমদানিকে দায়ী করেছেন ট্রাম্প।

মোংলা ইপিজেডে দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানির ৮০ লাখ ৬০ হাজার ডলার বিনিয়োগ

Bonik Barta

দক্ষিণ কোরীয় প্রতিষ্ঠান ওসিএফ কোম্পানি লিমিটেড ৮০ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার বিনিয়োগে মোংলা ইপিজেডে একটি তাঁবু ও তাঁবু অ্যাকসেসরিজ, ক্যাম্পিং ফার্নিচার, ফার্নিচার অ্যাকসেসরিজ ও ব্যাগ তৈরির কারখানা স্থাপন করতে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি বেপজার সদস্য (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আশরাফুল কবীর ও ওসিএফ কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান হাইয়ুন গিল কিম নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বেপজার সদস্য (প্রকৌশল) মো. ইমতিয়াজ হোসেন, সদস্য (অর্থ) আ ন ম ফয়জুল হক, নির্বাহী পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. তানভীর হোসেন এবং নির্বাহী পরিচালক (জনসংযোগ) এএসএম আনোয়ার পারভেজসহ প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।